হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পাকিস্তানের দাবি, আফগানিস্তান থেকে সন্ত্রাসী হামলায় ৪ হাজার ৭০০-এর বেশি নাগরিক নিহত

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: পাকিস্তানের প্রতিনিধি মুহাম্মদ জাওয়াদ আজমলইসলামাবাদ,৩১ অক্টোবর-আফগানিস্তানে নারী ও তরুণীদের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধ করতে তালেবান শাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান। একই সঙ্গে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুল…


পাকিস্তানের প্রতিনিধি মুহাম্মদ জাওয়াদ আজমল

ইসলামাবাদ,৩১ অক্টোবর-আফগানিস্তানে নারী ও তরুণীদের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধ করতে তালেবান শাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান। একই সঙ্গে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে হামলা চালানো থেকে বিরত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। আফগানিস্তানবিষয়ক জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের এক আলোচনা সভায় পাকিস্তানের প্রতিনিধি মুহাম্মদ জাওয়াদ আজমল জানান, গত তিন বছরে আফগানিস্তান থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসী হামলায় ৪ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

এদিকে জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোর্টার রিচার্ড বেনেট সাধারণ পরিষদে জানিয়েছেন, ক্ষমতা দখলের পাঁচ বছর পরও তালেবান সুপরিকল্পিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বন্ধ করার কোনো আগ্রহ দেখায়নি। বরং বিশেষ করে নারী ও মেয়েদের ওপর বিধিনিষেধ আরও কঠোর করেছে।

পাকিস্তানের দাবি, আফগান ভূখণ্ডে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকে পাকিস্তানের বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল নতুন সামরিক অভিযান চালালে বড় পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

ইসলামাবাদ বারবার কাবুলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যাতে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের ভেতরে হামলা চালাতে না পারে। তবে আফগানিস্তান বরাবরই এসব দাবি অস্বীকার করে আসছে। এরই মধ্যে কাউন্সেলর আজমল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা অসহায় আফগান শরণার্থীদের প্রতি নিজেদের দায়িত্ব পালন করে এবং একটি স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ আফগানিস্তান গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় সহায়তা করে।

তিনি উল্লেখ করেন, নারী ও মেয়েদের মৌলিক স্বাধীনতা ও মর্যাদা থেকে বঞ্চিত করার মাধ্যমে তালেবান তাদের আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি থেকে ক্রমাগত সরে আসছে। তিনি বলেন, এ ধরনের বৈষম্যমূলক ও নিপীড়নমূলক আচরণ ইসলামি আইন, ঐতিহ্য এবং মুসলিম বিশ্বাসের মৌলিক নীতিগুলোর সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

মানবিক ক্ষেত্রে পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, কয়েক দশক ধরে ইসলামাবাদ লাখ লাখ আফগান শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। অথচ অনেক ক্ষেত্রেই তারা পর্যাপ্ত আন্তর্জাতিক সহায়তা পাননি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে এবং শরণার্থী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হবে। পাকিস্তান তার সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেই অসহায় আফগানদের সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, আফগানিস্তানের চ্যালেঞ্জগুলোর মূলে রয়েছে সন্ত্রাসবাদ। আফগান ভূখণ্ড থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর উপস্থিতি ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি আফগান তালেবান ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যকার যোগসূত্র এবং পাকিস্তানসহ অন্যান্য প্রতিবেশী দেশকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দেওয়া বহিরাগত পক্ষগুলোর ভূমিকার বিষয়েও আলোকপাত করেন।

মুহাম্মদ জাওয়াদ আজমল বলেন, এসব গোষ্ঠীকে প্রকাশ্যে নিন্দা জানাতে তালেবানের ধারাবাহিক ব্যর্থতা তাদের সঙ্গে যোগসাজশ ও সমর্থনের বিষয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে। কাউন্সেলর আজমল আরও বলেন, নিজেদের জনগণ ও জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে অব্যাহত সন্ত্রাসী হামলার মুখে পাকিস্তান নিষ্ক্রিয় থাকতে পারে না। নিজেদের নাগরিক ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য যেকোনো হুমকির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন মেনে প্রয়োজনে পাকিস্তান আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা, সাবেক সেনা সদস্য এবং বিভিন্ন অ্যাডভোকেসি গোষ্ঠীর একটি জোট জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন কিছু আফগান অভিবাসীকে আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। শুক্রবার ‘আফগানইভ্যাক’-এর প্রধান শন ভ্যানডাইভার জানান, যাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে, তাদের অনেকেই ২০২১ সালে তালেবানের ক্ষমতা দখল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের পর আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে এসেছিলেন।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫০ জনেরও বেশি আফগান অভিবাসীকে ফেরত পাঠানো হতে পারে। এটি আফগানদের ক্ষেত্রে অন্যতম বড় একক বহিষ্কারের ঘটনা হতে যাচ্ছে। সংবাদপত্রটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রশাসন লুইজিয়ানায় কয়েক ডজন আফগান অভিবাসীকে আটক করেছে এবং তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। সোমবারই প্রথম ফ্লাইটটি ছেড়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিবাসনসংক্রান্ত কঠোর পদক্ষেপ এবং লোকজনকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর এই অভিযানের লক্ষ্য হলো অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, কার্যক্রমের নিরাপত্তার স্বার্থে ভবিষ্যতে কাউকে ফেরত পাঠানোর কোনো অভিযান সম্পর্কে তারা আগাম নিশ্চিত করে কিছু বলবে না।

এস এম/ ৩১ অক্টোবর ২০২৬


❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: পাকিস্তানের দাবি, আফগানিস্তান থেকে সন্ত্রাসী হামলায় ৪ হাজার ৭০০-এর বেশি নাগরিক নিহত সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: পাকিস্তানের প্রতিনিধি মুহাম্মদ জাওয়াদ আজমলইসলামাবাদ,৩১ অক্টোবর-আফগানিস্তানে নারী ও তরুণীদের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধ করতে তালেবান শাসনের প্। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

পাকিস্তানের দাবি, আফগানিস্তান থেকে সন্ত্রাসী হামলায় ৪ হাজার ৭০০-এর বেশি নাগরিক নিহত

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পাকিস্তানের দাবি, আফগানিস্তান থেকে সন্ত্রাসী হামলায় ৪ হাজার ৭০০-এর বেশি নাগরিক নিহত

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] পাকিস্তানের প্রতিনিধি মুহাম্মদ জাওয়াদ আজমলইসলামাবাদ,৩১ অক্টোবর-আফগানিস্তানে নারী ও তরুণীদের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধ করতে তালেবান শাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান। একই সঙ্গে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে হামলা চালানো থেকে বিরত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। আফগানিস্তানবিষয়ক জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের এক আলোচনা সভায় পাকিস্তানের প্রতিনিধি মুহাম্মদ জাওয়াদ আজমল জানান, গত তিন বছরে আফগানিস্তান থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসী হামলায় ৪ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হয়েছেন।এদিকে জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোর্টার রিচার্ড বেনেট সাধারণ পরিষদে জানিয়েছেন, ক্ষমতা দখলের পাঁচ বছর পরও তালেবান সুপরিকল্পিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বন্ধ করার কোনো আগ্রহ দেখায়নি। বরং বিশেষ করে নারী ও মেয়েদের ওপর বিধিনিষেধ আরও কঠোর করেছে।পাকিস্তানের দাবি, আফগান ভূখণ্ডে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকে পাকিস্তানের বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।ইসলামাবাদ বারবার কাবুলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যাতে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের ভেতরে হামলা চালাতে না পারে। তবে আফগানিস্তান বরাবরই এসব দাবি অস্বীকার করে আসছে। এরই মধ্যে কাউন্সেলর আজমল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা অসহায় আফগান শরণার্থীদের প্রতি নিজেদের দায়িত্ব পালন করে এবং একটি স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ আফগানিস্তান গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় সহায়তা করে।তিনি উল্লেখ করেন, নারী ও মেয়েদের মৌলিক স্বাধীনতা ও মর্যাদা থেকে বঞ্চিত করার মাধ্যমে তালেবান তাদের আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি থেকে ক্রমাগত সরে আসছে। তিনি বলেন, এ ধরনের বৈষম্যমূলক ও নিপীড়নমূলক আচরণ ইসলামি আইন, ঐতিহ্য এবং মুসলিম বিশ্বাসের মৌলিক নীতিগুলোর সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।মানবিক ক্ষেত্রে পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, কয়েক দশক ধরে ইসলামাবাদ লাখ লাখ আফগান শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। অথচ অনেক ক্ষেত্রেই তারা পর্যাপ্ত আন্তর্জাতিক সহায়তা পাননি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে এবং শরণার্থী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হবে। পাকিস্তান তার সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেই অসহায় আফগানদের সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, আফগানিস্তানের চ্যালেঞ্জগুলোর মূলে রয়েছে সন্ত্রাসবাদ। আফগান ভূখণ্ড থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর উপস্থিতি ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।তিনি আফগান তালেবান ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যকার যোগসূত্র এবং পাকিস্তানসহ অন্যান্য প্রতিবেশী দেশকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দেওয়া বহিরাগত পক্ষগুলোর ভূমিকার বিষয়েও আলোকপাত করেন।মুহাম্মদ জাওয়াদ আজমল বলেন, এসব গোষ্ঠীকে প্রকাশ্যে নিন্দা জানাতে তালেবানের ধারাবাহিক ব্যর্থতা তাদের সঙ্গে যোগসাজশ ও সমর্থনের বিষয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে। কাউন্সেলর আজমল আরও বলেন, নিজেদের জনগণ ও জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে অব্যাহত সন্ত্রাসী হামলার মুখে পাকিস্তান নিষ্ক্রিয় থাকতে পারে না। নিজেদের নাগরিক ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য যেকোনো হুমকির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন মেনে প্রয়োজনে পাকিস্তান আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা, সাবেক সেনা সদস্য এবং বিভিন্ন অ্যাডভোকেসি গোষ্ঠীর একটি জোট জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন কিছু আফগান অভিবাসীকে আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। শুক্রবার ‘আফগানইভ্যাক’-এর প্রধান শন ভ্যানডাইভার জানান, যাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে, তাদের অনেকেই ২০২১ সালে তালেবানের ক্ষমতা দখল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের পর আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে এসেছিলেন।নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫০ জনেরও বেশি আফগান অভিবাসীকে ফেরত পাঠানো হতে পারে। এটি আফগানদের ক্ষেত্রে অন্যতম বড় একক বহিষ্কারের ঘটনা হতে যাচ্ছে। সংবাদপত্রটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রশাসন লুইজিয়ানায় কয়েক ডজন আফগান অভিবাসীকে আটক করেছে এবং তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। সোমবারই প্রথম ফ্লাইটটি ছেড়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিবাসনসংক্রান্ত কঠোর পদক্ষেপ এবং লোকজনকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর এই অভিযানের লক্ষ্য হলো অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, কার্যক্রমের নিরাপত্তার স্বার্থে ভবিষ্যতে কাউকে ফেরত পাঠানোর কোনো অভিযান সম্পর্কে তারা আগাম নিশ্চিত করে কিছু বলবে না।এস এম/ ৩১ অক্টোবর ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×