কক্সবাজারের টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাতিয়ার ঘোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫।এরমধ্যে দুইজন রোহিঙ্গা। অপরজন স্হানীয় বলে জানা গেছে।
গ্রেফতারকৃত হলেন টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঘোনা পাড়া গ্রামের জাফর আলমের ছেলে আক্তার হোসেন (৩৪), উখিয়ার কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ কাছিম(২১),ও উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা আব্দুর রহমানের ছেলে আরাফাত উল্লাহ (২৬)।
র্যাব-১৫, এর সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া অফিসার) আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, ১০ অক্টোবর সকালে অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে আসা তিনজন ভিকটিম র্যাব-১৫, সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পে এসে আশ্রয় ও অভিযোগ জানায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তৎপর হয়ে র্যাবের একটি চৌকস দল টেকনাফ সদর ইউনিয়নের লেঙ্গুরবিল এলাকায় চিরুনী অভিযান চালায়। অভিযানে অপহরণকারী চক্রের তিনজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তবে তাদের সহযোগী আরও চারজন আসামি কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজ না থাকায় ৬২৭ কোটি রুপি পর্যন্ত লোকসানের শঙ্কায় ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমদের টেকনাফে নিয়ে আসে এবং আটক করে রাখে। পরে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে তাদের বিদেশে পাচার করার পরিকল্পনা ছিল। তবে ভিকটিমরা অপহরণের বিষয়টি বুঝতে পেরে সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং পালিয়ে গিয়ে র্যাব কার্যালয়ে আশ্রয় নেয়।
ভিকটিম মোঃ মেহেরাজ উদ্দিন (১৯) বাদী হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
র্যাব-১৫ জানায়, অপহরণ ও মানবপাচারের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পলাতক আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান চলছে।




মন্তব্য করুন