হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ মাসে মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ৫ ফেব্রুয়ারি – অন্তর্বর্তী সরকারের গত ১৭ মাসের শাসনামলে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে ছিল বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সহায়তা সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি বা এইচআরএসএস। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এই সময়ে রাজনৈতিক সংঘাত, মব ভায়োলেন্স, সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের মতো ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী মানবাধিকার পরিস্থিতি ও প্রাক নির্বাচনী সহিংসতা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম।

আরও পড়ুন

জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন

সংবাদ সম্মেলনে বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন বলেন, মব ভায়োলেন্স এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছিল যেখানে রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলো যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। মব বা উচ্ছৃঙ্খল জনতা বিভিন্ন অফিস ও স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে এই সময়ে কিছু অদৃশ্য শক্তির উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে, যার ফলে গণ অভ্যুত্থানের মূল চরিত্র ও আদর্শ কিছুটা ম্লান হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার উন্নয়নে কিছু উদ্যোগ নিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট ছিল না। মব ভায়োলেন্স নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার কারণে জনমনে নিরাপত্তা ও মানবিক মর্যাদা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

এইচআরএসএসের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ১৭ মাসে দেশে ১ হাজার ৪১১টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় অন্তত ১৯৫ জন নিহত এবং ১১ হাজার ২১৯ জন আহত হয়েছেন। এসব ঘটনার পেছনে আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক প্রতিশোধ, নির্বাচনকেন্দ্রিক সংঘাত এবং চাঁদাবাজি প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। একই সময়ে সন্ত্রাসী হামলার ২৩৬টি ঘটনায় ১৫৬ জন নিহত এবং ২৪৯ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া গুলিবর্ষণের ঘটনায় তিন শতাধিক মানুষ আহত হন এবং শতাধিক রাজনৈতিক কার্যালয় ও ১৩০টির বেশি বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

এনএন/ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ মাসে মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ মাসে মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ৫ ফেব্রুয়ারি – অন্তর্বর্তী সরকারের গত ১৭ মাসের শাসনামলে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে ছিল বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সহায়তা সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি বা এইচআরএসএস। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এই সময়ে রাজনৈতিক সংঘাত, মব ভায়োলেন্স, সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের মতো ঘটনা ঘটেছে।বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী মানবাধিকার পরিস্থিতি ও প্রাক নির্বাচনী সহিংসতা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম।সংবাদ সম্মেলনে বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন বলেন, মব ভায়োলেন্স এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছিল যেখানে রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলো যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। মব বা উচ্ছৃঙ্খল জনতা বিভিন্ন অফিস ও স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে এই সময়ে কিছু অদৃশ্য শক্তির উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে, যার ফলে গণ অভ্যুত্থানের মূল চরিত্র ও আদর্শ কিছুটা ম্লান হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার উন্নয়নে কিছু উদ্যোগ নিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট ছিল না। মব ভায়োলেন্স নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার কারণে জনমনে নিরাপত্তা ও মানবিক মর্যাদা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।এইচআরএসএসের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ১৭ মাসে দেশে ১ হাজার ৪১১টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় অন্তত ১৯৫ জন নিহত এবং ১১ হাজার ২১৯ জন আহত হয়েছেন। এসব ঘটনার পেছনে আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক প্রতিশোধ, নির্বাচনকেন্দ্রিক সংঘাত এবং চাঁদাবাজি প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। একই সময়ে সন্ত্রাসী হামলার ২৩৬টি ঘটনায় ১৫৬ জন নিহত এবং ২৪৯ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া গুলিবর্ষণের ঘটনায় তিন শতাধিক মানুষ আহত হন এবং শতাধিক রাজনৈতিক কার্যালয় ও ১৩০টির বেশি বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।এনএন/ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×