অভিযোগ দায়েরের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যেই মোবাইল নং ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ঈদগাঁও থেকেকৌশলে অজানার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া শিশু শিক্ষার্থী তামিম(১২)কে উদ্ধার করেছে ঈদগাঁও থানা পুলিশ। তবে ঘটনায় জড়িত কথিত শিক্ষক দেলোয়ার হোসাইনকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। তবে তাকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে জানান ।
২৯ সেপ্টেম্বর (সোমবার)দিনে কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়া থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। শিশুর পরিবার ও স্বজনরা স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিনের আন্তরিকতায় তড়িৎ বাচ্চাটিকে উদ্ধার সম্ভব হওয়ায় পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের খাঁন ঘোনা নুরে ছখিনা হেফজখানার ১২ বছর বয়সী শিশু ছাত্র আব্দুল্লাহ বিন তামিমকে নিয়ে রহস্য জনক ভাবে উধাও হয়ে যান শিক্ষক দেলোয়ার হোসাইন। এর পর থেকে উক্ত শিক্ষকের মোবাইলে বারবার যোগাযোগ করা হলেও সঠিক ঠিকানা না দেয়ায় ভিকটিমের আতঙ্কিত মা নিরুপায় হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এর সূত্র ধরে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫( শনিবার )জেলা পুলিশ সুপার সাইফ উদ্দিনের নির্দেশে ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিনের প্রচেষ্টায় এসআই আশরাফের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম প্রযুক্তির সহায়তায় লোকেশন ট্র্যাক করে কুতুবদিয়ায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। অভিযানকালে স্থানীয় থানা পুলিশও সহযোগিতা করেন।
হাসপাতালে ভর্তি শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা এসআই আশরাফ বলেন “শিশু তামিমকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা রুজু হয়েছে ।
অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদা ইয়াছমিন জানান,অবনতিশিল পরিস্থিতি উত্তরণে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের দুই সপ্তাহের মধ্যে পুলিশ সুপার মহোদয়ের সহযোগিতায় তিনি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইতিমধ্যে উক্ত শিশুকে উদ্ধার ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত এক ডাকাতকে আটকে সক্ষম হয়েছেন।




মন্তব্য করুন