হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে জিয়া উদ্যানে সাধারণ মানুষের ঢল

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন


ঢাকা, ০১ জানুয়ারি – নতুন বছরের প্রথম দিন। চারদিকে যখন উৎসবের আমেজ থাকার কথা, তখন পুরো জাতি যেন এক গভীর শোকের সাগরে নিমজ্জিত। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল থেকেই রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে নেমেছে সাধারণ মানুষের ঢল। হাতে সোনাঝরা রোদের বদলে আজ সেখানে বিষণ্নতা; মানুষের হাতে ফুল আর চোখজুড়ে অশ্রু। লড়াকু নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন।

ভোরের কুয়াশা মাড়িয়ে কেউ এসেছেন বাসে, কেউ ট্রাকে, আবার কেউ কয়েক মাইল হেঁটে। উদ্দেশ্য একটাই—প্রিয় ‘দেশনেত্রী’র কবরের পাশে দাঁড়িয়ে একবিন্দু চোখের জল ফেলা। নিরাপত্তার কড়াকড়ি শেষে লেক রোড খুলে দেওয়ার পরপরই সমাধিস্থলে এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের কড়া প্রহরার মধ্যেই অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে একে একে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান হাজার হাজার মানুষ।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

কবর জিয়ারতে আসা মানুষের মাঝে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে এক গভীর মমত্ববোধ লক্ষ্য করা গেছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ জিয়ারত শেষে আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন একজন নির্ভেজাল ও নিবেদিতপ্রাণ গণতান্ত্রিক নেত্রী। তিনি নিজের জন্য কিছু চাননি, সারা জীবন মাটি ও মানুষের কথা বলেছেন। শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত দলকে তিনি পূর্ণাঙ্গ রূপ দিয়ে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের লড়াকু শক্তিতে পরিণত করেছিলেন।

সকাল থেকেই সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ দলের শীর্ষ নেতারা জিয়ারত করতে আসেন। তবে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মিরপুর থেকে আসা এক ব্যক্তি বলেন, গতকালের জানাজায় প্রচুর ভিড় ছিল, তাই আজ সকালে এসেছি। মা ছাড়া বাড়ি যেমন লাগে, দেশটা আজ তেমনই লাগছে। তার ওপর যে পরিমাণ অন্যায় করা হয়েছে, তার বিচার আল্লাহর কাছে রেখে গেলাম।

চাঁদপুর থেকে আসা আরেকজন কিংবা দুই সন্তানকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসা এক নারী—সবার মুখেই ছিল এক সাহসী নারীর সংগ্রামের গল্প। ঐ নারী বলেন, তিনি শুধু একজন নেত্রী নন, তিনি আমাদের মতো হাজারো নারীর অনুপ্রেরণা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েও তিনি যেভাবে মাথা উঁচু করে লড়াই করেছেন, তা ইতিহাসের পাতায় চিরকাল লেখা থাকবে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে জিয়া উদ্যানে সাধারণ মানুষের ঢল

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে জিয়া উদ্যানে সাধারণ মানুষের ঢল

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ০১ জানুয়ারি – নতুন বছরের প্রথম দিন। চারদিকে যখন উৎসবের আমেজ থাকার কথা, তখন পুরো জাতি যেন এক গভীর শোকের সাগরে নিমজ্জিত। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল থেকেই রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে নেমেছে সাধারণ মানুষের ঢল। হাতে সোনাঝরা রোদের বদলে আজ সেখানে বিষণ্নতা; মানুষের হাতে ফুল আর চোখজুড়ে অশ্রু। লড়াকু নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন।ভোরের কুয়াশা মাড়িয়ে কেউ এসেছেন বাসে, কেউ ট্রাকে, আবার কেউ কয়েক মাইল হেঁটে। উদ্দেশ্য একটাই—প্রিয় ‘দেশনেত্রী’র কবরের পাশে দাঁড়িয়ে একবিন্দু চোখের জল ফেলা। নিরাপত্তার কড়াকড়ি শেষে লেক রোড খুলে দেওয়ার পরপরই সমাধিস্থলে এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের কড়া প্রহরার মধ্যেই অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে একে একে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান হাজার হাজার মানুষ।কবর জিয়ারতে আসা মানুষের মাঝে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে এক গভীর মমত্ববোধ লক্ষ্য করা গেছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ জিয়ারত শেষে আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন একজন নির্ভেজাল ও নিবেদিতপ্রাণ গণতান্ত্রিক নেত্রী। তিনি নিজের জন্য কিছু চাননি, সারা জীবন মাটি ও মানুষের কথা বলেছেন। শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত দলকে তিনি পূর্ণাঙ্গ রূপ দিয়ে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের লড়াকু শক্তিতে পরিণত করেছিলেন।সকাল থেকেই সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ দলের শীর্ষ নেতারা জিয়ারত করতে আসেন। তবে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মিরপুর থেকে আসা এক ব্যক্তি বলেন, গতকালের জানাজায় প্রচুর ভিড় ছিল, তাই আজ সকালে এসেছি। মা ছাড়া বাড়ি যেমন লাগে, দেশটা আজ তেমনই লাগছে। তার ওপর যে পরিমাণ অন্যায় করা হয়েছে, তার বিচার আল্লাহর কাছে রেখে গেলাম।চাঁদপুর থেকে আসা আরেকজন কিংবা দুই সন্তানকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসা এক নারী—সবার মুখেই ছিল এক সাহসী নারীর সংগ্রামের গল্প। ঐ নারী বলেন, তিনি শুধু একজন নেত্রী নন, তিনি আমাদের মতো হাজারো নারীর অনুপ্রেরণা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েও তিনি যেভাবে মাথা উঁচু করে লড়াই করেছেন, তা ইতিহাসের পাতায় চিরকাল লেখা থাকবে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×