হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

আগামী নির্বাচন ভন্ডুলের আশঙ্কা, প্রতিহত করার আহ্বান ফেমার প্রেসিডেন্টের

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন


ঢাকা, ০৯ জানুয়ারি – নির্বাচন অবশ্যই অনুষ্ঠিত হতে হবে, নির্বাচন ঠেকিয়ে রাখা যাবে না—এমন মন্তব্য করেছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ফেমার প্রেসিডেন্ট মনিরা খান। তিনি বলেন, অনেকেই চায় ভালো ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হোক। এ কারণে আগামী নির্বাচন ভন্ডুল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যারা নির্বাচন ভন্ডুল করতে চায়, তাদের প্রতিহত করতে হবে।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখবে’ শীর্ষক ছায়া সংসদে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন

ইরান সংঘাত ও মার্কিন রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ: ট্রাম্প ও ওবামার মুখোমুখি অবস্থান

মনিরা খান বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা বড় চ্যালেঞ্জ। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি বলেন, থ্রি এম—মানি, মাসল ও ম্যানিপুলেশন—এই তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ রোধে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকার পাশাপাশি জনসচেতনতা জরুরি। অন্তর্বর্তী সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সাবেক দুই প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদা ও কাজী হাবিবুল আওয়াল সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ব্যর্থতার দায়ে পদত্যাগ করতে পারতেন। তারা শপথ ভঙ্গ করে প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন করেছেন। কেবল প্রতীক দেখে নয়, ইশতেহার ও প্রার্থীর যোগ্যতা বিবেচনা করেই ভোট দেওয়া উচিত। অন্যথায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে না, বরং ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়ার বিধানকে তিনি সংবিধানবিরোধী উল্লেখ করে এর পরিবর্তনের দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি বলেন, জুলাই সনদে পাঁচ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে সব দল সম্মত হলেও বাস্তবে কেউই তা মানেনি। জামায়াতে ইসলামীর একজন নারী প্রার্থীও মনোনয়ন না দেওয়ায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিকদের পরাজিত করে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, সাংবাদিক মাঈনুল আলম, মশিউর রহমান খান, জাকির হোসেন লিটন ও কাওসারা চৌধুরী কুমু। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর হাতে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

এনএন/ ০৯ জানুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

আগামী নির্বাচন ভন্ডুলের আশঙ্কা, প্রতিহত করার আহ্বান ফেমার প্রেসিডেন্টের

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

আগামী নির্বাচন ভন্ডুলের আশঙ্কা, প্রতিহত করার আহ্বান ফেমার প্রেসিডেন্টের

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ০৯ জানুয়ারি – নির্বাচন অবশ্যই অনুষ্ঠিত হতে হবে, নির্বাচন ঠেকিয়ে রাখা যাবে না—এমন মন্তব্য করেছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ফেমার প্রেসিডেন্ট মনিরা খান। তিনি বলেন, অনেকেই চায় ভালো ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হোক। এ কারণে আগামী নির্বাচন ভন্ডুল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যারা নির্বাচন ভন্ডুল করতে চায়, তাদের প্রতিহত করতে হবে।শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখবে’ শীর্ষক ছায়া সংসদে তিনি এসব কথা বলেন।মনিরা খান বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা বড় চ্যালেঞ্জ। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি বলেন, থ্রি এম—মানি, মাসল ও ম্যানিপুলেশন—এই তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ রোধে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকার পাশাপাশি জনসচেতনতা জরুরি। অন্তর্বর্তী সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।তিনি আরও বলেন, সাবেক দুই প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদা ও কাজী হাবিবুল আওয়াল সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ব্যর্থতার দায়ে পদত্যাগ করতে পারতেন। তারা শপথ ভঙ্গ করে প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন করেছেন। কেবল প্রতীক দেখে নয়, ইশতেহার ও প্রার্থীর যোগ্যতা বিবেচনা করেই ভোট দেওয়া উচিত। অন্যথায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে না, বরং ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে।স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়ার বিধানকে তিনি সংবিধানবিরোধী উল্লেখ করে এর পরিবর্তনের দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি বলেন, জুলাই সনদে পাঁচ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে সব দল সম্মত হলেও বাস্তবে কেউই তা মানেনি। জামায়াতে ইসলামীর একজন নারী প্রার্থীও মনোনয়ন না দেওয়ায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিকদের পরাজিত করে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, সাংবাদিক মাঈনুল আলম, মশিউর রহমান খান, জাকির হোসেন লিটন ও কাওসারা চৌধুরী কুমু। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর হাতে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।এনএন/ ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×