কুতুবদিয়া উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেছে কক্সবাজার-২ (কুতুবদিয়া-মহেশখালী) আসনে পীর সাহেব চরমোনাই মনোনীত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) এর সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা জিয়াউল হক।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২৫) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত গাড়িবহরযোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। কক্সবাজার জেলা ইসলামী আন্দোলনের সদস্য ও জাতীয় শিক্ষক ফোরামের জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে এ গণসংযোগ কর্মসূচি পরিচালিত হয়।
দিনব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচিতে কুতুবদিয়ার ছয়টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে দরবার শরীফের সামনে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।
গণসংযোগে উত্থাপিত ৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে হবে, নির্বাচন পি.আর. (Proportional Representation) পদ্ধতিতে হতে হবে, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে, গণহত্যার বিচার দৃশ্যমান করতে হবে এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ভারতীয় তাবেদদার ও ফ্যাসিবাদীদের দেশদ্রোহী জাতীয় পার্টি এবং ১৪ দলের বিচার করতে হবে এবং বিচার চলাকালীন তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে।
গণসংযোগকালে অধ্যক্ষ মাওলানা জিয়াউল হক বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা আর প্রহসনের নির্বাচন দেখতে চায় না। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন দিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা যদি ক্ষমতায় যাই, তবে একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলব, যেখানে দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস ও দমন-পীড়নের কোন স্থান থাকবে না।”
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পুরো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, কুতুবদিয়ায় ইসলামী আন্দোলনের এই গণসংযোগকে ঘিরে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মতো তাদের কর্মসূচিগুলোতেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
মিরপুরে টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ: ছিটকে গেলেন মুশফিক, অভিষেক হৃদয়ের




মন্তব্য করুন