হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বৈধ ভিসায় গ্রিসে গিয়ে প্রতারণার শিকার শতাধিক বাংলাদেশি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন


এথেন্স, ১১ মার্চ – বৈধ ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে গ্রিসে পাড়ি জমিয়েছিলেন শতাধিক বাংলাদেশি। তবে সেখানে গিয়ে প্রতিশ্রুত কাজের সন্ধান না পেয়ে তারা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। দালাল চক্র ও অসাধু মালিকদের প্রতারণার কারণে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে থাকায় অনেকেই অবৈধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। নিরুপায় হয়ে ভুক্তভোগীরা এখন বাংলাদেশ দূতাবাসের দ্বারস্থ হয়েছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ দেশে থাকা দালালরা গ্রিসের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে জনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

কিন্তু দেশটিতে পৌঁছানোর পর দেখা যায় নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্বই নেই। জানা গেছে দালালরা গ্রিসের স্থানীয় কৃষিজমির মালিকদের কাছ থেকে ৫০০ থেকে ১ হাজার ইউরোর বিনিময়ে ভুয়া ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করে। সেই পারমিট ব্যবহার করে ভারতের দিল্লির গ্রিক দূতাবাস থেকে ভিসা সংগ্রহ করা হয়। ভিসা পাওয়ার পর প্রবাসীরা দেশটিতে পৌঁছালেও প্রতিশ্রুত কাজ পান না। চুক্তিভিত্তিক এই ভিসার নিয়ম অনুযায়ী একই নিয়োগকর্তার অধীনে এক বছর পরপর নবায়ন করে পাঁচ বছর পর্যন্ত থাকার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু কাজ না থাকায় প্রবাসীরা অবৈধ হয়ে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

দিল্লির দালাল সিন্ডিকেটের সঙ্গে চুক্তি না করলে ভিসা মেলে না বলেও অভিযোগ উঠেছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে যাওয়া ভুক্তভোগী আসিফ মিয়া জানান প্রায় ১৩ লাখ টাকা খরচ করে একটি কৃষি খামারে কাজের আশায় তিনি দেশটিতে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে মালিক বা কাজের কোনো খোঁজ পাননি। আরেক ভুক্তভোগী ইব্রাহিম হোসেন বলেন মাসে ১২০০ ইউরো বেতনের কথা বলা হলেও সেখানে কোম্পানির কোনো অফিসই পাওয়া যায়নি।

নাসিম হোসেন নামের এক প্রবাসী জানান ১১ মাস পেরিয়ে গেলেও দালালরা আর যোগাযোগ করছে না। নিয়োগকর্তা পারমিট নবায়ন না করলে এক মাস পরই তার ভিসা বাতিল হয়ে যাবে। এ বিষয়ে এথেন্সে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব মার্জিয়া সুলতানা জানান বৈধ ভিসায় এসে যারা নিয়োগকর্তাকে পাচ্ছেন না তাদের কয়েকজন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে রাষ্ট্রদূত ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এস এম/ ১১ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বৈধ ভিসায় গ্রিসে গিয়ে প্রতারণার শিকার শতাধিক বাংলাদেশি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বৈধ ভিসায় গ্রিসে গিয়ে প্রতারণার শিকার শতাধিক বাংলাদেশি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] এথেন্স, ১১ মার্চ – বৈধ ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে গ্রিসে পাড়ি জমিয়েছিলেন শতাধিক বাংলাদেশি। তবে সেখানে গিয়ে প্রতিশ্রুত কাজের সন্ধান না পেয়ে তারা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। দালাল চক্র ও অসাধু মালিকদের প্রতারণার কারণে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে থাকায় অনেকেই অবৈধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। নিরুপায় হয়ে ভুক্তভোগীরা এখন বাংলাদেশ দূতাবাসের দ্বারস্থ হয়েছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ দেশে থাকা দালালরা গ্রিসের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে জনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।কিন্তু দেশটিতে পৌঁছানোর পর দেখা যায় নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্বই নেই। জানা গেছে দালালরা গ্রিসের স্থানীয় কৃষিজমির মালিকদের কাছ থেকে ৫০০ থেকে ১ হাজার ইউরোর বিনিময়ে ভুয়া ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করে। সেই পারমিট ব্যবহার করে ভারতের দিল্লির গ্রিক দূতাবাস থেকে ভিসা সংগ্রহ করা হয়। ভিসা পাওয়ার পর প্রবাসীরা দেশটিতে পৌঁছালেও প্রতিশ্রুত কাজ পান না। চুক্তিভিত্তিক এই ভিসার নিয়ম অনুযায়ী একই নিয়োগকর্তার অধীনে এক বছর পরপর নবায়ন করে পাঁচ বছর পর্যন্ত থাকার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু কাজ না থাকায় প্রবাসীরা অবৈধ হয়ে যাচ্ছেন।দিল্লির দালাল সিন্ডিকেটের সঙ্গে চুক্তি না করলে ভিসা মেলে না বলেও অভিযোগ উঠেছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে যাওয়া ভুক্তভোগী আসিফ মিয়া জানান প্রায় ১৩ লাখ টাকা খরচ করে একটি কৃষি খামারে কাজের আশায় তিনি দেশটিতে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে মালিক বা কাজের কোনো খোঁজ পাননি। আরেক ভুক্তভোগী ইব্রাহিম হোসেন বলেন মাসে ১২০০ ইউরো বেতনের কথা বলা হলেও সেখানে কোম্পানির কোনো অফিসই পাওয়া যায়নি।নাসিম হোসেন নামের এক প্রবাসী জানান ১১ মাস পেরিয়ে গেলেও দালালরা আর যোগাযোগ করছে না। নিয়োগকর্তা পারমিট নবায়ন না করলে এক মাস পরই তার ভিসা বাতিল হয়ে যাবে। এ বিষয়ে এথেন্সে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব মার্জিয়া সুলতানা জানান বৈধ ভিসায় এসে যারা নিয়োগকর্তাকে পাচ্ছেন না তাদের কয়েকজন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে রাষ্ট্রদূত ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।এস এম/ ১১ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×