হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে ১৫৯৬ আপত্তি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ১৫ আগস্ট ২০২৫, ০৯:০৫ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১৫ আগস্ট – আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩৯টি সংসদীয় আসনের সীমানায় পরিবর্তন এনে খসড়া তালিকা প্রকাশ করলেও ৮২ আসনে দাবি-আপত্তি জানিয়ে এক হাজার ৫৯৬ আবেদন জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)।

ইসি সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে ৮২ আসনের বিপরীতে দাবি-আপত্তি নিয়ে এক হাজার ৫৯৬টি আবেদন জমা পড়েছে। তবে কোনো আবেদন সরাসরি ইসির সিনিয়র সচিবের দপ্তরে জমা হয়ে থাকলে সংখ্যাটা কিছুটা বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন

হরমুজ প্রণালিতে ৪ দেশের জাহাজে ইরানের বিশেষ ছাড়

গত ৩০ জুলাই ৩৯টি সংসদীয় আসনের সীমানায় পরিবর্তন এনে খসড়া তালিকা প্রকাশ করে ইসি। এরপর ইসির প্রকাশিত সংসদীয় আসন নিয়ে কারো দাবি-আপত্তি থাকলে ১০ আগস্ট পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ দেয় ইসি। এসময়ের মধ্যে প্রকাশিত খসড়া ৩০০ আসনের মধ্যে ৮২ টি আসনের বিপরীতে এক হাজার ৫৯৬টি আবেদন জমা পড়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কি হবে তার জন্য পুরো আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

খসড়া প্রকাশের পরদিন থেকে (৩১ জুলাই) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন জানাতে শুরু করেছিলেন সংক্ষুব্ধরা।

এবার গাজীপুর জেলায় একটি আসন বাড়িয়ে বাগেরহাট জেলায় একটি আসন কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাগেরহাট-৪ আসন বহাল রাখার দাবি জানিয়ে বিএনপির নেতারা। এ নিয়ে তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা কাজী মনিরুজ্জামান মনির সিইসির সঙ্গে এ নিয়ে বৈঠকও করেছেন।

পার্বত্য এলাকার তিন জেলার তিনটি আসন অপরিবর্তনীয় রাখা হয়েছে।

> দুই আসন বিশিষ্ট জেলার আসন সংখ্যা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, কারণ ভোটার/জনসংখ্যার অনুপাতে আসন বাড়ালে জেলাভিত্তিক ভোটারের জাতীয় গড়ের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে হ্রাস পায়। আবার দুটি আসনকে একটি আসন করলে ভোটার সংখ্যা গড়ের তুলনায় অনেক বেড়ে যায়।

> তিন আসন বিশিষ্ট জেলার আসন সংখ্যা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, কারণ আসন হ্রাস/বৃদ্ধি করা হলে ভোটার/জনসংখ্যার অনুপাতে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে পড়ে।

> যেসব আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের জন্য কোনো আবেদন দাখিল হয়নি, সে আসনগুলো অপরিবর্তীত রাখা হয়েছে। প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিয়ে উপজেলা/থানা ইউনিটকে যতদূর সম্ভব অখণ্ড রাখা হয়েছে।

> যতদূর সম্ভব প্রশাসনিক ও নির্বাচনী সুব্যবস্থার বিষয় বিবেচনায় রেখে উপজেলা, সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ডের অখণ্ডতা বজায় রাখা হয়েছে।

> ইউনিয়ন, সিটি কপোরেশনের ওয়ার্ড ও পৌরসভার একাধিক সংসদীয় আসনের মধ্যে বিভাজন না করার চেষ্টা হয়েছে। সিটি করপোরেশন এলাকার জনসংখ্যা, ভোটার সংখ্যা, প্রশাসনিক পরিধি বিবেচনায় নির্বাচনি এলাকা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।

> সীমানা পুনর্নির্ধারণকালে সংশ্লিষ্ট জনগণের সেবাবিষয়ক সুবিধা/অসুবিধার বিষয় যতদূর সম্ভব বিবেচনা করা হয়েছে।

> ভৌগলিক বৈশিষ্ট্য (যেমন নদীর অবস্থান) ও যোগাযোগ ব্যবস্থার (যেমন রাস্তাঘাট) মত সুবিধা ও অসুবিধা যতদূর সম্ভব বিবেচনা করা হয়েছে।

> যেসব প্রশাসনিক এলাকা নতুন সৃষ্টি হয়েছে বা সম্প্রসারণ হয়েছে বা বিলুপ্ত হয়েছে তা অন্তর্ভুক্ত/কর্তন করা এবং পরিবর্তিত নাম সংশোধন করা হয়েছে।

সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘আমরা ৬৪ জেলার গড় ভোটার নির্ধারণ করেছি ৪ লাখ ২০ হাজার ৫০০। এটা ধরে একটি আসন বাড়ালে তা গাজীপুরে হবে। এ গড়ের কম বাগেরহাটে একটি কমালে সমতা চলে আসে। বাকিগুলোয় আসন কমবেশি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। দুই জেলার আসনই এফেক্টেড হয়েছে। আর কোথাও ঝামেলা নেই। ৩৯টি আসনে অ্যাডজাস্টমেন্ট রয়েছে।

সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ১৫ আগস্ট ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে ১৫৯৬ আপত্তি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে ১৫৯৬ আপত্তি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ আগস্ট ২০২৫, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৫ আগস্ট – আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩৯টি সংসদীয় আসনের সীমানায় পরিবর্তন এনে খসড়া তালিকা প্রকাশ করলেও ৮২ আসনে দাবি-আপত্তি জানিয়ে এক হাজার ৫৯৬ আবেদন জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)।ইসি সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে ৮২ আসনের বিপরীতে দাবি-আপত্তি নিয়ে এক হাজার ৫৯৬টি আবেদন জমা পড়েছে। তবে কোনো আবেদন সরাসরি ইসির সিনিয়র সচিবের দপ্তরে জমা হয়ে থাকলে সংখ্যাটা কিছুটা বাড়তে পারে।গত ৩০ জুলাই ৩৯টি সংসদীয় আসনের সীমানায় পরিবর্তন এনে খসড়া তালিকা প্রকাশ করে ইসি। এরপর ইসির প্রকাশিত সংসদীয় আসন নিয়ে কারো দাবি-আপত্তি থাকলে ১০ আগস্ট পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ দেয় ইসি। এসময়ের মধ্যে প্রকাশিত খসড়া ৩০০ আসনের মধ্যে ৮২ টি আসনের বিপরীতে এক হাজার ৫৯৬টি আবেদন জমা পড়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কি হবে তার জন্য পুরো আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।খসড়া প্রকাশের পরদিন থেকে (৩১ জুলাই) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন জানাতে শুরু করেছিলেন সংক্ষুব্ধরা।এবার গাজীপুর জেলায় একটি আসন বাড়িয়ে বাগেরহাট জেলায় একটি আসন কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাগেরহাট-৪ আসন বহাল রাখার দাবি জানিয়ে বিএনপির নেতারা। এ নিয়ে তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা কাজী মনিরুজ্জামান মনির সিইসির সঙ্গে এ নিয়ে বৈঠকও করেছেন।পার্বত্য এলাকার তিন জেলার তিনটি আসন অপরিবর্তনীয় রাখা হয়েছে।> দুই আসন বিশিষ্ট জেলার আসন সংখ্যা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, কারণ ভোটার/জনসংখ্যার অনুপাতে আসন বাড়ালে জেলাভিত্তিক ভোটারের জাতীয় গড়ের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে হ্রাস পায়। আবার দুটি আসনকে একটি আসন করলে ভোটার সংখ্যা গড়ের তুলনায় অনেক বেড়ে যায়।> তিন আসন বিশিষ্ট জেলার আসন সংখ্যা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, কারণ আসন হ্রাস/বৃদ্ধি করা হলে ভোটার/জনসংখ্যার অনুপাতে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে পড়ে।> যেসব আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের জন্য কোনো আবেদন দাখিল হয়নি, সে আসনগুলো অপরিবর্তীত রাখা হয়েছে। প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিয়ে উপজেলা/থানা ইউনিটকে যতদূর সম্ভব অখণ্ড রাখা হয়েছে।> যতদূর সম্ভব প্রশাসনিক ও নির্বাচনী সুব্যবস্থার বিষয় বিবেচনায় রেখে উপজেলা, সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ডের অখণ্ডতা বজায় রাখা হয়েছে।> ইউনিয়ন, সিটি কপোরেশনের ওয়ার্ড ও পৌরসভার একাধিক সংসদীয় আসনের মধ্যে বিভাজন না করার চেষ্টা হয়েছে। সিটি করপোরেশন এলাকার জনসংখ্যা, ভোটার সংখ্যা, প্রশাসনিক পরিধি বিবেচনায় নির্বাচনি এলাকা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।> সীমানা পুনর্নির্ধারণকালে সংশ্লিষ্ট জনগণের সেবাবিষয়ক সুবিধা/অসুবিধার বিষয় যতদূর সম্ভব বিবেচনা করা হয়েছে।> ভৌগলিক বৈশিষ্ট্য (যেমন নদীর অবস্থান) ও যোগাযোগ ব্যবস্থার (যেমন রাস্তাঘাট) মত সুবিধা ও অসুবিধা যতদূর সম্ভব বিবেচনা করা হয়েছে।> যেসব প্রশাসনিক এলাকা নতুন সৃষ্টি হয়েছে বা সম্প্রসারণ হয়েছে বা বিলুপ্ত হয়েছে তা অন্তর্ভুক্ত/কর্তন করা এবং পরিবর্তিত নাম সংশোধন করা হয়েছে।সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘আমরা ৬৪ জেলার গড় ভোটার নির্ধারণ করেছি ৪ লাখ ২০ হাজার ৫০০। এটা ধরে একটি আসন বাড়ালে তা গাজীপুরে হবে। এ গড়ের কম বাগেরহাটে একটি কমালে সমতা চলে আসে। বাকিগুলোয় আসন কমবেশি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। দুই জেলার আসনই এফেক্টেড হয়েছে। আর কোথাও ঝামেলা নেই। ৩৯টি আসনে অ্যাডজাস্টমেন্ট রয়েছে।সূত্র: জাগো নিউজএনএন/ ১৫ আগস্ট ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×