হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বিশ্বের দুই বৃহত্তম বন্দর পরিচালনা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৫, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি – বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরের উপকূলে নতুন বন্দর নির্মাণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ড এবং এপি মোলার-মেয়ার্স্ক। প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে নৌপথে পণ্য পরিবহন খাতে বড় পরিসরে বিনিয়োগ করে বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

হরমুজ প্রণালিতে ৪ দেশের জাহাজে ইরানের বিশেষ ছাড়

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম তথা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনের ফাঁকে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বৃহস্পতিবার ডিপি ওয়ার্ল্ডের গ্রুপ চেয়ারম্যান ও সিইও সুলতান আহমেদ বিন সুলাইয়েম এবং এপি মোলার-মেয়ার্স্কের চেয়ার রবার্ট মেয়ার্স্ক উগলা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেন।

ডিপি ওয়ার্ল্ডের সিইও জানান, তারা চট্টগ্রাম বন্দরে জট কমানো এবং নির্গমন হ্রাস করে এর কার্যকারিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালে বিনিয়োগ করতে চান।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের নিকটবর্তী এই টার্মিনালে বিনিয়োগ করলে বাংলাদেশ আরও বেশি বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারবে এবং পরিবেশদূষণ হ্রাস পাবে। এ সময় তিনি বলেন, ডিপি ওয়ার্ল্ড যেখানেই বিনিয়োগ করেছে, সেখানেই ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে।

ড. ইউনূস বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর নির্ভরশীল। আমরা এটি অঞ্চলের বৃহত্তম বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

ড. ইউনূস আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে আরও দক্ষ করে গড়ে তোলা জরুরি। কারণ, এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য, নেপাল এবং ভুটানের কনটেইনার পরিচালনার জন্য একটি আঞ্চলিক কেন্দ্র হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সময়ই এখানে ব্যয়ের প্রধান কারণ, তাই দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

ডেনিশ কোম্পানি এপি মোলার-মেয়ার্স্কের চেয়ার রবার্ট মায়ারস্ক উগলা জানান, তারা লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে বিনিয়োগ করতে চান এবং এটিকে তাদের প্রযুক্তিগত সহায়তায় একটি সবুজ (ইকো-ফ্রেন্ডলি) বন্দর হিসেবে রূপান্তর করতে চান।

প্রধান উপদেষ্টা ডিপি ওয়ার্ল্ড এবং এপি মোলার-মেয়ার্স্কের কর্মকর্তাদের বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে ঢাকায় আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের পুরো সক্ষমতা কাজে লাগাতে বঙ্গোপসাগরের উপকূলে একাধিক বন্দর নির্মাণ করতে হবে। আমরা বন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে বিদেশি বিনিয়োগকে স্বাগত জানাই।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ২৩ জানুয়ারি ২০২৫

 


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বিশ্বের দুই বৃহত্তম বন্দর পরিচালনা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বিশ্বের দুই বৃহত্তম বন্দর পরিচালনা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৫, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি – বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরের উপকূলে নতুন বন্দর নির্মাণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ড এবং এপি মোলার-মেয়ার্স্ক। প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে নৌপথে পণ্য পরিবহন খাতে বড় পরিসরে বিনিয়োগ করে বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম তথা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনের ফাঁকে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বৃহস্পতিবার ডিপি ওয়ার্ল্ডের গ্রুপ চেয়ারম্যান ও সিইও সুলতান আহমেদ বিন সুলাইয়েম এবং এপি মোলার-মেয়ার্স্কের চেয়ার রবার্ট মেয়ার্স্ক উগলা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেন।ডিপি ওয়ার্ল্ডের সিইও জানান, তারা চট্টগ্রাম বন্দরে জট কমানো এবং নির্গমন হ্রাস করে এর কার্যকারিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালে বিনিয়োগ করতে চান।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের নিকটবর্তী এই টার্মিনালে বিনিয়োগ করলে বাংলাদেশ আরও বেশি বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারবে এবং পরিবেশদূষণ হ্রাস পাবে। এ সময় তিনি বলেন, ডিপি ওয়ার্ল্ড যেখানেই বিনিয়োগ করেছে, সেখানেই ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে।ড. ইউনূস বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর নির্ভরশীল। আমরা এটি অঞ্চলের বৃহত্তম বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।ড. ইউনূস আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে আরও দক্ষ করে গড়ে তোলা জরুরি। কারণ, এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য, নেপাল এবং ভুটানের কনটেইনার পরিচালনার জন্য একটি আঞ্চলিক কেন্দ্র হতে পারে।তিনি আরও বলেন, সময়ই এখানে ব্যয়ের প্রধান কারণ, তাই দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।ডেনিশ কোম্পানি এপি মোলার-মেয়ার্স্কের চেয়ার রবার্ট মায়ারস্ক উগলা জানান, তারা লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে বিনিয়োগ করতে চান এবং এটিকে তাদের প্রযুক্তিগত সহায়তায় একটি সবুজ (ইকো-ফ্রেন্ডলি) বন্দর হিসেবে রূপান্তর করতে চান।প্রধান উপদেষ্টা ডিপি ওয়ার্ল্ড এবং এপি মোলার-মেয়ার্স্কের কর্মকর্তাদের বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে ঢাকায় আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের পুরো সক্ষমতা কাজে লাগাতে বঙ্গোপসাগরের উপকূলে একাধিক বন্দর নির্মাণ করতে হবে। আমরা বন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে বিদেশি বিনিয়োগকে স্বাগত জানাই।সূত্র: আরটিভি নিউজএনএন/ ২৩ জানুয়ারি ২০২৫  [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×