হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

অক্টোবরে উৎপাদনে যাচ্ছে সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার কারখানা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৩:০৮ অপরাহ্ন


নরসিংদী, ১১ সেপ্টেম্বর – নরসিংদীর পলাশে গড়ে উঠছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ পরিবেশবান্ধব ইউরিয়া সার কারখানা। প্রকল্পটির ৯৫ ভাগ কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে। এ কারখানায় দৈনিক গড়ে ২ হাজার ৮শ’ এবং বছরে ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিকটন ইউরিয়া উৎপাদন হবে। অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পটি উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

১৯৭০ সালে বার্ষিক ৩ লাখ ৪০ হাজার এবং ১৯৮৫ সালে ৯৫ হাজার মেট্রিকটন উৎপাদন ক্ষমতার ঘোড়াশাল ও পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়। সময়ের সাথে উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস এবং ডাউন টাইম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখানে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন, পরিবেশবান্ধব এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সার কারখানা নির্মাণের নির্দেশনা দেন।

আরও পড়ুন

জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন

ইউরিয়ার চাহিদা বিবেচনায় ভর্তুকি দিয়ে আমদানি করে কৃষকের কাছে ন্যায্যমূল্যে পৌঁছানোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর কারখানা নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। গ্যাস সংকট না থাকলে আগামী মাসেই উৎপাদনে যাওয়ার প্রত্যাশা করছে কর্তৃপক্ষ।

ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার প্রজেক্টের ডিরেক্টর রাজিউর রহমান মল্লিক বলেন, “যেহেতু আমরা কোভিডের মধ্যে কাজ করতে পেরেছি সেহেতু নির্ধারিত সময়ের তিন মাস আগে অক্টোবরের শেষ দিকে সার উৎপাদন করতে পারবো।”

বিসিআইসি বলছে, এ কারখানা কৃষি খাতের মোট চাহিদার এক তৃতীয়াংশ মেটাতে সক্ষম। এটি চালু হলে দেশের অন্য কারখানায় চাপ কমার পাশাপাশি কমবে আমদানি-নির্ভরতা।

বিসিআইসি চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) সাইদুর রহমান বলেন, “সারের কোনো ঘাটতি হবেনা। সার উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারবো। সেটাই বর্তমান সরকারের মূখ্য উদ্দেশ্য।”

নির্ধারিত সময়ের আগেই জাপানী প্রতিষ্ঠান এমএইচআই’র কাছ থেকে কাজ বুঝে নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

শিল্পমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেন, “সময়ের আগেই কাজ হয়েছে। এখন আমরা উৎপাদনে যাব। আমাদের প্রয়োজন ৩০ লাখ টন কিন্তু সব মিলিয়ে ২০-২৫ লাখ টন হয়ে যাবে হয়তো ৫ লাখ টন আনতে হতে পারে। আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ”

দেশে কম-বেশি ৩০ লাখ মেট্রিকটন ইউরিয়া সারের চাহিদা রয়েছে।

সূত্র: একুশে টেলিভিশন
আইএ/ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

অক্টোবরে উৎপাদনে যাচ্ছে সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার কারখানা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

অক্টোবরে উৎপাদনে যাচ্ছে সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার কারখানা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] নরসিংদী, ১১ সেপ্টেম্বর – নরসিংদীর পলাশে গড়ে উঠছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ পরিবেশবান্ধব ইউরিয়া সার কারখানা। প্রকল্পটির ৯৫ ভাগ কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে। এ কারখানায় দৈনিক গড়ে ২ হাজার ৮শ’ এবং বছরে ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিকটন ইউরিয়া উৎপাদন হবে। অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পটি উদ্বোধনের কথা রয়েছে। ১৯৭০ সালে বার্ষিক ৩ লাখ ৪০ হাজার এবং ১৯৮৫ সালে ৯৫ হাজার মেট্রিকটন উৎপাদন ক্ষমতার ঘোড়াশাল ও পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়। সময়ের সাথে উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস এবং ডাউন টাইম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখানে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন, পরিবেশবান্ধব এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সার কারখানা নির্মাণের নির্দেশনা দেন। ইউরিয়ার চাহিদা বিবেচনায় ভর্তুকি দিয়ে আমদানি করে কৃষকের কাছে ন্যায্যমূল্যে পৌঁছানোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর কারখানা নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। গ্যাস সংকট না থাকলে আগামী মাসেই উৎপাদনে যাওয়ার প্রত্যাশা করছে কর্তৃপক্ষ। ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার প্রজেক্টের ডিরেক্টর রাজিউর রহমান মল্লিক বলেন, “যেহেতু আমরা কোভিডের মধ্যে কাজ করতে পেরেছি সেহেতু নির্ধারিত সময়ের তিন মাস আগে অক্টোবরের শেষ দিকে সার উৎপাদন করতে পারবো।” বিসিআইসি বলছে, এ কারখানা কৃষি খাতের মোট চাহিদার এক তৃতীয়াংশ মেটাতে সক্ষম। এটি চালু হলে দেশের অন্য কারখানায় চাপ কমার পাশাপাশি কমবে আমদানি-নির্ভরতা। বিসিআইসি চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) সাইদুর রহমান বলেন, “সারের কোনো ঘাটতি হবেনা। সার উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারবো। সেটাই বর্তমান সরকারের মূখ্য উদ্দেশ্য।” নির্ধারিত সময়ের আগেই জাপানী প্রতিষ্ঠান এমএইচআই’র কাছ থেকে কাজ বুঝে নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। শিল্পমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেন, “সময়ের আগেই কাজ হয়েছে। এখন আমরা উৎপাদনে যাব। আমাদের প্রয়োজন ৩০ লাখ টন কিন্তু সব মিলিয়ে ২০-২৫ লাখ টন হয়ে যাবে হয়তো ৫ লাখ টন আনতে হতে পারে। আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ” দেশে কম-বেশি ৩০ লাখ মেট্রিকটন ইউরিয়া সারের চাহিদা রয়েছে। সূত্র: একুশে টেলিভিশনআইএ/ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×