হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধে প্রাণহানি এক লাখ ছাড়িয়েছে: এসিএলইডি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন


নেপিডো, ১ জুলাই – মিয়ানমারে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে শুরু হওয়া প্রাণঘাতী সংঘাত ও গৃহযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গেছে। সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন এন্ড ইভেন্ট ডাটা প্রোজেক্ট (এসিএলইডি) বুধবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

সংস্থাটির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, অভ্যুত্থান পরবর্তী সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১ লাখ ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্লেষকরা বর্তমানে একে এশিয়ার অন্যতম ভয়াবহ ও দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত হিসেবে চিহ্নিত করছেন। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সেনাবাহিনী।

আরও পড়ুন

ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরি করে সামরিক ও পারমাণবিক কর্মসূচিতে অর্থ জোগাচ্ছে উত্তর কোরিয়া

এই ঘটনার প্রতিবাদে দেশজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হলে তা দমনে কঠোর অবস্থান নেয় জান্তা সরকার। পরবর্তীতে আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে মিলে প্রতিরোধ বাহিনী গড়ে তুললে সংঘাত পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।

সরকারিভাবে হতাহতের কোনো সঠিক পরিসংখ্যান না পাওয়া গেলেও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রকৃত সংখ্যা দাপ্তরিক হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে। এই যুদ্ধের সবচেয়ে করুণ পরিণতির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। দেশটির রাখাইন রাজ্যের বাসিন্দা থেইন আয়ে নু জানান, সাম্প্রতিক বিমান হামলায় তিনি তার স্বামীকে হারিয়েছেন।

তার মতো অসংখ্য পরিবার ঘরবাড়ি ও স্বজন হারিয়ে চরম সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই গৃহযুদ্ধের কারণে এ পর্যন্ত মিয়ানমারের ৩৭ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বর্তমানে প্রতি পাঁচজন নাগরিকের মধ্যে একজন তীব্র খাদ্যসংকটে ভুগছেন।

সংঘাতের প্রভাব কেবল মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সীমাবদ্ধ নেই। প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডেও বিপুল সংখ্যক মানুষ আশ্রয় নিচ্ছেন। একই সঙ্গে এই অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে মাদক পাচার ও অনলাইন প্রতারণার মতো অপরাধও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে যা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

এস এম/ ১ জুলাই ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধে প্রাণহানি এক লাখ ছাড়িয়েছে: এসিএলইডি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধে প্রাণহানি এক লাখ ছাড়িয়েছে: এসিএলইডি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] নেপিডো, ১ জুলাই – মিয়ানমারে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে শুরু হওয়া প্রাণঘাতী সংঘাত ও গৃহযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গেছে। সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন এন্ড ইভেন্ট ডাটা প্রোজেক্ট (এসিএলইডি) বুধবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে।সংস্থাটির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, অভ্যুত্থান পরবর্তী সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১ লাখ ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্লেষকরা বর্তমানে একে এশিয়ার অন্যতম ভয়াবহ ও দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত হিসেবে চিহ্নিত করছেন। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সেনাবাহিনী।এই ঘটনার প্রতিবাদে দেশজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হলে তা দমনে কঠোর অবস্থান নেয় জান্তা সরকার। পরবর্তীতে আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে মিলে প্রতিরোধ বাহিনী গড়ে তুললে সংঘাত পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।সরকারিভাবে হতাহতের কোনো সঠিক পরিসংখ্যান না পাওয়া গেলেও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রকৃত সংখ্যা দাপ্তরিক হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে। এই যুদ্ধের সবচেয়ে করুণ পরিণতির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। দেশটির রাখাইন রাজ্যের বাসিন্দা থেইন আয়ে নু জানান, সাম্প্রতিক বিমান হামলায় তিনি তার স্বামীকে হারিয়েছেন।তার মতো অসংখ্য পরিবার ঘরবাড়ি ও স্বজন হারিয়ে চরম সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই গৃহযুদ্ধের কারণে এ পর্যন্ত মিয়ানমারের ৩৭ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বর্তমানে প্রতি পাঁচজন নাগরিকের মধ্যে একজন তীব্র খাদ্যসংকটে ভুগছেন।সংঘাতের প্রভাব কেবল মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সীমাবদ্ধ নেই। প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডেও বিপুল সংখ্যক মানুষ আশ্রয় নিচ্ছেন। একই সঙ্গে এই অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে মাদক পাচার ও অনলাইন প্রতারণার মতো অপরাধও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে যা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।এস এম/ ১ জুলাই ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×