হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

গাজায় ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের পরিবারকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করছে ইসরায়েল

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন


জেরুজালেম, ২৯ ডিসেম্বর – গাজায় ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসনে ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইউনিয়ন। সংগঠনটির তথ্যমতে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের অন্তত ৭০৬ জন স্বজন নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইউনিয়নের ফ্রিডমস কমিটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাংবাদিকদের কণ্ঠ রুদ্ধ করতে ইসরায়েল পদ্ধতিগতভাবে তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। প্রতিবেদনে এই হত্যাকাণ্ডগুলোকে যুদ্ধের অনিচ্ছাকৃত ক্ষতি নয়, বরং সচেতন ও পরিকল্পিত কৌশল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি সহিংসতা এখন আরও বিপজ্জনক ও নির্মম রূপ নিয়েছে। সাংবাদিকদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী, সন্তান, বাবা-মা ও স্বজনদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, যেন সাংবাদিকতা নিজেই এক অস্তিত্ব সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ফ্রিডমস কমিটির প্রধান মুহাম্মদ আল-লাহহাম বলেন, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত হামলার ধরন স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে গাজায় স্বাধীন সাংবাদিকতা দমন করাই ইসরায়েলের উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, ক্যামেরা ও শিশুর মধ্যে, কলম ও ঘরের মধ্যে কোনো পার্থক্য না করে ইসরায়েল সত্যের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ চালাচ্ছে।

আল-লাহহাম আরও বলেন, সাংবাদিকদের পরিবারের রক্ত ফিলিস্তিনি কণ্ঠ স্তব্ধ করার চেষ্টার অপরাধের জীবন্ত সাক্ষ্য হয়ে থাকবে।

কমিটির ভাষ্য অনুযায়ী, সাংবাদিকতার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক থাকার কারণে শত শত শিশু, নারী ও বয়স্ক মানুষ নিহত হয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইনের চরম লঙ্ঘন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি হামলায় সাংবাদিকদের বাড়ি, আশ্রয়স্থল এবং সাংবাদিক ও তাদের স্বজনদের অবস্থান জানা এলাকাগুলো বারবার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। কোনো কোনো ঘটনায় পুরো পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, আর জীবিত সাংবাদিকদের সেই ধ্বংসের সাক্ষী হয়ে থাকতে হচ্ছে।

প্রতিবেদনে সাংবাদিকদের মানসিক বিপর্যয়ের কথাও তুলে ধরা হয়। সন্তান, জীবনসঙ্গী বা বাবা-মা হারানো সাংবাদিকরা গভীর মানসিক আঘাত, অপরাধবোধ ও পারিবারিক ভাঙনের মধ্যে পড়েছেন। অনেকেই এই সহিংসতার চাপে কাজ বন্ধ করতে বা এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ মাসে গাজায় প্রায় ৩০০ সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন। শিরিন ডট পিএস নামে একটি পর্যবেক্ষণ সাইটের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১২ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এই সাইটটির নামকরণ করা হয়েছে আল জাজিরার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহর নামে, যিনি ২০২২ সালে অধিকৃত পশ্চিম তীরে নিহত হন।

সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

গাজায় ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের পরিবারকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করছে ইসরায়েল

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

গাজায় ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের পরিবারকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করছে ইসরায়েল

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] জেরুজালেম, ২৯ ডিসেম্বর – গাজায় ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসনে ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইউনিয়ন। সংগঠনটির তথ্যমতে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের অন্তত ৭০৬ জন স্বজন নিহত হয়েছেন।শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইউনিয়নের ফ্রিডমস কমিটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাংবাদিকদের কণ্ঠ রুদ্ধ করতে ইসরায়েল পদ্ধতিগতভাবে তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। প্রতিবেদনে এই হত্যাকাণ্ডগুলোকে যুদ্ধের অনিচ্ছাকৃত ক্ষতি নয়, বরং সচেতন ও পরিকল্পিত কৌশল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি সহিংসতা এখন আরও বিপজ্জনক ও নির্মম রূপ নিয়েছে। সাংবাদিকদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী, সন্তান, বাবা-মা ও স্বজনদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, যেন সাংবাদিকতা নিজেই এক অস্তিত্ব সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।ফ্রিডমস কমিটির প্রধান মুহাম্মদ আল-লাহহাম বলেন, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত হামলার ধরন স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে গাজায় স্বাধীন সাংবাদিকতা দমন করাই ইসরায়েলের উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, ক্যামেরা ও শিশুর মধ্যে, কলম ও ঘরের মধ্যে কোনো পার্থক্য না করে ইসরায়েল সত্যের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ চালাচ্ছে।আল-লাহহাম আরও বলেন, সাংবাদিকদের পরিবারের রক্ত ফিলিস্তিনি কণ্ঠ স্তব্ধ করার চেষ্টার অপরাধের জীবন্ত সাক্ষ্য হয়ে থাকবে।কমিটির ভাষ্য অনুযায়ী, সাংবাদিকতার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক থাকার কারণে শত শত শিশু, নারী ও বয়স্ক মানুষ নিহত হয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইনের চরম লঙ্ঘন।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি হামলায় সাংবাদিকদের বাড়ি, আশ্রয়স্থল এবং সাংবাদিক ও তাদের স্বজনদের অবস্থান জানা এলাকাগুলো বারবার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। কোনো কোনো ঘটনায় পুরো পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, আর জীবিত সাংবাদিকদের সেই ধ্বংসের সাক্ষী হয়ে থাকতে হচ্ছে।প্রতিবেদনে সাংবাদিকদের মানসিক বিপর্যয়ের কথাও তুলে ধরা হয়। সন্তান, জীবনসঙ্গী বা বাবা-মা হারানো সাংবাদিকরা গভীর মানসিক আঘাত, অপরাধবোধ ও পারিবারিক ভাঙনের মধ্যে পড়েছেন। অনেকেই এই সহিংসতার চাপে কাজ বন্ধ করতে বা এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ মাসে গাজায় প্রায় ৩০০ সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন। শিরিন ডট পিএস নামে একটি পর্যবেক্ষণ সাইটের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১২ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এই সাইটটির নামকরণ করা হয়েছে আল জাজিরার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহর নামে, যিনি ২০২২ সালে অধিকৃত পশ্চিম তীরে নিহত হন।সূত্র: জাগো নিউজএনএন/ ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×