জেরুজালেম, ১৭ সেপ্টেম্বর – ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার গাজা সিটিতে গত সোমবার রাত থেকে স্থল হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এরমধ্যে তাদের হামলায় গাজা সিটির টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে গাজা সিটি পুরো বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
ফিলিস্তিনি টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি অথরিটি জানিয়েছে, উত্তর গাজার প্রধান লাইনে ইসরায়েলি দখলদাররা হামলা চালানোর পর ইন্টারনেট ও টেলিফোন সেবা বন্ধ হয়ে যায়।
৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা
ইসরায়েলি হামলার পর সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে গাজা সিটির মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়েছিল বার্তাসংস্থা এপির সাংবাদিকরা। কিন্তু তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এর আগে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার আটজনই ছিলেন গাজা সিটির। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুরা রয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গাজা সিটিতে চলমান স্থল হামলায় অংশ নিয়েছে তাদের দুটি ডিভিশন। এ দুটি ডিভিশনে হাজার হাজার সেনা রয়েছে।
ইসরায়েলকে ঠেকাতে মধ্যপ্রাচ্যে বাহিনী গঠনের ইঙ্গিত, অংশ নেবে পাকিস্তানও
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, ‘‘পাকিস্তানের খুবই বড় এবং কার্যকর সশস্ত্র বাহিনী রয়েছে, যারা প্রচলিত যুদ্ধে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে।’’ মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের আগ্রাসন ঠেকাতে যদি জাতিসংঘের বাইরে কোনও ঐক্যবদ্ধ শক্তি গঠিত হয়, তাহলে পাকিস্তান তাতে অংশ নেবে কি না, কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এমন প্রশ্নের জবাবে ইসহাক দার ওই মন্তব্য করেছেন।
কাতারে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পর আরব-ইসলামি সম্মেলনের আগে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের ওই স্বাক্ষাৎকার রেকর্ড করা হয়েছিল। আল জাজিরার উপস্থাপক ওসামা বিন জাভেদ পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, গাজায় হস্তক্ষেপ করতে জাতিসংঘের বাইরে কোনও ঐক্যবদ্ধ সংস্থা গঠনের পরিকল্পনা আছে কি না?
জবাবে দার বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মতো একটি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা যেতে পারে। তিনি বলেন, উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, তারা কোনও দেশ তাদের কথা না শুনলে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দেয়। এটি যে কোনও দেশের জন্য ভয়াবহ অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হয়।
এরপর আল জাজিরার উপস্থাপক পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, যদি এমন বাহিনী গঠন করা হয়, তখন পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে পাকিস্তানের অবস্থান কী হবে? জবাবে দার বলেন, পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান অবশ্যই উম্মাহর সদস্য হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করবে।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫




মন্তব্য করুন