হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

স্বৈরাচাররা শহীদ মিনারে ফুলও দিতে দেয়নি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৪:০৭ অপরাহ্ন




নরসিংদী, ২১ ফেব্রুয়ারি – বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, স্বৈরাচার হাসিনা সরকার মানুষের অধিকার এতোটাই হরণ করেছিল যে তারা আমাদের নেতাকর্মীদের ভাষা দিবসে শহীদ মিনারে ফুল দিতে দেয়নি। আমরা যে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবো সেই সুযোগটিও পাইনি। যদি কোন নেতাকর্মী আসতো তাহলে তাদের মেরে বের করে দেওয়া হতো।

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন

হরমুজ প্রণালিতে ৪ দেশের জাহাজে ইরানের বিশেষ ছাড়

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ছাত্ররা ১৯৬২ সালে সামরিক শাসক আইয়ুব খানের শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। তারা পরবর্তীতে ১৯৬৯ প্রতিবাদ করেছিল। তারই ফলশ্রুতিতে ১৯৭০ ও ১৯৭১ সালে গিয়ে তারা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ছাত্ররা থেমে থাকেনি তারা ১৯৯০ সালে আবার এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল। তাই আমি বলেছি ভাষা আন্দোলন শুধু ভাষা আন্দোলন নয়, ভাষা আন্দোলন ছিল এই বাংলাদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশে বিএনপিসহ সকল গণতন্ত্রকামী দলগুলো যখন প্রতিবাদমুখর হয়ে রাজপথে সরব ছিল তখন অত্যাচারী সরকার ও স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে লক্ষাধিক মিথ্যা ও গায়েবী মামলা দিয়ে আমাদের ৫০ লক্ষাধিক নেতাকর্মী আসামি করেছিল। এখানে একজনও খুঁজে পাওয়া যাবেনা যে, তাদের বিরুদ্ধেও মিথ্যা ও গায়েবী মামলা দেয়নি। আমাদের তৃণমূল নেতাকর্মীরা ঘরে থাকতে পারেনি, তাদের বাড়িঘরে আক্রমণ করে টেলিভিশন, ফ্রিজ, ফ্যান ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয়েছে। স্বৈরাচারের ভয়ে উপায়ান্তর না পেয়ে ধান ক্ষেতে ও গজারিয়া বনে গিয়ে রাত কাটিয়েছে। কিন্তু স্বৈরাচার বুঝতে পারে না, তারা কিছু সময়ের জন্য স্থায়ী হতে পারে, কিন্তু চিরদিনের জন্য স্থায়ী হতে পারে না।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পলাশ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুস সাত্তার, সহসভাপতি এডভোকেট কানিজ ফাতেমা, আওলাদ হোসেন জনি, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর সাইফুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন ভূঁইয়া মিল্টন, মোস্তাফিজুর রহমান টিপু, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আলম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন চিশতিয়াসহ পলাশ উপজেলার পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

স্বৈরাচাররা শহীদ মিনারে ফুলও দিতে দেয়নি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

স্বৈরাচাররা শহীদ মিনারে ফুলও দিতে দেয়নি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] নরসিংদী, ২১ ফেব্রুয়ারি – বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, স্বৈরাচার হাসিনা সরকার মানুষের অধিকার এতোটাই হরণ করেছিল যে তারা আমাদের নেতাকর্মীদের ভাষা দিবসে শহীদ মিনারে ফুল দিতে দেয়নি। আমরা যে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবো সেই সুযোগটিও পাইনি। যদি কোন নেতাকর্মী আসতো তাহলে তাদের মেরে বের করে দেওয়া হতো।শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর এসব কথা বলেন তিনি।ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ছাত্ররা ১৯৬২ সালে সামরিক শাসক আইয়ুব খানের শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। তারা পরবর্তীতে ১৯৬৯ প্রতিবাদ করেছিল। তারই ফলশ্রুতিতে ১৯৭০ ও ১৯৭১ সালে গিয়ে তারা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ছাত্ররা থেমে থাকেনি তারা ১৯৯০ সালে আবার এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল। তাই আমি বলেছি ভাষা আন্দোলন শুধু ভাষা আন্দোলন নয়, ভাষা আন্দোলন ছিল এই বাংলাদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশে বিএনপিসহ সকল গণতন্ত্রকামী দলগুলো যখন প্রতিবাদমুখর হয়ে রাজপথে সরব ছিল তখন অত্যাচারী সরকার ও স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে লক্ষাধিক মিথ্যা ও গায়েবী মামলা দিয়ে আমাদের ৫০ লক্ষাধিক নেতাকর্মী আসামি করেছিল। এখানে একজনও খুঁজে পাওয়া যাবেনা যে, তাদের বিরুদ্ধেও মিথ্যা ও গায়েবী মামলা দেয়নি। আমাদের তৃণমূল নেতাকর্মীরা ঘরে থাকতে পারেনি, তাদের বাড়িঘরে আক্রমণ করে টেলিভিশন, ফ্রিজ, ফ্যান ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয়েছে। স্বৈরাচারের ভয়ে উপায়ান্তর না পেয়ে ধান ক্ষেতে ও গজারিয়া বনে গিয়ে রাত কাটিয়েছে। কিন্তু স্বৈরাচার বুঝতে পারে না, তারা কিছু সময়ের জন্য স্থায়ী হতে পারে, কিন্তু চিরদিনের জন্য স্থায়ী হতে পারে না।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পলাশ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুস সাত্তার, সহসভাপতি এডভোকেট কানিজ ফাতেমা, আওলাদ হোসেন জনি, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর সাইফুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন ভূঁইয়া মিল্টন, মোস্তাফিজুর রহমান টিপু, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আলম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন চিশতিয়াসহ পলাশ উপজেলার পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×