হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চকরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন

এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া ::

কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশের উপর হামলা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই এক আওয়ামী লীগ নেতাকে অপহরণের মামলায় উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবী হোছাইন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার (৮ জুলাই) দুইটি মামলার এজাহারনামীয় এক নম্বর আসামি ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইন চৌধুরী উচ্চ আদালতের জামিন মেয়াদ শেষে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এসময় আদালত শুনানি শেষে তাঁকে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী।

সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মহসিন বাবুল জানান, গত ১৪ জানুয়ারি বিকালে বাড়ি থেকে কক্সবাজার যাবার পথে ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইনের নেতৃত্বে ১০/১৩ জনের একটি দুবৃর্ত্ত দল আমার ছোট ভাই আবুল কালামকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরদিন ১৫ জানুয়ারি সকাল ৮টার দিকে বাড়ির অদুরে পূর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নের আটারকুম এলাকা থেকে অজ্ঞান অবস্থায় আবুল কালামকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন।
পরে তাকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
এ ঘটনায় ১৭ জানুয়ারি সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইন ও তার ১৪ সহযোগির বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় আবুল কালামকে অপহরণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে তার বড় ভাই সাবেক চেয়ারম্যান মহসিন বাবুল বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

অপরদিকে গত ২৯ জানুয়ারি রাতে চকরিয়া থানা পুলিশের একটি টিম বিভিন্ন মামলার আসামি ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইনের কোরালখালী এলাকার বসতঘরে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। তখন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সংঘবদ্ধ লোকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন এবং পুলিশকে বসতঘরে ঢুকতে না দিয়ে সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
খবর পেয়ে রাতে চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রকিব উর রাজা ও চকরিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী আরও পুলিশ সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। একপর্যায়ে ইউপি চেয়ারম্যানের বসতঘর চারপাশ থেকে ঘিরে অভিযান শুরু করে পুলিশ। রাত সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পুলিশ অভিযান চালালেও ইউপি চেয়ারম্যানকে ধরতে পারেনি।
তবে ইউপি চেয়ারম্যান ও তাঁর লোকজনের হামলায় সদরুল আমিন নামের এক পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন। পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা ও হামলায় জড়িত পাঁচজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরে আটক পাঁচজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

আরও পড়ুন

৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা

এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইনকে প্রধান আসামি করে সহযোগী ২৪ জনের বিরুদ্ধে গত ৩০ জানুয়ারি চকরিয়া থানায় একটি মামলা রুজু করে পুলিশ ।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, পুলিশের উপর হামলা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের ভাইকে অপহরণের মামলায় গতকাল সোমবার এজাহারনামীয় এক নম্বর আসামি ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইন চৌধুরী উচ্চ আদালতের জামিন মেয়াদ শেষে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এসময় আদালত শুনানি শেষে তাঁকে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ##

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

চকরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চকরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
Print Image
এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া :: কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশের উপর হামলা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই এক আওয়ামী লীগ নেতাকে অপহরণের মামলায় উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবী হোছাইন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার (৮ জুলাই) দুইটি মামলার এজাহারনামীয় এক নম্বর আসামি ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইন চৌধুরী উচ্চ আদালতের জামিন মেয়াদ শেষে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এসময় আদালত শুনানি শেষে তাঁকে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী। সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মহসিন বাবুল জানান, গত ১৪ জানুয়ারি বিকালে বাড়ি থেকে কক্সবাজার যাবার পথে ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইনের নেতৃত্বে ১০/১৩ জনের একটি দুবৃর্ত্ত দল আমার ছোট ভাই আবুল কালামকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরদিন ১৫ জানুয়ারি সকাল ৮টার দিকে বাড়ির অদুরে পূর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নের আটারকুম এলাকা থেকে অজ্ঞান অবস্থায় আবুল কালামকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন। পরে তাকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। এ ঘটনায় ১৭ জানুয়ারি সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইন ও তার ১৪ সহযোগির বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় আবুল কালামকে অপহরণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে তার বড় ভাই সাবেক চেয়ারম্যান মহসিন বাবুল বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। অপরদিকে গত ২৯ জানুয়ারি রাতে চকরিয়া থানা পুলিশের একটি টিম বিভিন্ন মামলার আসামি ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইনের কোরালখালী এলাকার বসতঘরে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। তখন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সংঘবদ্ধ লোকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন এবং পুলিশকে বসতঘরে ঢুকতে না দিয়ে সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। খবর পেয়ে রাতে চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রকিব উর রাজা ও চকরিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী আরও পুলিশ সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। একপর্যায়ে ইউপি চেয়ারম্যানের বসতঘর চারপাশ থেকে ঘিরে অভিযান শুরু করে পুলিশ। রাত সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পুলিশ অভিযান চালালেও ইউপি চেয়ারম্যানকে ধরতে পারেনি। তবে ইউপি চেয়ারম্যান ও তাঁর লোকজনের হামলায় সদরুল আমিন নামের এক পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন। পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা ও হামলায় জড়িত পাঁচজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। পরে আটক পাঁচজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইনকে প্রধান আসামি করে সহযোগী ২৪ জনের বিরুদ্ধে গত ৩০ জানুয়ারি চকরিয়া থানায় একটি মামলা রুজু করে পুলিশ । চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, পুলিশের উপর হামলা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের ভাইকে অপহরণের মামলায় গতকাল সোমবার এজাহারনামীয় এক নম্বর আসামি ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইন চৌধুরী উচ্চ আদালতের জামিন মেয়াদ শেষে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এসময় আদালত শুনানি শেষে তাঁকে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ##

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×