নিউ ইয়র্ক, ৩১ জানুয়ারি – সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বকেয়া বার্ষিক চাঁদা এবং বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে ‘মারাত্মক আর্থিক সংকটের’ মুখে পড়েছে জাতিসংঘ। এ সপ্তাহের শুরুতে সদস্য দেশগুলোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই সংকটের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
চিঠিতে গুতেরেস সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে জাতিসংঘের আর্থিক নিয়ম সংস্কারে সম্মত হতে অথবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গভাবে চাঁদা পরিশোধ করার আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন না পেলে সংস্থার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।
জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক জানান, চাঁদা পরিশোধের বিষয়টি এখন ‘এখনই নয়তো কখনোই নয়’—এই সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
যদিও মহাসচিব কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ করেননি, তবে বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোর অর্থায়ন কমানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তের কারণে এই সংকট আরও তীব্র হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন জাতিসংঘসহ ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে সরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে এবং ‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি নতুন উদ্যোগ চালু করেছে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, সদস্য দেশগুলোর জিডিপি ও অন্যান্য অর্থনৈতিক সূচকের ভিত্তিতে বার্ষিক চাঁদা নির্ধারণ করা হয়। সংস্থাটির মূল বাজেটের ২২ শতাংশ অর্থায়ন করে যুক্তরাষ্ট্র এবং প্রায় ২০ শতাংশ দেয় চীন। তবে ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বকেয়া চাঁদার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে রেকর্ড ১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলারে।
এনএন/ ৩১ জানুয়ারি ২০২৬




মন্তব্য করুন