হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কাজা রোজা ভেঙে ফেললে কী করণীয়, জানুন বিধান

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন


রমজানের রোজা ফরজ। শরীয়তসম্মত কোনো ওজর বা অপারগতা ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভাঙলে তা একটি মৌলিক ফরজ লঙ্ঘনের শামিল এবং ইসলামের ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো কাজ হিসেবে গণ্য হয়। কেউ যদি কোনো কারণ ছাড়াই রোজা ভেঙে ফেলে, তাহলে পরে সেই রোজার কাজা আদায় করার পাশাপাশি কাফফারার বিধান রয়েছে। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভেঙে ফেলার পর কেউ যত রোজাই রাখুক না কেন, ওই একটি রোজার প্রকৃত ক্ষতিপূরণ আদায় করা সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো ওজর বা অসুস্থতা ছাড়া রমজানের একটি রোজা ছেড়ে দেয়— সে যদি তার পরিবর্তে সারাজীবন রোজা রাখে, তবুও ওই একটি রোজার ক্ষতিপূরণ হবে না।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৭২৩)

আরও পড়ুন

জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন

তবে অসুস্থ অবস্থায় কিংবা সফরের সময় রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। একইভাবে নারীদের ঋতুস্রাব ও সন্তান প্রসবের পরবর্তী স্রাবের সময় রোজা রাখা নিষিদ্ধ। এসব ক্ষেত্রে রোজা না রাখলেও পরে নির্ধারিত দিনগুলোর কাজা আদায় করা বাধ্যতামূলক।

এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নির্দিষ্ট কয়েক দিন, অর্থাৎ রমজান মাসে, রোজা রাখা ফরজ। তবে তোমাদের কেউ যদি অসুস্থ হয় বা সফরে থাকে, তাহলে সে অন্য সময়ে ছুটে যাওয়া রোজাগুলো পূরণ করে নেবে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৪)

সাধারণভাবে যত দ্রুত সম্ভব কাজা রোজা আদায় করে নেওয়াই উত্তম। যদি কেউ রমজানের রোজার পরিবর্তে রাখা কাজা রোজার দিন সেই কাজা রোজা ভেঙে ফেলে, তাহলে ওই দিনের রোজার কাজা আবার আদায় করা তার ওপর আবশ্যক হবে। আর কোনো বৈধ ওজর ছাড়া যদি কাজা রোজা ভেঙে ফেলা হয়, তাহলে কাজা আদায়ের পাশাপাশি এ গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করাও জরুরি।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

কাজা রোজা ভেঙে ফেললে কী করণীয়, জানুন বিধান

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কাজা রোজা ভেঙে ফেললে কী করণীয়, জানুন বিধান

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] রমজানের রোজা ফরজ। শরীয়তসম্মত কোনো ওজর বা অপারগতা ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভাঙলে তা একটি মৌলিক ফরজ লঙ্ঘনের শামিল এবং ইসলামের ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো কাজ হিসেবে গণ্য হয়। কেউ যদি কোনো কারণ ছাড়াই রোজা ভেঙে ফেলে, তাহলে পরে সেই রোজার কাজা আদায় করার পাশাপাশি কাফফারার বিধান রয়েছে। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভেঙে ফেলার পর কেউ যত রোজাই রাখুক না কেন, ওই একটি রোজার প্রকৃত ক্ষতিপূরণ আদায় করা সম্ভব নয়।এ বিষয়ে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো ওজর বা অসুস্থতা ছাড়া রমজানের একটি রোজা ছেড়ে দেয়— সে যদি তার পরিবর্তে সারাজীবন রোজা রাখে, তবুও ওই একটি রোজার ক্ষতিপূরণ হবে না।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৭২৩)তবে অসুস্থ অবস্থায় কিংবা সফরের সময় রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। একইভাবে নারীদের ঋতুস্রাব ও সন্তান প্রসবের পরবর্তী স্রাবের সময় রোজা রাখা নিষিদ্ধ। এসব ক্ষেত্রে রোজা না রাখলেও পরে নির্ধারিত দিনগুলোর কাজা আদায় করা বাধ্যতামূলক।এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নির্দিষ্ট কয়েক দিন, অর্থাৎ রমজান মাসে, রোজা রাখা ফরজ। তবে তোমাদের কেউ যদি অসুস্থ হয় বা সফরে থাকে, তাহলে সে অন্য সময়ে ছুটে যাওয়া রোজাগুলো পূরণ করে নেবে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৪)সাধারণভাবে যত দ্রুত সম্ভব কাজা রোজা আদায় করে নেওয়াই উত্তম। যদি কেউ রমজানের রোজার পরিবর্তে রাখা কাজা রোজার দিন সেই কাজা রোজা ভেঙে ফেলে, তাহলে ওই দিনের রোজার কাজা আবার আদায় করা তার ওপর আবশ্যক হবে। আর কোনো বৈধ ওজর ছাড়া যদি কাজা রোজা ভেঙে ফেলা হয়, তাহলে কাজা আদায়ের পাশাপাশি এ গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করাও জরুরি। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×