হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চকরিয়ায় বিক্রয় প্রতিনিধিকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ল যুবক

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ৯ জুন ২০২২, ০৯:১৪ অপরাহ্ন

এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া::

কক্সবাজারের চকরিয়ায় জাবেদ গ্রুপ নামের একটি কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি মাহমুদুল হককে (২৭) ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশের কাছে ধরা পড়ল এক যুবক। গত বুধবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারকৃত যুবককে আদালতের পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগী চট্টগ্রাম জেলা সাতকানিয়া উপজেলার চিববাড়ী ইউনিয়নের বজল আহামদের ছেলে। গ্রেপ্তারকৃত আসামি ও তাঁর সহযোগীরা তাঁর ব্যাগে ইয়াবা ডুকিয়ে তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন।

এসময় ৪০পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আব্দুল মুবিন (২১) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। মুবিন উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের হাজিয়ান গ্রামের মো. জকরিয়ার ছেলে।

আরও পড়ুন

হাসপাতালে ভর্তি শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে আব্দুল মুবিনকে প্রধান আসামী করে ৪জনের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্য আসামীরা হলেন হাজিয়ান গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মো. জুবায়ের (৩৫), একই গ্রামের বেলাল উদ্দিনের ছেলে মো. নিশাত (২২) ও এনামুল হকের ছেলে মো. রাকিব (১৯)। মামলায় দুজনকে অজ্ঞাত আসামী দেখানো হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাহমুদুল হক হাজিয়ান গ্রামে দেলোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বেড়াতে যান। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি ব্যাটারীচালিত টমটমযোগে ওই বাড়ি থেকে চিরিংগা পৌর শহরের ভাড়া বাসায় ফিরছিল। পথিমধ্য আব্দুল মুবিন, মো. জুবায়ের, মো. নিশাত ও মো. রাকিব গতিরোধ করে মাহমুদুল হকের সঙ্গে থাকা ব্যাগে ছিনিয়ে নেন।

মাহমুদুল হক বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য হাজী নুর মোহাম্মদকে অবগত করেন। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ব্যাগে ৪০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ব্যাগটি ফেরত দেন। পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিলে রাত ১টার দিকে আব্দুল মুবিনকে গ্রেপ্তার করে।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামীদের ধরতে পুলিশ কাজ করছেন। পুলিশ দীর্ঘদিন এ গ্যাং খুঁজছিল। অপরাধীরা যত কৌশলী হোক কেউই পার পাবে না।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

চকরিয়ায় বিক্রয় প্রতিনিধিকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ল যুবক

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চকরিয়ায় বিক্রয় প্রতিনিধিকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ল যুবক

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুন ২০২২, ০৯:১৪ অপরাহ্ন
Print Image
এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া:: কক্সবাজারের চকরিয়ায় জাবেদ গ্রুপ নামের একটি কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি মাহমুদুল হককে (২৭) ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশের কাছে ধরা পড়ল এক যুবক। গত বুধবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারকৃত যুবককে আদালতের পাঠানো হয়। ভুক্তভোগী চট্টগ্রাম জেলা সাতকানিয়া উপজেলার চিববাড়ী ইউনিয়নের বজল আহামদের ছেলে। গ্রেপ্তারকৃত আসামি ও তাঁর সহযোগীরা তাঁর ব্যাগে ইয়াবা ডুকিয়ে তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন। এসময় ৪০পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আব্দুল মুবিন (২১) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। মুবিন উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের হাজিয়ান গ্রামের মো. জকরিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে আব্দুল মুবিনকে প্রধান আসামী করে ৪জনের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্য আসামীরা হলেন হাজিয়ান গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মো. জুবায়ের (৩৫), একই গ্রামের বেলাল উদ্দিনের ছেলে মো. নিশাত (২২) ও এনামুল হকের ছেলে মো. রাকিব (১৯)। মামলায় দুজনকে অজ্ঞাত আসামী দেখানো হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাহমুদুল হক হাজিয়ান গ্রামে দেলোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বেড়াতে যান। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি ব্যাটারীচালিত টমটমযোগে ওই বাড়ি থেকে চিরিংগা পৌর শহরের ভাড়া বাসায় ফিরছিল। পথিমধ্য আব্দুল মুবিন, মো. জুবায়ের, মো. নিশাত ও মো. রাকিব গতিরোধ করে মাহমুদুল হকের সঙ্গে থাকা ব্যাগে ছিনিয়ে নেন। মাহমুদুল হক বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য হাজী নুর মোহাম্মদকে অবগত করেন। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ব্যাগে ৪০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ব্যাগটি ফেরত দেন। পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিলে রাত ১টার দিকে আব্দুল মুবিনকে গ্রেপ্তার করে। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামীদের ধরতে পুলিশ কাজ করছেন। পুলিশ দীর্ঘদিন এ গ্যাং খুঁজছিল। অপরাধীরা যত কৌশলী হোক কেউই পার পাবে না।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×