হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সরকারের বর্তমান লক্ষ্য অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ১০ নভেম্বর – অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বর্তমান লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং একটি সুসংগঠিত অর্থনৈতিক সংস্কার কাঠামো নির্বাচিত সরকারের কাছে হস্তান্তর করা।

তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সম্পন্ন হওয়া কাজগুলো মূল্যায়ন করবো। অবশ্যই আমরা সবকিছু শেষ করে যেতে পারব না। কর কাঠামো পুনর্গঠন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন কমিশন পর্যালোচনা এবং ব্যাংকিং খাতকে শক্তিশালী করার মতো বড় সংস্কারগুলো চলমান থাকবে এবং পরবর্তী সরকার এগুলো এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন

তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় বিয়ে আর নয়: এনআইডি ও পাসপোর্ট সার্ভারে যুক্ত হচ্ছে বিয়ের তথ্য, আইনমন্ত্রী

রোববার (১০ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদ, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ এবং খাদ্য পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণ কমিটির তিনটি পৃথক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. সালেহউদ্দিন বলেন, সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার হাতে নিয়েছে এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের আগে অগ্রগতি মূল্যায়ন করছে।

তিনি বলেন, ‘নাগরিকদের কর পরিশোধে এখনও দুর্বলতা রয়েছে এবং বিভিন্ন কারণে রাজস্ব সংগ্রহেও প্রভাব পড়েছে। আমরা এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করছি।’

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে আইএমএফ তহবিল পাওয়া যাবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই প্রাসঙ্গিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এবং আগামী বছরের শুরুতে তাদের একটি পর্যালোচনা দল বাংলাদেশ সফর করবে।

উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের সময় আইএমএফ পুনরায় পর্যালোচনা করবে এবং তারপর কিস্তি ছাড়ের সিদ্ধান্ত নেবে। এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। টেকসই সংস্কারের জন্য একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক সরকার প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আইএমএফ বাংলাদেশের চলমান ঋণ কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা করছে এবং পরবর্তী কিস্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচনের পর গঠিত সরকার গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, ‘আইএমএফ স্বীকার করেছে যে, সরকার সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে। তাদের কিছু সুপারিশ রয়েছে, বিশেষ করে রাজস্ব আদায়ের বিষয়ে। আমরা একমত যে, কর রাজস্ব এখনো কম এবং এর জন্য কাঠামোগত কারণ রয়েছে।’

২০২৩ সালের জানুয়ারিতে অনুমোদিত ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের আইএমএফ ঋণ কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, রাজস্ব সংস্কার জোরদার করা এবং বৈশ্বিক চাপ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি। ইতোমধ্যে কয়েকটি কিস্তি ছাড় হয়েছে, তবে পরবর্তী কিস্তিগুলো নীতিগত অগ্রগতি ও কাঠামোগত সংস্কারের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

গত ২৩ জুন আইএমএফ চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তি হিসেবে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড় অনুমোদন করে, যার ফলে মোট ছাড় করা অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ১০ নভেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সরকারের বর্তমান লক্ষ্য অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সরকারের বর্তমান লক্ষ্য অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১০ নভেম্বর – অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বর্তমান লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং একটি সুসংগঠিত অর্থনৈতিক সংস্কার কাঠামো নির্বাচিত সরকারের কাছে হস্তান্তর করা।তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সম্পন্ন হওয়া কাজগুলো মূল্যায়ন করবো। অবশ্যই আমরা সবকিছু শেষ করে যেতে পারব না। কর কাঠামো পুনর্গঠন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন কমিশন পর্যালোচনা এবং ব্যাংকিং খাতকে শক্তিশালী করার মতো বড় সংস্কারগুলো চলমান থাকবে এবং পরবর্তী সরকার এগুলো এগিয়ে নিয়ে যাবে।’রোববার (১০ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদ, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ এবং খাদ্য পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণ কমিটির তিনটি পৃথক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।ড. সালেহউদ্দিন বলেন, সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার হাতে নিয়েছে এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের আগে অগ্রগতি মূল্যায়ন করছে।তিনি বলেন, ‘নাগরিকদের কর পরিশোধে এখনও দুর্বলতা রয়েছে এবং বিভিন্ন কারণে রাজস্ব সংগ্রহেও প্রভাব পড়েছে। আমরা এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করছি।’অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে আইএমএফ তহবিল পাওয়া যাবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই প্রাসঙ্গিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এবং আগামী বছরের শুরুতে তাদের একটি পর্যালোচনা দল বাংলাদেশ সফর করবে।উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের সময় আইএমএফ পুনরায় পর্যালোচনা করবে এবং তারপর কিস্তি ছাড়ের সিদ্ধান্ত নেবে। এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। টেকসই সংস্কারের জন্য একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক সরকার প্রয়োজন।তিনি বলেন, আইএমএফ বাংলাদেশের চলমান ঋণ কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা করছে এবং পরবর্তী কিস্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচনের পর গঠিত সরকার গ্রহণ করবে।তিনি বলেন, ‘আইএমএফ স্বীকার করেছে যে, সরকার সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে। তাদের কিছু সুপারিশ রয়েছে, বিশেষ করে রাজস্ব আদায়ের বিষয়ে। আমরা একমত যে, কর রাজস্ব এখনো কম এবং এর জন্য কাঠামোগত কারণ রয়েছে।’২০২৩ সালের জানুয়ারিতে অনুমোদিত ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের আইএমএফ ঋণ কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, রাজস্ব সংস্কার জোরদার করা এবং বৈশ্বিক চাপ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি। ইতোমধ্যে কয়েকটি কিস্তি ছাড় হয়েছে, তবে পরবর্তী কিস্তিগুলো নীতিগত অগ্রগতি ও কাঠামোগত সংস্কারের সঙ্গে সম্পৃক্ত।গত ২৩ জুন আইএমএফ চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তি হিসেবে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড় অনুমোদন করে, যার ফলে মোট ছাড় করা অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার।সূত্র: ঢাকা পোস্টএনএন/ ১০ নভেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×