কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বরেণ্য শিক্ষক (অবসরপ্রাপ্ত ) মাষ্টার আমান উল্লাহ স্যার আর নেই। তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন।
তার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সর্বস্তরে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং দলে দলে শোকাহতরা তাকে শেষবারের মত একবার দেখতে ও বিদায় জানাতে মরহুমের বাসভবনে ছুটে আসতে শুরু করেন।
এদিকে মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার আমান উল্লাহ’র মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে মরহুমের বাসভবনে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিমল চাকমা।
এসময় তিনি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের প্রক্রিয়ার বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের অবগত করলে পরিবারের সদস্যদের অনুরোধক্রমে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন অনুষ্ঠান কার্যক্রম স্থগিত করেন বলে জানান মরহুমের জৈষ্ঠ্য সন্তান হুমায়ুন কবির শহীদ ।
এনইআইআর চালু করে অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধের পরিকল্পনা বিটিআরসির
মরহুম ছিলেন একাধারে মুক্তিযোদ্ধা, সমাজ সংস্কারক,আদর্শ শিক্ষক , আদর্শ পিতা এবং আমরণ ইসলামী আন্দোলনের নিবেদিত প্রাণ।
তিনি অবসর অবধি চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী তমিজিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ঈদগাঁও ইউসুফখিলে তিনদিন ব্যাপী ঐতিহাসিক সিরত মাহফিলের অন্যতম উদ্যোক্তা হুমায়ূন কবির শহীদ ,ঈদগাঁও আলমাছিয়া ফাজিল( ডিগ্রি) মাদ্রাসার ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল হোসাইন সাজেদ ও ইসলামাবাদ ইউনিয়ন জামায়াত সেক্রেটারি হুবাইবের সুযোগ্য পিতা। পারিবারিক জীবনে তিনি সাত পুত্র সন্তানের জনক এবং তার প্রত্যেক সন্তানই সমাজের বিভিন্ন স্তরে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত।
এদিকে তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি প্রদান করেছেন ঈদগাঁও আদর্শ সাংবাদিক পরিষদ নেতৃবৃন্দ। তারা মরহুমের আত্মার মাগফেরাত চেয়ে আল্লাহর নিকট সর্বোচ্চ মর্যাদার আসন কামনা করেন।




মন্তব্য করুন