হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কক্সবাজারে ১০ জেলের গলিত লাশের মধ্যে ৩ জনের বাড়ি চকরিয়ায়

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৩, ১০:৪৮ অপরাহ্ন

এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া::

কক্সবাজারের নাজিরারটেক এলাকায় ফিশিং বোটের হিমাগার থেকে উদ্ধার হওয়া ১০ জেলের লাশের মধ্যে চকরিয়ায় তিন জেলে রয়েছে। সোমবার সকালে সরেজমিন উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের জঙ্গলকাটা এলাকায় গিয়ে তিন জেলের পরিবারের কাছ থেকে এসব ঘটনার সত্যতা মেলে।

এদিকে তিন জেলের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারে চলছে আহাজারী। তবে অপর ৭ জনের বাড়ি মহেশখালী এলাকায় বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে রবিবার (২৩ এপ্রিল) বিকালে কক্সবাজার পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ফিশিং বোটের হিামাগার থেকে ১০ জেলের লাশ উদ্ধার হয়। চকরিয়ার তিন জেলের মধ্যে রয়েছে কোনাখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাদেরঘোনা বটতলী এলাকার কবির হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৫), একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. তারেক মিয়া (২৩) ও শাহ আলমের ছেলে মো. শাহজাহান (৩৩)।

আরও পড়ুন

পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, কড়া নজরে ১২৫ প্রতিষ্ঠান

সাইফুল ইসলামের মা সালেহা বেগম বলেন, গত ৭ এপ্রিল সঙ্গীয় লোকজনের সাথে সাগরে মাছ ধরতে যায় সাইফুল। সাগরে যাওয়ার তিনদিন পর তার স্ত্রীর মোবাইলে একটি কল আসে। তোমার স্বামী মারা গেছে। তার চেহলাম দিয়ে দাও। একইভাবে তারেক ও শাহজাহানের পরিবারের মোবাইলে একই সংবাদ দেওয়া হয় পরে এ বিষয়ে ১২ এপ্রিল চকরিয়া থানায় সাইফুলের বড় ভাই ওমর হকিম একটি নিখোঁজ ডায়েরী করেন।

এদিকে স্থানীয় লোকজন জানায়, গত ৯ এপিল মহেশখালী এলাকার শামসুল আলমের মালিকানাধীন ফিশিং বোট থেকে উদ্ধার হওয়া ১০ জেলেকে ডাকাত সন্দেহে মেরে ফেলে অপর জেলেরা। পরে তাদের ওই বোটের হিমাগারে ঢুকিয়ে রেখে পাটাতনে পেরেক মেরে দিয়ে বোটটি পানিতে ডুবিয়ে দেয়।

১৫ দিন পর ফিশিং বোটটি সোনাদিয়া দ্বীপের পশ্চিমে সাগরে ভাসতে দেখে অপর জেলেরা। কাছে গিয়ে পচাঁ গন্ধ পেয়ে বোটটি টেনে নাজিরারটেক এলাকায় নিয়ে আসে তারা। পরে প্রশাসনকে খবর দেয়া হয়। থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের দমকল বাহিনী প্রশাসনের লোকজনের উপস্থিতিতে হিমাগারের পাটাতন ভেঙ্গে লাশগুলি উদ্ধার করে। লাশ পঁচে যাওয়ায় সনাক্ত করাও সম্ভব হচ্ছেনা বলে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান।

কক্সবাজার পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুল ইসলাম বলেন, লাশ ময়নাতদেন্তর জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

কক্সবাজারে ১০ জেলের গলিত লাশের মধ্যে ৩ জনের বাড়ি চকরিয়ায়

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কক্সবাজারে ১০ জেলের গলিত লাশের মধ্যে ৩ জনের বাড়ি চকরিয়ায়

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৩, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
Print Image
এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া:: কক্সবাজারের নাজিরারটেক এলাকায় ফিশিং বোটের হিমাগার থেকে উদ্ধার হওয়া ১০ জেলের লাশের মধ্যে চকরিয়ায় তিন জেলে রয়েছে। সোমবার সকালে সরেজমিন উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের জঙ্গলকাটা এলাকায় গিয়ে তিন জেলের পরিবারের কাছ থেকে এসব ঘটনার সত্যতা মেলে। এদিকে তিন জেলের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারে চলছে আহাজারী। তবে অপর ৭ জনের বাড়ি মহেশখালী এলাকায় বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। এর আগে রবিবার (২৩ এপ্রিল) বিকালে কক্সবাজার পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ফিশিং বোটের হিামাগার থেকে ১০ জেলের লাশ উদ্ধার হয়। চকরিয়ার তিন জেলের মধ্যে রয়েছে কোনাখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাদেরঘোনা বটতলী এলাকার কবির হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৫), একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. তারেক মিয়া (২৩) ও শাহ আলমের ছেলে মো. শাহজাহান (৩৩)। সাইফুল ইসলামের মা সালেহা বেগম বলেন, গত ৭ এপ্রিল সঙ্গীয় লোকজনের সাথে সাগরে মাছ ধরতে যায় সাইফুল। সাগরে যাওয়ার তিনদিন পর তার স্ত্রীর মোবাইলে একটি কল আসে। তোমার স্বামী মারা গেছে। তার চেহলাম দিয়ে দাও। একইভাবে তারেক ও শাহজাহানের পরিবারের মোবাইলে একই সংবাদ দেওয়া হয় পরে এ বিষয়ে ১২ এপ্রিল চকরিয়া থানায় সাইফুলের বড় ভাই ওমর হকিম একটি নিখোঁজ ডায়েরী করেন। এদিকে স্থানীয় লোকজন জানায়, গত ৯ এপিল মহেশখালী এলাকার শামসুল আলমের মালিকানাধীন ফিশিং বোট থেকে উদ্ধার হওয়া ১০ জেলেকে ডাকাত সন্দেহে মেরে ফেলে অপর জেলেরা। পরে তাদের ওই বোটের হিমাগারে ঢুকিয়ে রেখে পাটাতনে পেরেক মেরে দিয়ে বোটটি পানিতে ডুবিয়ে দেয়। ১৫ দিন পর ফিশিং বোটটি সোনাদিয়া দ্বীপের পশ্চিমে সাগরে ভাসতে দেখে অপর জেলেরা। কাছে গিয়ে পচাঁ গন্ধ পেয়ে বোটটি টেনে নাজিরারটেক এলাকায় নিয়ে আসে তারা। পরে প্রশাসনকে খবর দেয়া হয়। থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের দমকল বাহিনী প্রশাসনের লোকজনের উপস্থিতিতে হিমাগারের পাটাতন ভেঙ্গে লাশগুলি উদ্ধার করে। লাশ পঁচে যাওয়ায় সনাক্ত করাও সম্ভব হচ্ছেনা বলে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান। কক্সবাজার পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুল ইসলাম বলেন, লাশ ময়নাতদেন্তর জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×