হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

হাম নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ন




বরিশাল, ২০ এপ্রিল – হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার রবিবার পর্যন্ত দুই দফায় দেশের ১৯ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৩ জন শিশুকে টিকা প্রদান করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার থেকে তৃতীয় দফায় দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহ সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এই টিকা দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল প্রথম দফায় ঝুঁকিপূর্ণ ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকার দুই সিটিসহ গুরুত্বপূর্ণ চারটি সিটি কর্পোরেশনে দ্বিতীয় দফার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বরিশাল বিভাগে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৬৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৭৮ জন এবং ঢাকা বিভাগে ৬ লাখ ১৩৪ জন শিশুকে ইতোমধ্যে টিকার আওতায় আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন

পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, কড়া নজরে ১২৫ প্রতিষ্ঠান

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই টিকাদান কর্মসূচির কার্যকারিতা অনেক বেশি এবং সাধারণত কার্যক্রম শুরুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রোগের প্রকোপ কমতে শুরু করে। ইপিআই জানিয়েছে, আগে টিকা দেওয়া থাকলেও নির্দিষ্ট বয়সী সব শিশুকে পুনরায় এক ডোজ টিকা গ্রহণ করতে হবে। নার্সারি, কিন্ডারগার্টেন এবং মাদরাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি দুর্গম এলাকার শিশুদের জন্য অতিরিক্ত টিকাদান কেন্দ্রের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ভাসমান শিশু ও বস্তিবাসী শিশুদের সুবিধার্থে প্রয়োজনে বিকেলে বা রাতেও টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৪৪৩ জন এবং লক্ষণ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৬০৬ জন। এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৩৬ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ১৮১ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

এস এম/ ২০ এপ্রিল ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

হাম নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

হাম নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] বরিশাল, ২০ এপ্রিল – হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার রবিবার পর্যন্ত দুই দফায় দেশের ১৯ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৩ জন শিশুকে টিকা প্রদান করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার থেকে তৃতীয় দফায় দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহ সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এই টিকা দেওয়া হবে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল প্রথম দফায় ঝুঁকিপূর্ণ ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকার দুই সিটিসহ গুরুত্বপূর্ণ চারটি সিটি কর্পোরেশনে দ্বিতীয় দফার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বরিশাল বিভাগে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৬৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৭৮ জন এবং ঢাকা বিভাগে ৬ লাখ ১৩৪ জন শিশুকে ইতোমধ্যে টিকার আওতায় আনা হয়েছে।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই টিকাদান কর্মসূচির কার্যকারিতা অনেক বেশি এবং সাধারণত কার্যক্রম শুরুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রোগের প্রকোপ কমতে শুরু করে। ইপিআই জানিয়েছে, আগে টিকা দেওয়া থাকলেও নির্দিষ্ট বয়সী সব শিশুকে পুনরায় এক ডোজ টিকা গ্রহণ করতে হবে। নার্সারি, কিন্ডারগার্টেন এবং মাদরাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি দুর্গম এলাকার শিশুদের জন্য অতিরিক্ত টিকাদান কেন্দ্রের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।ভাসমান শিশু ও বস্তিবাসী শিশুদের সুবিধার্থে প্রয়োজনে বিকেলে বা রাতেও টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৪৪৩ জন এবং লক্ষণ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৬০৬ জন। এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৩৬ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ১৮১ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।এস এম/ ২০ এপ্রিল ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×