হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

রমজানে বিমান ভ্রমণ: কীভাবে করবেন সেহরি-ইফতার?

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩, ০২:০৭ অপরাহ্ন


রোজা বিষয়ক বেশকিছু জটিল মাসআলা আছে। সেগুলোর একটি হলো—বিমান ভ্রমণের সময় রোজা রাখা। বিশেষত সেহরি ও ইফতার কখন কীভাবে করবেন—এই বিষয়টি বেশি জটিলতা সৃষ্টি করে। একইসঙ্গে বিমানে মাগরিব ও ফজরের নামাজ কখন আদায় করবেন—সেটি জানাও গুরুত্বপূর্ণ। সেগুলো নিয়েই এই আলোচনা।

আমরা জানি, রোজা শুরু হয় সুবহে সাদিক থেকে। সুবহে সাদিক হলো সূর্য উদয়ের আগ মুহূর্ত। ফিকহের পরিভাষায়, রাতের শেষ দিকে পূর্ব দিগন্তের উভয় দিকে ক্ষীণ প্রশস্ত আকারে যে আলো প্রকাশ পায়, ওটাই সুবহে সাদিক।

আরও পড়ুন

জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন

সুবহে সাদিক থেকে সেহরির সময় শেষ হয়ে যায় এবং এরপর থেকেই ফজরের সময় শুরু হয়। কেউ যদি বিমানে রোজা রাখতে চান কিংবা নামাজ আদায় করতে চান, তাহলে বিমানে তিনি যেখানে অবস্থান করছেন, সেখান থেকেই সুবহে সাদিক হিসাব করবেন। সূর্যাস্তের বিষয়টিও একইরকম।

তবে চলতি বিমানে স্বাভাবিক পরিস্থিতির মতো সঠিক সময় টের পাওয়া যায় না। তারপরও সেখানে নিজ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সূর্যের উদয় ও অস্তের ব্যাপারটি ধরে নিতে হবে।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—যেমন, মালয়েশিয়ার সময় বাংলাদেশ থেকে দুই ঘণ্টা এগিয়ে। বাংলাদেশে যখন ভোর ৪টা, মালয়েশিয়ায় তখন ৬টা। এখন কেউ ঢাকা থেকে বিমানে রাত ২টা বা ৩টায় কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হলো—এ অবস্থায় তিনি সেহরি করবেন কখন?

এ ব্যাপারে ফতোয়া হলো—বিমান যে দেশের ওপর দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে, যাত্রীরা ওই দেশের সেহরি-ইফতারের সময় হিসাব করবেন না। কারণ, আকাশে ও জমিনে সময়ের পার্থক্য থাকে। এক্ষেত্রে বিমানের সময়টিই বিবেচিত হবে। মানে সেখানে নিজ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সূর্যের উদয় ও অস্তের ব্যাপারে যা জানা যাবে, সেই হিসাবে সেহরি-ইফতার বা নামাজ আদায় করতে হবে। তবে ফোকাহায়ে কেরাম বলেন, এই পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক কিছুক্ষণ আগেই সেহরি সেরে নেওয়া এবং ইফতার করা নির্দিষ্ট সময়ের একটু পরে।

বিমানে ভ্রমণে আরেকটি বিষয়ের সম্মুখীন হতে পারেন আপনি। ধরুন, ঢাকা থেকে ইফতার করে পশ্চিমের কোনও দেশে রওনা হলেন। বিমান আপনাকে যে দেশে নামালো, সেখানে দেখলেন এখনও সূর্য অস্ত যায়নি। মানে ওই দিনের কিছু সময় এখনও বাকি। সেক্ষেত্রে কী করবেন আপনি?

উত্তর হচ্ছে—এক্ষেত্রে আপনার পানাহার থেকে বিরত থাকার প্রয়োজন নেই এবং রোজা পূর্ণ হয়েছে বলে ধরা হবে। কিন্তু যদি সূর্যাস্তের আগেই বিমান আকাশে ওড়ে আর এর ফলে দিনের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় তবে সূর্যাস্ত না হওয়া পর্যন্ত রোজা পালন করে যেতে হবে আপনার।

কিন্তু লক্ষণীয় হলো—বিমানে রোজার বিষয়টি নিয়ে তারাই বেশি চিন্তা করেন, যারা অনেক দূরে সফর করেন। সেক্ষেত্রে যারা নিজ অবস্থানস্থল থেকে ৪৮ মাইল তথা প্রায় ৭৭ দশমিক ২৫ কিলোমিটার দূরে কোথাও সফরে বের হন, শরিয়তের দৃষ্টিতে তিনি একজন মুসাফির। এক্ষেত্রে তার রোজা না রাখারও স্বাধীনতা আছে। (পরে রাখার শর্তে)

আবার কেউ যদি বিমানে রোজা রাখতে চান কিন্তু সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত বুঝতে না পারেন, তাহলে তিনিও রোজা না রাখার স্বাধীনতা রাখেন। (পরে রাখার শর্তে)। এতে তার কোনও গোনাহ হবে না।

বিশেষভাবে লক্ষণীয়

তবে এখন আধুনিক যুগ। যদি কোনও প্রতিষ্ঠান এমন অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে, যা নামাজ-রোজা, সেহরি-ইফতারের সময় সঠিকভাবে জানাতে পারে, তাহলে সেটার অনুসরণ করেও বিমানের মধ্যে আপনি রোজা পালন ও নামাজ আদায় করতে পারবেন।

সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত নিয়ে এত কঠোরতার কারণ হলো মহান আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘আর তোমরা আহার করো ও পান করো যতক্ষণ না ফজরের সাদা রেখা কালো রেখা থেকে স্পষ্ট হয়। অতঃপর রাত পর্যন্ত সিয়াম পূর্ণ করো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৭)

আইএ

সম্পুর্ন খবরটি পড়ার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ::রমজানে বিমান ভ্রমণ: কীভাবে করবেন সেহরি-ইফতার? first appeared on DesheBideshe.


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

রমজানে বিমান ভ্রমণ: কীভাবে করবেন সেহরি-ইফতার?

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

রমজানে বিমান ভ্রমণ: কীভাবে করবেন সেহরি-ইফতার?

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩, ০২:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] রোজা বিষয়ক বেশকিছু জটিল মাসআলা আছে। সেগুলোর একটি হলো—বিমান ভ্রমণের সময় রোজা রাখা। বিশেষত সেহরি ও ইফতার কখন কীভাবে করবেন—এই বিষয়টি বেশি জটিলতা সৃষ্টি করে। একইসঙ্গে বিমানে মাগরিব ও ফজরের নামাজ কখন আদায় করবেন—সেটি জানাও গুরুত্বপূর্ণ। সেগুলো নিয়েই এই আলোচনা। আমরা জানি, রোজা শুরু হয় সুবহে সাদিক থেকে। সুবহে সাদিক হলো সূর্য উদয়ের আগ মুহূর্ত। ফিকহের পরিভাষায়, রাতের শেষ দিকে পূর্ব দিগন্তের উভয় দিকে ক্ষীণ প্রশস্ত আকারে যে আলো প্রকাশ পায়, ওটাই সুবহে সাদিক। সুবহে সাদিক থেকে সেহরির সময় শেষ হয়ে যায় এবং এরপর থেকেই ফজরের সময় শুরু হয়। কেউ যদি বিমানে রোজা রাখতে চান কিংবা নামাজ আদায় করতে চান, তাহলে বিমানে তিনি যেখানে অবস্থান করছেন, সেখান থেকেই সুবহে সাদিক হিসাব করবেন। সূর্যাস্তের বিষয়টিও একইরকম। তবে চলতি বিমানে স্বাভাবিক পরিস্থিতির মতো সঠিক সময় টের পাওয়া যায় না। তারপরও সেখানে নিজ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সূর্যের উদয় ও অস্তের ব্যাপারটি ধরে নিতে হবে। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—যেমন, মালয়েশিয়ার সময় বাংলাদেশ থেকে দুই ঘণ্টা এগিয়ে। বাংলাদেশে যখন ভোর ৪টা, মালয়েশিয়ায় তখন ৬টা। এখন কেউ ঢাকা থেকে বিমানে রাত ২টা বা ৩টায় কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হলো—এ অবস্থায় তিনি সেহরি করবেন কখন? এ ব্যাপারে ফতোয়া হলো—বিমান যে দেশের ওপর দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে, যাত্রীরা ওই দেশের সেহরি-ইফতারের সময় হিসাব করবেন না। কারণ, আকাশে ও জমিনে সময়ের পার্থক্য থাকে। এক্ষেত্রে বিমানের সময়টিই বিবেচিত হবে। মানে সেখানে নিজ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সূর্যের উদয় ও অস্তের ব্যাপারে যা জানা যাবে, সেই হিসাবে সেহরি-ইফতার বা নামাজ আদায় করতে হবে। তবে ফোকাহায়ে কেরাম বলেন, এই পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক কিছুক্ষণ আগেই সেহরি সেরে নেওয়া এবং ইফতার করা নির্দিষ্ট সময়ের একটু পরে। বিমানে ভ্রমণে আরেকটি বিষয়ের সম্মুখীন হতে পারেন আপনি। ধরুন, ঢাকা থেকে ইফতার করে পশ্চিমের কোনও দেশে রওনা হলেন। বিমান আপনাকে যে দেশে নামালো, সেখানে দেখলেন এখনও সূর্য অস্ত যায়নি। মানে ওই দিনের কিছু সময় এখনও বাকি। সেক্ষেত্রে কী করবেন আপনি? উত্তর হচ্ছে—এক্ষেত্রে আপনার পানাহার থেকে বিরত থাকার প্রয়োজন নেই এবং রোজা পূর্ণ হয়েছে বলে ধরা হবে। কিন্তু যদি সূর্যাস্তের আগেই বিমান আকাশে ওড়ে আর এর ফলে দিনের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় তবে সূর্যাস্ত না হওয়া পর্যন্ত রোজা পালন করে যেতে হবে আপনার। কিন্তু লক্ষণীয় হলো—বিমানে রোজার বিষয়টি নিয়ে তারাই বেশি চিন্তা করেন, যারা অনেক দূরে সফর করেন। সেক্ষেত্রে যারা নিজ অবস্থানস্থল থেকে ৪৮ মাইল তথা প্রায় ৭৭ দশমিক ২৫ কিলোমিটার দূরে কোথাও সফরে বের হন, শরিয়তের দৃষ্টিতে তিনি একজন মুসাফির। এক্ষেত্রে তার রোজা না রাখারও স্বাধীনতা আছে। (পরে রাখার শর্তে) আবার কেউ যদি বিমানে রোজা রাখতে চান কিন্তু সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত বুঝতে না পারেন, তাহলে তিনিও রোজা না রাখার স্বাধীনতা রাখেন। (পরে রাখার শর্তে)। এতে তার কোনও গোনাহ হবে না। বিশেষভাবে লক্ষণীয় তবে এখন আধুনিক যুগ। যদি কোনও প্রতিষ্ঠান এমন অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে, যা নামাজ-রোজা, সেহরি-ইফতারের সময় সঠিকভাবে জানাতে পারে, তাহলে সেটার অনুসরণ করেও বিমানের মধ্যে আপনি রোজা পালন ও নামাজ আদায় করতে পারবেন। সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত নিয়ে এত কঠোরতার কারণ হলো মহান আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘আর তোমরা আহার করো ও পান করো যতক্ষণ না ফজরের সাদা রেখা কালো রেখা থেকে স্পষ্ট হয়। অতঃপর রাত পর্যন্ত সিয়াম পূর্ণ করো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৭) আইএসম্পুর্ন খবরটি পড়ার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ::রমজানে বিমান ভ্রমণ: কীভাবে করবেন সেহরি-ইফতার? first appeared on DesheBideshe. [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×