হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বিরোধী দল না এলেও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন থামবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: ঢাকা, ১৩ অক্টোবর – জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংশোধনের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল অংশ না নিলেও সরকার তার কাজ থামাবে না বলে অত্যন্ত স্পষ্ট ও দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সম্…


ঢাকা, ১৩ অক্টোবর – জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংশোধনের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল অংশ না নিলেও সরকার তার কাজ থামাবে না বলে অত্যন্ত স্পষ্ট ও দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত সংসদীয় বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বিরোধী দলের অংশগ্রহণের জন্য আলোচনার পথ ও দরজা সবসময় খোলা রাখা হলেও জাতির প্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংশোধনে সরকার আর বেশি দিন অপেক্ষা করবে না।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির সপ্তম বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় নিয়োগ পেতে ভুয়া তথ্য! পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দুদকের

উপাচার্য, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আয়োজিত এই হাই-ভোল্টেজ বৈঠকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, বিচার বিভাগের ক্ষমতার সীমা, সংসদের উচ্চকক্ষ (Upper House) গঠন এবং জনগণের সার্বভৌমত্ব নিয়ে একের পর এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাব উঠে এসেছে।

প্রধান পয়েন্টসমূহ: কেন ও কীভাবে এগোচ্ছে সংবিধান সংশোধন?

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সিদ্ধান্তের আলোকেই বর্তমান সরকার সংবিধান সংশোধনের বড় উদ্যোগ নিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রধান বক্তব্যসমূহ:

বিরোধী দলের জন্য দরজা খোলা: জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটকে বিশেষ কমিটিতে আসার জন্য বারবার আহ্বান জানানো হচ্ছে। তারা চাইলে লিখিত বা মৌখিক মতামত দিতে পারে, এমনকি বিল সংসদে উঠলেও আলোচনার সুযোগ থাকবে।

অপেক্ষার সময় নেই: বিরোধী দল না আসলেও জনগণের ম্যান্ডেট ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার থেকে পিছিয়ে আসবে না সরকার।

আলী রীয়াজের সমালোচনার জবাব: ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজের সমালোচনার জবাবে তিনি জানান, রাজনৈতিক ঐকমত্যের পাশাপাশি নির্বাচনী ইশতেহার এবং বর্তমান সময়ের প্রয়োজন অনুসারেই সংবিধান সংশোধন করা হবে।

গভীর বিশ্লেষণ: বৈঠকে যেসব মেগা পরিবর্তন ও প্রস্তাব উঠে এসেছে

মঙ্গলবারের এই বৈঠকে দেশের শীর্ষস্থানীয় বুদ্ধিজীবী ও বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে সংবিধানে আমূল পরিবর্তনের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে:

১. তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা:

জুলাই সনদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ক্ষেত্রে শেষ বিকল্প হিসেবে ‘রাষ্ট্রপতিকে রাখার বিধান বাদ দেওয়ার’ বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। অন্য কোনো বিকল্পে ঐকমত্য না হলে সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে ‘বিচার বিভাগ’-কে রাখা যায় কি না, সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের অভিমত ও লিখিত প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে।

২. বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সীমা ও মৌলিক কাঠামো:

সংবিধানের মৌলিক কাঠামো (Basic Structure) ব্যাখ্যার নামে বিচার বিভাগ যাতে জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে না পারে, তা নিশ্চিত করার তাগিদ এসেছে। রাষ্ট্রের কোনো একটি অঙ্গ (যেমন নির্বাহী বা বিচার বিভাগ) যাতে অন্য অঙ্গের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য তৈরি না করতে পারে, সে ক্ষমতা স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে।

৩. সংসদের উচ্চকক্ষ (Upper House) ও পিআর (PR) পদ্ধতি:

বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র হওয়ায় উচ্চকক্ষের রূপরেখা কী হবে, তা নিয়ে বিশদ কথা হয়েছে। এতে বিশিষ্ট নাগরিক, শ্রেণি-পেশার মানুষ ও জেলাভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। উচ্চকক্ষের সদস্যরা সরাসরি ভোটে নাকি সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতিতে আসবেন, তা পর্যালোচনাধীন।

৪. গণভোটের বিধান ও ১৪২ অনুচ্ছেদ:

হাইকোর্টের রায়ে গণভোটের বিধান ফিরলেও আইনসভার মাধ্যমে তা কাঠামোগতভাবে পুনর্গঠন করার কথা বলা হয়েছে। সংবিধান সংশোধনের নিয়ম যেন অতিরিক্ত কঠিন বা অতিরিক্ত সহজ না হয়, সেটির ভারসাম্য রক্ষার পরামর্শ এসেছে।

৫. জনগণের সার্বভৌমত্ব ও মৌলিক অধিকারের পরিধি:

সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে, তা স্পষ্ট করা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার কিছু মূলনীতিকে সামর্থ্য অনুযায়ী ‘মৌলিক অধিকার’-এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব এসেছে।

“বিরোধী দল কমিটিতে অংশ নিলে আমরা তাদের স্বাগত জানাব। তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা জাতির কাছে আমাদের দেওয়া বড় অঙ্গীকার, তাই এই প্রক্রিয়া থেমে থাকবে না।” — সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কমিটি প্রধান)।

পরবর্তী বড় পদক্ষেপ

বৈঠকে অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্টজনদের আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে লিখিত প্রস্তাব জমা দিতে বলা হয়েছে। এরপর আগামী ২৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, বিশিষ্ট আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের নিয়ে দিনব্যাপী আরও একটি বড় পরামর্শসভা করার প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি।

এনএন/ ১৩ অক্টোবর ২০২৬


❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: বিরোধী দল না এলেও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন থামবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: ঢাকা, ১৩ অক্টোবর – জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংশোধনের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল অংশ না নিলেও সরকার তার কাজ থামাবে ন। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বিরোধী দল না এলেও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন থামবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বিরোধী দল না এলেও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন থামবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৩ অক্টোবর – জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংশোধনের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল অংশ না নিলেও সরকার তার কাজ থামাবে না বলে অত্যন্ত স্পষ্ট ও দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত সংসদীয় বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বিরোধী দলের অংশগ্রহণের জন্য আলোচনার পথ ও দরজা সবসময় খোলা রাখা হলেও জাতির প্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংশোধনে সরকার আর বেশি দিন অপেক্ষা করবে না।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির সপ্তম বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।উপাচার্য, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আয়োজিত এই হাই-ভোল্টেজ বৈঠকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, বিচার বিভাগের ক্ষমতার সীমা, সংসদের উচ্চকক্ষ (Upper House) গঠন এবং জনগণের সার্বভৌমত্ব নিয়ে একের পর এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাব উঠে এসেছে।প্রধান পয়েন্টসমূহ: কেন ও কীভাবে এগোচ্ছে সংবিধান সংশোধন?চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সিদ্ধান্তের আলোকেই বর্তমান সরকার সংবিধান সংশোধনের বড় উদ্যোগ নিয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রধান বক্তব্যসমূহ:বিরোধী দলের জন্য দরজা খোলা: জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটকে বিশেষ কমিটিতে আসার জন্য বারবার আহ্বান জানানো হচ্ছে। তারা চাইলে লিখিত বা মৌখিক মতামত দিতে পারে, এমনকি বিল সংসদে উঠলেও আলোচনার সুযোগ থাকবে।অপেক্ষার সময় নেই: বিরোধী দল না আসলেও জনগণের ম্যান্ডেট ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার থেকে পিছিয়ে আসবে না সরকার।আলী রীয়াজের সমালোচনার জবাব: ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজের সমালোচনার জবাবে তিনি জানান, রাজনৈতিক ঐকমত্যের পাশাপাশি নির্বাচনী ইশতেহার এবং বর্তমান সময়ের প্রয়োজন অনুসারেই সংবিধান সংশোধন করা হবে।গভীর বিশ্লেষণ: বৈঠকে যেসব মেগা পরিবর্তন ও প্রস্তাব উঠে এসেছেমঙ্গলবারের এই বৈঠকে দেশের শীর্ষস্থানীয় বুদ্ধিজীবী ও বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে সংবিধানে আমূল পরিবর্তনের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে:১. তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা:জুলাই সনদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ক্ষেত্রে শেষ বিকল্প হিসেবে ‘রাষ্ট্রপতিকে রাখার বিধান বাদ দেওয়ার’ বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। অন্য কোনো বিকল্পে ঐকমত্য না হলে সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে ‘বিচার বিভাগ’-কে রাখা যায় কি না, সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের অভিমত ও লিখিত প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে।২. বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সীমা ও মৌলিক কাঠামো:সংবিধানের মৌলিক কাঠামো (Basic Structure) ব্যাখ্যার নামে বিচার বিভাগ যাতে জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে না পারে, তা নিশ্চিত করার তাগিদ এসেছে। রাষ্ট্রের কোনো একটি অঙ্গ (যেমন নির্বাহী বা বিচার বিভাগ) যাতে অন্য অঙ্গের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য তৈরি না করতে পারে, সে ক্ষমতা স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে।৩. সংসদের উচ্চকক্ষ (Upper House) ও পিআর (PR) পদ্ধতি:বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র হওয়ায় উচ্চকক্ষের রূপরেখা কী হবে, তা নিয়ে বিশদ কথা হয়েছে। এতে বিশিষ্ট নাগরিক, শ্রেণি-পেশার মানুষ ও জেলাভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। উচ্চকক্ষের সদস্যরা সরাসরি ভোটে নাকি সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতিতে আসবেন, তা পর্যালোচনাধীন।৪. গণভোটের বিধান ও ১৪২ অনুচ্ছেদ:হাইকোর্টের রায়ে গণভোটের বিধান ফিরলেও আইনসভার মাধ্যমে তা কাঠামোগতভাবে পুনর্গঠন করার কথা বলা হয়েছে। সংবিধান সংশোধনের নিয়ম যেন অতিরিক্ত কঠিন বা অতিরিক্ত সহজ না হয়, সেটির ভারসাম্য রক্ষার পরামর্শ এসেছে।৫. জনগণের সার্বভৌমত্ব ও মৌলিক অধিকারের পরিধি:সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে, তা স্পষ্ট করা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার কিছু মূলনীতিকে সামর্থ্য অনুযায়ী ‘মৌলিক অধিকার’-এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব এসেছে।“বিরোধী দল কমিটিতে অংশ নিলে আমরা তাদের স্বাগত জানাব। তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা জাতির কাছে আমাদের দেওয়া বড় অঙ্গীকার, তাই এই প্রক্রিয়া থেমে থাকবে না।” — সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কমিটি প্রধান)।পরবর্তী বড় পদক্ষেপবৈঠকে অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্টজনদের আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে লিখিত প্রস্তাব জমা দিতে বলা হয়েছে। এরপর আগামী ২৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, বিশিষ্ট আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের নিয়ে দিনব্যাপী আরও একটি বড় পরামর্শসভা করার প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি।এনএন/ ১৩ অক্টোবর ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×