হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সংবাদ প্রকাশের জেরে ঈদগাঁও ভূমি অফিসের টনক, খাস জমির পরিমাপ নিয়ে তীব্র সমালোচনা

আনোয়ার হোছাইন ঈদগাঁও (কক্সবাজার)

আনোয়ার হোছাইন ঈদগাঁও (কক্সবাজার)

বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৩০ অপরাহ্ন

সংবাদ প্রকাশের জেরে অবশেষে টনক নড়েছে কক্সবাজারের ঈদগাঁও ভূমি অফিসের। তবে বেদখলের অভিযোগ উঠা জায়গাটির পরিমাপ নিয়ে তীব্র সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ১২ টার দিকে অভিযোগ উঠা ঈদগাঁও বাজারের উক্ত জায়গাটি চিহ্নিত করতে পরিমাপে যায় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারের নেতৃত্বে লোকজন।

সরেজমিনে জানা যায়, সকালে উক্ত জায়গায় সনাতনী পদ্ধতিতে পরিমাপ শুরু করে ভূমি অফিসের লোকজন। একেক সময় একেক জনের দেখিয়ে দেওয়া স্থান থেকে পরিমাপ শুরু করে। সনাতনী পদ্ধতিতে যেনতেন ভাবে করা এ পরিমাপে ইতিপূর্বে ভূমি অফিসের করা উক্ত তিনশতক খাস জায়গা থাকার দাবি সম্পূর্ণ উল্টে যায়। অভিযোগ উঠা উক্ত জায়গা কিভাবে পাশের ভিন্ন স্থানের বহু পুরাতন দোকান স্থাপনায় চিহ্নিত হল তা নিয়ে প্রশ্নের অন্ত নেই।পরিমাপ পরবর্তী ইউনিয়ন ভূমি অফিস উক্ত স্থানে একটি সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিলে জনমনে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

তাদের ধারণা,তবে কি ভূমি অফিসের পূর্বের দাবি ও পরিমাপ অদৃশ্য কোন শক্তির ইশারায় মূহূর্তেই ৩৬০ ডিগ্রি উল্টে গেল? এ নিয়ে ব্যবসায়ী ও সচেতন জনগণের মধ্যে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

ভূমি অফিসের নাকের ডগার ঈদগাঁও বাজারের কেন্দ্রস্থলের কোন্ জায়গাটি খাস তা চিহ্নিত করা কি তাদের জন্য এতোই কষ্টের ছিল এতদিন? আজ পরিমাপে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন হল।

সচেতন জনগণের প্রশ্ন এ পরিমাপের নেপথ্যে কোন অদৃশ্য শক্তি বা অনৈতিক কোন কারণ থাকতে পারে। গণমাধ্যম কর্মীদের ধারণা তাদের অব্যাহত লেখনিতে চাপে পড়া উভয় পক্ষ যেনতেনভাবে একটি পরিমাপ দেখিয়ে সাংবাদিকদের লেখনি বন্ধের অপকৌশলও হতে পারে এটি।

উক্ত জায়গা উদ্ধারের নামে আইওয়াশ করে ভিন্ন স্থানে তিন শতক জায়গা বেদখল দেখিয়ে উক্ত নির্মাণ কোম্পানি যাতে নিরাপদে কাজ চালিয়ে যেতে পারে পেছনের দরজায় তার বন্দোবস্ত কিনা তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

বাজারের সচেতন ব্যবসায়ী ও জনগণ শতবছর ধরে পরিত্যক্ত বাজারের এ খাস জায়গাটি আজকের পরিমাপে কিভাবে ব্যক্তি মালিকানাধীন হল তা তারা বুঝে উঠতে পারছেন না।

এ বিষয়ে পরিমাপে নেতৃত্ব দেয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল জাব্বারের সাথে কথা হলে তিনি জানান,তিনি অভিযোগ উঠা জায়গাটি এনালগ পদ্ধতিতে পরিমাপ করেছেন।এ জায়গার আশপাশে স্থাপনা ও রাস্তাঘাট পরিবর্তন হওয়ায় জায়গাটি সন্দেহাতীতভাবে ভাবে চিহ্নিত করতে পারছেন না। সেহেতু তিনি উপজেলা ভূমি অফিসে তড়িৎ রিপোর্ট পাঠিয়ে সরকারী সার্ভেয়ারের মাধ্যমে পুনঃ পরিমাপের ব্যবস্থা নেবেন।

প্রসঙ্গত কক্সবাজারে ঈদগাঁও উপজেলার প্রধান কেন্দ্রস্থল ঈদগাঁও বাজার কবিরাজ সিটি সেন্টারের পশ্চিমে বাশু দে’র স্বত্তীয় জায়গায় চুক্তি ভিত্তিক জিনিয়াস এফজি নামের এক ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান বহূতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ শুরু করে। অভিযোগ উঠে ওই জায়গার দক্ষিণে থাকা তিন শতক খাস জায়গার উপর দীর্ঘ সময় ধরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সংবাদ পেয়ে ঈদগাঁও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার তাতে সাইনবোর্ড টাঙ্গাতে গেলে তাতে বাঁধা দেয়। পরে তিনি তাদের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করলে তা সামাল দিতে দৌড় ঝাঁপ শুরু করে জড়িতরা। কোটি টাকা মূল্যের এ খাস জায়গাটি উদ্ধারে স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে ।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সংবাদ প্রকাশের জেরে ঈদগাঁও ভূমি অফিসের টনক, খাস জমির পরিমাপ নিয়ে তীব্র সমালোচনা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সংবাদ প্রকাশের জেরে ঈদগাঁও ভূমি অফিসের টনক, খাস জমির পরিমাপ নিয়ে তীব্র সমালোচনা

প্রতিবেদক: আনোয়ার হোছাইন ঈদগাঁও (কক্সবাজার) | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৩০ অপরাহ্ন
Print Image
সংবাদ প্রকাশের জেরে অবশেষে টনক নড়েছে কক্সবাজারের ঈদগাঁও ভূমি অফিসের। তবে বেদখলের অভিযোগ উঠা জায়গাটির পরিমাপ নিয়ে তীব্র সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ১২ টার দিকে অভিযোগ উঠা ঈদগাঁও বাজারের উক্ত জায়গাটি চিহ্নিত করতে পরিমাপে যায় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারের নেতৃত্বে লোকজন। সরেজমিনে জানা যায়, সকালে উক্ত জায়গায় সনাতনী পদ্ধতিতে পরিমাপ শুরু করে ভূমি অফিসের লোকজন। একেক সময় একেক জনের দেখিয়ে দেওয়া স্থান থেকে পরিমাপ শুরু করে। সনাতনী পদ্ধতিতে যেনতেন ভাবে করা এ পরিমাপে ইতিপূর্বে ভূমি অফিসের করা উক্ত তিনশতক খাস জায়গা থাকার দাবি সম্পূর্ণ উল্টে যায়। অভিযোগ উঠা উক্ত জায়গা কিভাবে পাশের ভিন্ন স্থানের বহু পুরাতন দোকান স্থাপনায় চিহ্নিত হল তা নিয়ে প্রশ্নের অন্ত নেই।পরিমাপ পরবর্তী ইউনিয়ন ভূমি অফিস উক্ত স্থানে একটি সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিলে জনমনে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। তাদের ধারণা,তবে কি ভূমি অফিসের পূর্বের দাবি ও পরিমাপ অদৃশ্য কোন শক্তির ইশারায় মূহূর্তেই ৩৬০ ডিগ্রি উল্টে গেল? এ নিয়ে ব্যবসায়ী ও সচেতন জনগণের মধ্যে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ভূমি অফিসের নাকের ডগার ঈদগাঁও বাজারের কেন্দ্রস্থলের কোন্ জায়গাটি খাস তা চিহ্নিত করা কি তাদের জন্য এতোই কষ্টের ছিল এতদিন? আজ পরিমাপে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন হল। সচেতন জনগণের প্রশ্ন এ পরিমাপের নেপথ্যে কোন অদৃশ্য শক্তি বা অনৈতিক কোন কারণ থাকতে পারে। গণমাধ্যম কর্মীদের ধারণা তাদের অব্যাহত লেখনিতে চাপে পড়া উভয় পক্ষ যেনতেনভাবে একটি পরিমাপ দেখিয়ে সাংবাদিকদের লেখনি বন্ধের অপকৌশলও হতে পারে এটি। উক্ত জায়গা উদ্ধারের নামে আইওয়াশ করে ভিন্ন স্থানে তিন শতক জায়গা বেদখল দেখিয়ে উক্ত নির্মাণ কোম্পানি যাতে নিরাপদে কাজ চালিয়ে যেতে পারে পেছনের দরজায় তার বন্দোবস্ত কিনা তা খতিয়ে দেখা জরুরি। বাজারের সচেতন ব্যবসায়ী ও জনগণ শতবছর ধরে পরিত্যক্ত বাজারের এ খাস জায়গাটি আজকের পরিমাপে কিভাবে ব্যক্তি মালিকানাধীন হল তা তারা বুঝে উঠতে পারছেন না। এ বিষয়ে পরিমাপে নেতৃত্ব দেয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল জাব্বারের সাথে কথা হলে তিনি জানান,তিনি অভিযোগ উঠা জায়গাটি এনালগ পদ্ধতিতে পরিমাপ করেছেন।এ জায়গার আশপাশে স্থাপনা ও রাস্তাঘাট পরিবর্তন হওয়ায় জায়গাটি সন্দেহাতীতভাবে ভাবে চিহ্নিত করতে পারছেন না। সেহেতু তিনি উপজেলা ভূমি অফিসে তড়িৎ রিপোর্ট পাঠিয়ে সরকারী সার্ভেয়ারের মাধ্যমে পুনঃ পরিমাপের ব্যবস্থা নেবেন। প্রসঙ্গত কক্সবাজারে ঈদগাঁও উপজেলার প্রধান কেন্দ্রস্থল ঈদগাঁও বাজার কবিরাজ সিটি সেন্টারের পশ্চিমে বাশু দে'র স্বত্তীয় জায়গায় চুক্তি ভিত্তিক জিনিয়াস এফজি নামের এক ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান বহূতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ শুরু করে। অভিযোগ উঠে ওই জায়গার দক্ষিণে থাকা তিন শতক খাস জায়গার উপর দীর্ঘ সময় ধরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সংবাদ পেয়ে ঈদগাঁও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার তাতে সাইনবোর্ড টাঙ্গাতে গেলে তাতে বাঁধা দেয়। পরে তিনি তাদের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করলে তা সামাল দিতে দৌড় ঝাঁপ শুরু করে জড়িতরা। কোটি টাকা মূল্যের এ খাস জায়গাটি উদ্ধারে স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে ।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×