হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সুদানে আরএসএফের ভয়াবহ ড্রোন হামলায় ৭৯ বেসামরিক নাগরিক নিহত

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন


খার্তুম, ০৬ ডিসেম্বর – সুদানের দক্ষিণ কর্দোফান প্রদেশে আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর চালানো এক ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত ৭৯ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৪৩ জনই শিশু এবং আহত হয়েছেন আরও ৩৮ জন।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে সুদান কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আরও পড়ুন

জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন

দক্ষিণ কর্দোফান রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার পশ্চিম সুদানের কালোগি শহরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে চারজন নারীও রয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, আরএসএফের ড্রোন থেকে মোট চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, যা একটি কিন্ডারগার্টেন (শিশু বিদ্যালয়), একটি হাসপাতাল এবং শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আঘাত হানে।

রাজ্য সরকার এই ঘটনাকে আরএসএফ-সমর্থিত সুদান পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট-নর্থ দ্বারা সংঘটিত একটি জঘন্য অপরাধ হিসেবে অভিহিত করেছে। প্রথমদিকে রাজ্য সরকার হামলায় ছয় শিশু ও একজন শিক্ষকসহ মোট আটজন নিহত হওয়ার খবর দিলেও পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৯ জনে পৌঁছায়।

দক্ষিণ কর্দোফান রাজ্য সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, আরএসএফকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করতে হবে এবং তাদের মিত্রদের এই অমানবিক অপরাধের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

সুদানের মোট ১৮টি রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের দারফুর অঞ্চলের পাঁচটি রাজ্যই বর্তমানে আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, কেবল উত্তর দারফুরের কিছু অংশ সেনাবাহিনী দখলে রেখেছে। অন্যদিকে দেশের দক্ষিণ, উত্তর, পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের বাকি ১৩টি রাজ্যের বেশিরভাগ এলাকা সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যার মধ্যে রাজধানী খার্তুমও অন্তর্ভুক্ত।

২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে সুদান সেনাবাহিনী ও আরএসএফ-এর মধ্যে শুরু হওয়া এই গৃহযুদ্ধ ইতোমধ্যে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুসারে, এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৪০ হাজার মানুষ এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
এনএন/ ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সুদানে আরএসএফের ভয়াবহ ড্রোন হামলায় ৭৯ বেসামরিক নাগরিক নিহত

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সুদানে আরএসএফের ভয়াবহ ড্রোন হামলায় ৭৯ বেসামরিক নাগরিক নিহত

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] খার্তুম, ০৬ ডিসেম্বর – সুদানের দক্ষিণ কর্দোফান প্রদেশে আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর চালানো এক ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত ৭৯ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৪৩ জনই শিশু এবং আহত হয়েছেন আরও ৩৮ জন।শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে সুদান কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।দক্ষিণ কর্দোফান রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার পশ্চিম সুদানের কালোগি শহরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে চারজন নারীও রয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, আরএসএফের ড্রোন থেকে মোট চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, যা একটি কিন্ডারগার্টেন (শিশু বিদ্যালয়), একটি হাসপাতাল এবং শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আঘাত হানে।রাজ্য সরকার এই ঘটনাকে আরএসএফ-সমর্থিত সুদান পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট-নর্থ দ্বারা সংঘটিত একটি জঘন্য অপরাধ হিসেবে অভিহিত করেছে। প্রথমদিকে রাজ্য সরকার হামলায় ছয় শিশু ও একজন শিক্ষকসহ মোট আটজন নিহত হওয়ার খবর দিলেও পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৯ জনে পৌঁছায়।দক্ষিণ কর্দোফান রাজ্য সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, আরএসএফকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করতে হবে এবং তাদের মিত্রদের এই অমানবিক অপরাধের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।সুদানের মোট ১৮টি রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের দারফুর অঞ্চলের পাঁচটি রাজ্যই বর্তমানে আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, কেবল উত্তর দারফুরের কিছু অংশ সেনাবাহিনী দখলে রেখেছে। অন্যদিকে দেশের দক্ষিণ, উত্তর, পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের বাকি ১৩টি রাজ্যের বেশিরভাগ এলাকা সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যার মধ্যে রাজধানী খার্তুমও অন্তর্ভুক্ত।২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে সুদান সেনাবাহিনী ও আরএসএফ-এর মধ্যে শুরু হওয়া এই গৃহযুদ্ধ ইতোমধ্যে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুসারে, এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৪০ হাজার মানুষ এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ।সূত্র: বাংলাদেশ জার্নালএনএন/ ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×