তেহরান, ২০ মার্চ – ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণ এবং এর পাল্টা জবাব হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এক যুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এর ফলে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের আনন্দ ও আমেজ অনেকটাই ম্লান হয়ে পড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে এখন প্রতিনিয়ত যুদ্ধবিমান, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন চক্কর দিচ্ছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলোর সাইরেন বেজে উঠলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। এমন ভীতিকর পরিস্থিতির মাঝেই ওই অঞ্চলে এবার পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। পবিত্র আল আকসা মসজিদেও উৎসবের চেনা রূপ নেই।
৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত জর্ডানের নাগরিক হাশিম আল দাওয়াজা দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম দৈনিক চোসুনকে জানান, বছরের এই সময়ে রেস্তোরাঁ ও ক্যাফেগুলো উৎসবের আমেজে পরিপূর্ণ থাকে। কিন্তু এ বছর মানুষ ঘর থেকে কম বের হচ্ছে, ফলে সবকিছু নিস্তব্ধ ও আনন্দহীন হয়ে পড়েছে।
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে ঈদুল ফিতর। তবে যুদ্ধের কারণে নিরাপত্তা জোরদার ও ভ্রমণে কড়াকড়ির ফলে এবার মধ্যপ্রাচ্যে ছুটির আমেজ অনেকটাই ধূসর।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কনসার্ট ও বাইরের সব ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। ঈদের দিন ভোরে কুয়েতের কয়েকটি তেল স্থাপনায় হামলার ঘটনাও ঘটেছে। এত শঙ্কার মাঝেও শুক্রবার বিভিন্ন দেশের মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইসরায়েলের আগ্রাসনের তীব্র সমালোচনা করে তিনি জানান, হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যার চরম মূল্য তাদের একদিন চোকাতেই হবে।
এনএন/ ২০ মার্চ ২০২৬




মন্তব্য করুন