কক্সবাজারের রামুতে বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি এড়াতে বিশেষ তল্লাশি চালিয়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ নুর ফাতেমা (৪০) নামের এক নারী মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫)। এ সময় তার কাছ থেকে মাদক বিক্রাজে ব্যবহৃত ১টি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে রামু উপজেলার বসুন্ধরা এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে এই অভিযান চালায় র্যাব-১৫ এর কক্সবাজার সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল। আটক নুর ফাতেমা রামুর খুনিয়া পালং ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ধেচুয়া পালং এলাকার মো. শফি আলমের স্ত্রী।
র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। র্যাব সূত্র জানায়, বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামু থানাধীন বসুন্ধরা এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করে র্যাব।
তল্লাশিকালে সন্দেহভাজন হিসেবে নুর ফাতেমাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে নারী র্যাব সদস্যদের মাধ্যমে তার দেহ তল্লাশি করে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা সর্বমোট ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
উখিয়া থানা পুলিশের অভিযানে ১৫ জন গ্রেপ্তার
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে আটক নারী একজন পেশাদার মাদক কারবারি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন অবৈধ মাদক সংগ্রহ করে কক্সবাজার ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করে আসছিলেন।
তার বিরুদ্ধে রামু থানায় আগে থেকেই একটি মাদক মামলা রয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক জানান, আটক নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের মাধ্যমে উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ তাকে রামু থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মাদকের বিস্তার রোধে র্যাবের এমন আভিযানিক তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন: রামুতে র্যাবের হাতে নারী মাদক কারবারি আটক, মিললো ১০ হাজার ইয়াবা সম্পর্কিত তথ্য কী?
উত্তর: কক্সবাজারের রামুতে বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি এড়াতে বিশেষ তল্লাশি চালিয়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ নুর ফাতেমা (৪০) নামের এক না। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।




মন্তব্য করুন