ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি – ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, ভারত একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপ্রিয়, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করছে এবং তা অব্যাহত রাখবে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ঢাকায় ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যৌথ ত্যাগ ও সহযোগিতা একটি বিশেষ সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছে। সাহিত্য, সংগীত ও শিল্পকলার প্রতি অভিন্ন ভালোবাসা দুই দেশের বন্ধনকে আরও গভীর করেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের মতো সাহিত্যিকদের সৃষ্টি আমাদের সংস্কৃতিকে সংযুক্ত করেছে এবং নৃত্য, নাটক ও চলচ্চিত্রের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য দুই দেশের জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক সান্নিধ্য তৈরি করেছে।
নভেম্বরের প্রথম তিন দিনে ৫২১ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠালেন প্রবাসীরা, প্রবৃদ্ধি ৫৮.১ শতাংশ
প্রণয় ভার্মা বলেন, বছরের পর বছর ধরে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সংযুক্তি ও অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ভারতের শোধনাগার থেকে বাংলাদেশে উচ্চগতির ডিজেল পরিবহন, ভারত ও নেপাল থেকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংযোগ, এবং বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাতকে শক্তিশালী করার মতো উদ্যোগ তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, এই সহযোগিতা ভবিষ্যতের জন্য আরও দূরদর্শী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রেরণা যোগায়। বিশ্বাস, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি, পারস্পরিক স্বার্থ ও সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ অংশীদারিত্ব টেকসইভাবে বজায় থাকবে।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের তরুণ, দক্ষ ও উদ্ভাবনী জনগোষ্ঠী আমাদের অর্থনীতি ও সমাজকে দ্রুত বর্ধনশীল করছে। একসাথে আঞ্চলিক মূল্য শৃঙ্খল, ডিজিটাল ইকোসিস্টেম ও জ্বালানি করিডোর নির্মাণ করতে পারলে উভয় দেশের উন্নয়ন হবে। এছাড়া পরিবেশগত স্থায়িত্ব ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ সম্ভব।




মন্তব্য করুন