কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের মহেশখালী পাড়া উপকলে জেলেদের জালে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত ১০৬ মণ মাছ ধরা পড়েছে।
এসব মাছ প্রায় ৯ লাখ টাকায় বিক্রি হওয়ায় জেলেপাড়া ও উপকূলজুড়ে খুশির আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সমুদ্রসৈকত এলাকায় গোদারবিল এলাকার বাসিন্দা মৌলভী হাফেজ আহমদের মালিকানাধীন একটি টানা জালে মাছগুলো ধরা পড়ে।
সরেজমিনে দেখা যায়, জেলেদের জালে ফাইস্যা ও ছোট-বড় ছুরি মাছ আটকা পড়ে। সাগর থেকে তোলা মাছগুলো তাৎক্ষণিকভাবে পাইকারি ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয়। বিক্রি হওয়া মাছের একাংশ স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করা হলেও বড় অংশ পাঠানো হচ্ছে শুঁটকি মহালে।
জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ
এতে জালের মালিক, জেলে, নৌকার মাঝি ও মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমিকসহ উপকূল এলাকার বহু মানুষ লাভবান হচ্ছেন।
নৌকার মাঝি মো. ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন পর সাগরে ভালো মাছ পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, “আজ আমাদের জালে প্রায় ৯ লাখ টাকার মাছ উঠেছে। আমরা সবাই খুব খুশি।
জালের মালিক মৌলভী হাফেজ আহমদ জানান, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে সাগরে হঠাৎ করে মাছের আনাগোনা বেড়েছে।
তিনি বলেন, “আমার এক জালেই ১০৬ মণের বেশি মাছ ধরা পড়েছে।
টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম বলেন, ধরা পড়া মাছের বড় অংশই ছুরি মাছ। এই মাছ দিয়ে টেকনাফ এলাকায় ব্যাপক হারে শুঁটকি উৎপাদন করা হয়। শীত মৌসুমে ছুরি মাছের প্রজনন বৃদ্ধি পায় বলেও জানান তিনি।




মন্তব্য করুন