হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

দিনাজপুরে তুলা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা, কম খরচে মিলছে ভালো মুনাফা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন


দিনাজপুর, ১৬ ফেব্রুয়ারি – দিনাজপুরের মাঠে মাঠে এখন শোভা পাচ্ছে ধবধবে সাদা তুলা। সবুজ পাতার বুকে তুষারশুভ্র এ ফসলের হাসিতে এই অঞ্চলে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে তুলা চাষ। অন্যান্য ফসলের তুলনায় উৎপাদন খরচ কম এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি কম থাকায় স্থানীয় কৃষকরা এই অর্থকরী ফসল চাষে ক্রমেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন। বাজারে তুলার ভালো দাম পাওয়ায় চাষিদের আগ্রহ বাড়ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারি ঋণ সহায়তা, উন্নতমানের বীজ ও আধুনিক প্রযুক্তিগত সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে দেশে তুলার উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানিনির্ভরতা কমানো সম্ভব। বর্তমানে দেশের মোট চাহিদার মাত্র ১০ ভাগ তুলা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়, বাকি ৯০ ভাগই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। দিনাজপুর আঞ্চলিক তুলা গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও বীজবর্ধনকেন্দ্রের তথ্যমতে, সদর উপজেলাসহ জেলার ৭টি উপজেলায় বর্তমানে তুলা চাষ হচ্ছে। তুলা উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে এই খামারে চুক্তিবদ্ধ চাষিদের মাধ্যমে মানসম্পন্ন তুলাবীজ উৎপাদন ও সরবরাহ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

এক একর জমিতে তুলা চাষে খরচ হয় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। প্রতি হেক্টর জমিতে ফলন পাওয়া যায় প্রায় ১.৬ টন। কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ শাহানা ইয়াসমিন জানান, বেলে-দোআঁশ মাটি তুলা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে লাভজনক এই ফসলটি ঘরে তুলতে সময় লাগে প্রায় ৬ মাস। তুলা উন্নয়ন বোর্ডের উপপরিচালক জাফর আলী জানান, ১৯৭২ সালে তুলা উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হওয়ার পর থেকে চাষিদের বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে জেলার ২০৫ হেক্টর জমিতে তুলার আবাদ হচ্ছে। সরকার সহজ শর্তে ঋণ ও কৃষি উপকরণ সরবরাহ বাড়ালে এই খাত জাতীয় অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এস এম/ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

দিনাজপুরে তুলা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা, কম খরচে মিলছে ভালো মুনাফা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

দিনাজপুরে তুলা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা, কম খরচে মিলছে ভালো মুনাফা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] দিনাজপুর, ১৬ ফেব্রুয়ারি – দিনাজপুরের মাঠে মাঠে এখন শোভা পাচ্ছে ধবধবে সাদা তুলা। সবুজ পাতার বুকে তুষারশুভ্র এ ফসলের হাসিতে এই অঞ্চলে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে তুলা চাষ। অন্যান্য ফসলের তুলনায় উৎপাদন খরচ কম এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি কম থাকায় স্থানীয় কৃষকরা এই অর্থকরী ফসল চাষে ক্রমেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন। বাজারে তুলার ভালো দাম পাওয়ায় চাষিদের আগ্রহ বাড়ছে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারি ঋণ সহায়তা, উন্নতমানের বীজ ও আধুনিক প্রযুক্তিগত সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে দেশে তুলার উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানিনির্ভরতা কমানো সম্ভব। বর্তমানে দেশের মোট চাহিদার মাত্র ১০ ভাগ তুলা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়, বাকি ৯০ ভাগই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। দিনাজপুর আঞ্চলিক তুলা গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও বীজবর্ধনকেন্দ্রের তথ্যমতে, সদর উপজেলাসহ জেলার ৭টি উপজেলায় বর্তমানে তুলা চাষ হচ্ছে। তুলা উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে এই খামারে চুক্তিবদ্ধ চাষিদের মাধ্যমে মানসম্পন্ন তুলাবীজ উৎপাদন ও সরবরাহ করা হচ্ছে।এক একর জমিতে তুলা চাষে খরচ হয় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। প্রতি হেক্টর জমিতে ফলন পাওয়া যায় প্রায় ১.৬ টন। কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ শাহানা ইয়াসমিন জানান, বেলে-দোআঁশ মাটি তুলা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে লাভজনক এই ফসলটি ঘরে তুলতে সময় লাগে প্রায় ৬ মাস। তুলা উন্নয়ন বোর্ডের উপপরিচালক জাফর আলী জানান, ১৯৭২ সালে তুলা উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হওয়ার পর থেকে চাষিদের বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে জেলার ২০৫ হেক্টর জমিতে তুলার আবাদ হচ্ছে। সরকার সহজ শর্তে ঋণ ও কৃষি উপকরণ সরবরাহ বাড়ালে এই খাত জাতীয় অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এস এম/ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×