হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সব দোষ যেন আমার, অতিথি পাখিরা ফাঁদ পাতছে

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি – বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেছেন যে, সব কিছুতেই তাকে অহেতুক দোষারোপ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানালেও সেটাকে দোষ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বলা হচ্ছে আমি নাকি হুমকি দিয়েছি, যা শুনে আমি বিস্মিত। পরিস্থিতি এমন যে, কোথায় কী ঘটে তার সব দায় যেন মির্জা আব্বাসের।’

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর মালিবাগ ও গুলবাগ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন

ইরান সংঘাত ও মার্কিন রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ: ট্রাম্প ও ওবামার মুখোমুখি অবস্থান

পরবর্তীতে তিনি শাহজাহানপুর, মালিবাগ প্রথম লেন, মৌচাক মোড় হয়ে রাজারবাগ পুলিশ গেট পর্যন্ত গণসংযোগ কার্যক্রম চালান। বিকেলের দিকে ১১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত একটি বিশাল মিছিলে তিনি নেতৃত্ব দেন। তার পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যায় শাহজাহানপুর ঝিল মসজিদ এলাকা এবং রাতে ফকিরেরপুল ও আরামবাগ পানির ট্যাংক এলাকায় গণসংযোগ করার কথা ছিল।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কঠোর সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘তোমাদের বয়সে আমি পুরো ঢাকা শহর চষে বেড়িয়েছি। এই শহরে আমার যত বন্ধু ও আত্মীয়স্বজন আছে, তোমাদের তত পরিচিতিও নেই। আমি কারো পাতা ফাঁদে পা দেব না। এলাকার উন্নয়নের কথা বলে ভোট চাও। তোমরা অযথা পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করার চেষ্টা করছো।’ সাবেক এই মন্ত্রী আরও যোগ করেন, নির্বাচনের সময় কিছু ‘অতিথি পাখি’ দেখা যায়, পরে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। ১৯৯১ সাল থেকে তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন এবং সুখে-দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে ছিলেন। তিনি বলেন, অন্য প্রার্থীরা বিপদে পালিয়ে গেলেও তিনি মাটি কামড়ে পড়ে ছিলেন।

নিজের জনসেবার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, একাধিকবার সংসদ সদস্য থাকাকালে কাউকে খালি হাতে ফেরাননি। জেলখানায় থাকাকালে তার স্ত্রী ও কর্মকর্তারা এলাকাবাসীর সমস্যা সমাধান করেছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, আজ যারা বড় কথা বলছেন তারা অতীতে কয়জনের বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন? মির্জা আব্বাস বলেন, কিছু ‘মাছের পোনা’ এসেছে যাদের কোনো ঠিকঠিকানা নেই।

এনএন/ ২৮ জানুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সব দোষ যেন আমার, অতিথি পাখিরা ফাঁদ পাতছে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সব দোষ যেন আমার, অতিথি পাখিরা ফাঁদ পাতছে

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি – বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেছেন যে, সব কিছুতেই তাকে অহেতুক দোষারোপ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানালেও সেটাকে দোষ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বলা হচ্ছে আমি নাকি হুমকি দিয়েছি, যা শুনে আমি বিস্মিত। পরিস্থিতি এমন যে, কোথায় কী ঘটে তার সব দায় যেন মির্জা আব্বাসের।’মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর মালিবাগ ও গুলবাগ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি এসব মন্তব্য করেন।পরবর্তীতে তিনি শাহজাহানপুর, মালিবাগ প্রথম লেন, মৌচাক মোড় হয়ে রাজারবাগ পুলিশ গেট পর্যন্ত গণসংযোগ কার্যক্রম চালান। বিকেলের দিকে ১১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত একটি বিশাল মিছিলে তিনি নেতৃত্ব দেন। তার পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যায় শাহজাহানপুর ঝিল মসজিদ এলাকা এবং রাতে ফকিরেরপুল ও আরামবাগ পানির ট্যাংক এলাকায় গণসংযোগ করার কথা ছিল।প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কঠোর সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘তোমাদের বয়সে আমি পুরো ঢাকা শহর চষে বেড়িয়েছি। এই শহরে আমার যত বন্ধু ও আত্মীয়স্বজন আছে, তোমাদের তত পরিচিতিও নেই। আমি কারো পাতা ফাঁদে পা দেব না। এলাকার উন্নয়নের কথা বলে ভোট চাও। তোমরা অযথা পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করার চেষ্টা করছো।’ সাবেক এই মন্ত্রী আরও যোগ করেন, নির্বাচনের সময় কিছু ‘অতিথি পাখি’ দেখা যায়, পরে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। ১৯৯১ সাল থেকে তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন এবং সুখে-দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে ছিলেন। তিনি বলেন, অন্য প্রার্থীরা বিপদে পালিয়ে গেলেও তিনি মাটি কামড়ে পড়ে ছিলেন।নিজের জনসেবার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, একাধিকবার সংসদ সদস্য থাকাকালে কাউকে খালি হাতে ফেরাননি। জেলখানায় থাকাকালে তার স্ত্রী ও কর্মকর্তারা এলাকাবাসীর সমস্যা সমাধান করেছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, আজ যারা বড় কথা বলছেন তারা অতীতে কয়জনের বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন? মির্জা আব্বাস বলেন, কিছু ‘মাছের পোনা’ এসেছে যাদের কোনো ঠিকঠিকানা নেই।এনএন/ ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×