হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ অনুমোদন করল সরকার

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ০৯ অক্টোবর – সরকার অবশেষে বহু প্রতীক্ষিত ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ অনুমোদন দিয়েছে। এর লক্ষ্য হলো ডিজিটাল অর্থনীতিতে উপাত্তের গোপনীয়তা, নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা।

তবে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থের ক্ষেত্রে ভিন্ন সিদ্ধান্ত। যেমন- জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, জনশৃঙ্খলা, অপরাধ প্রতিরোধ, তদন্ত, কর ফাঁকি প্রতিরোধ, জনস্বাস্থ্য বা পরিসংখ্যান প্রস্তুতকরণের মতো ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজন হলে সম্মতি গ্রহণ থেকে অব্যাহতির বিধান রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন

দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী, বৃহস্পতিবার খুলনা-বাগেরহাট সফর

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশটি অনুমোদিত হয়। বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব আইনটির অনুমোদন এবং এর বিস্তারিত দিক তুলে ধরেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব হায়দার চৌধুরী।

বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, এই অধ্যাদেশটি জারি হলে উপাত্ত সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, ব্যবহার, স্থানান্তর, প্রকাশ, ও বিনষ্টকরণসহ ডিজিটাল সেক্টরের উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই আইনের মাধ্যমে ব্যক্তিগত উপাত্তের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা সহজ হবে।

অধ্যাদেশে সংবেদনশীল ব্যক্তিগত উপাত্ত (যেমন: স্বাস্থ্য, ধর্মীয় বিশ্বাস ইত্যাদি) শর্তসাপেক্ষে প্রক্রিয়াকরণের বিধান রাখা হয়েছে। শিশু বা সম্মতি প্রদানের সক্ষম নয় এমন ব্যক্তির উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের জন্য পিতামাতা বা আইনগত অভিভাবকের সম্মতি নিতে হবে।

উপাত্ত-জিম্মাদার মূল উদ্দেশ্যের সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে উপাত্তধারীর ব্যক্তিগত উপাত্ত অধিকতর প্রক্রিয়া করতে পারবেন, তবে তিনি ব্যক্তিগত উপাত্ত নির্ধারিত মেয়াদের অতিরিক্ত সময় ধরে রাখতে পারবেন না।

এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্যে সরকার ব্যক্তিগত উপাত্তকে চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত করেছে— পাবলিক বা উন্মুক্ত ব্যক্তিগত উপাত্ত, অভ্যন্তরীণ ব্যক্তিগত উপাত্ত, গোপনীয় ব্যক্তিগত উপাত্ত এবং সীমাবদ্ধ ব্যক্তিগত উপাত্ত।

গঠিত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত স্বতন্ত্র উপাত্ত নিরীক্ষক নির্ধারিত সময়ে ব্যক্তিগত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ সংক্রান্ত কার্যক্রম নিরীক্ষা করবেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই অধ্যাদেশ বাংলাদেশে ডিজিটাল স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ০৯ অক্টোবর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ অনুমোদন করল সরকার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ অনুমোদন করল সরকার

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ০৯ অক্টোবর – সরকার অবশেষে বহু প্রতীক্ষিত ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ অনুমোদন দিয়েছে। এর লক্ষ্য হলো ডিজিটাল অর্থনীতিতে উপাত্তের গোপনীয়তা, নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা।তবে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থের ক্ষেত্রে ভিন্ন সিদ্ধান্ত। যেমন- জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, জনশৃঙ্খলা, অপরাধ প্রতিরোধ, তদন্ত, কর ফাঁকি প্রতিরোধ, জনস্বাস্থ্য বা পরিসংখ্যান প্রস্তুতকরণের মতো ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজন হলে সম্মতি গ্রহণ থেকে অব্যাহতির বিধান রাখা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশটি অনুমোদিত হয়। বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব আইনটির অনুমোদন এবং এর বিস্তারিত দিক তুলে ধরেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব হায়দার চৌধুরী।বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, এই অধ্যাদেশটি জারি হলে উপাত্ত সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, ব্যবহার, স্থানান্তর, প্রকাশ, ও বিনষ্টকরণসহ ডিজিটাল সেক্টরের উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই আইনের মাধ্যমে ব্যক্তিগত উপাত্তের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা সহজ হবে।অধ্যাদেশে সংবেদনশীল ব্যক্তিগত উপাত্ত (যেমন: স্বাস্থ্য, ধর্মীয় বিশ্বাস ইত্যাদি) শর্তসাপেক্ষে প্রক্রিয়াকরণের বিধান রাখা হয়েছে। শিশু বা সম্মতি প্রদানের সক্ষম নয় এমন ব্যক্তির উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের জন্য পিতামাতা বা আইনগত অভিভাবকের সম্মতি নিতে হবে।উপাত্ত-জিম্মাদার মূল উদ্দেশ্যের সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে উপাত্তধারীর ব্যক্তিগত উপাত্ত অধিকতর প্রক্রিয়া করতে পারবেন, তবে তিনি ব্যক্তিগত উপাত্ত নির্ধারিত মেয়াদের অতিরিক্ত সময় ধরে রাখতে পারবেন না।এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্যে সরকার ব্যক্তিগত উপাত্তকে চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত করেছে— পাবলিক বা উন্মুক্ত ব্যক্তিগত উপাত্ত, অভ্যন্তরীণ ব্যক্তিগত উপাত্ত, গোপনীয় ব্যক্তিগত উপাত্ত এবং সীমাবদ্ধ ব্যক্তিগত উপাত্ত।গঠিত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত স্বতন্ত্র উপাত্ত নিরীক্ষক নির্ধারিত সময়ে ব্যক্তিগত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ সংক্রান্ত কার্যক্রম নিরীক্ষা করবেন।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই অধ্যাদেশ বাংলাদেশে ডিজিটাল স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।সূত্র: আরটিভি নিউজএনএন/ ০৯ অক্টোবর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×