হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

যুদ্ধের আগেই হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ১২ জাহাজের নোঙর

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন


ওয়াশিংটন, ৭ মার্চ – যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতির আগেই মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর পাড়ি দিয়ে ১২টি বাণিজ্যিক জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে নিরাপদে পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই রুটে থাকা বাকি তিনটি জাহাজও চলতি সপ্তাহের মধ্যে বন্দরে এসে পৌঁছাবে। আগত জাহাজগুলোর মধ্যে চারটিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং দুটিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) রয়েছে।

এছাড়া বাকি নয়টি জাহাজে সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল বা ক্লিংকার বহন করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ইরান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালি বাংলাদেশের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক পরিচালক খায়রুল আলম সুজন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার আশঙ্কায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার আগেই এই জাহাজগুলো রওনা হয়েছিল, যার ফলে সেগুলো নির্বিঘ্নে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

বর্তমানে কয়েকটি জাহাজ পথে রয়েছে এবং দু-একটি জাহাজ হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি অবস্থানে আছে। তিনি আরও জানান, সরকার, শিপিং লাইন এবং ব্যবসায়ীরা যুদ্ধ পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন। প্রণালিতে বড় কোনো হুমকি না থাকলে জাহাজ চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। বন্দর সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, কাতার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামের দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে বন্দরে ভিড়েছে।

পাশাপাশি এলপিজি বহনকারী ‘সেভান’ নামের জাহাজটির রবিবার পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এছাড়া ‘আল গালায়েল’ ও ‘লুসাইল’ নামের আরও দুটি জাহাজ যথাক্রমে বুধবার ও সোমবার বন্দরের জলসীমায় প্রবেশ করবে। সব মিলিয়ে এই চারটি জাহাজে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি রয়েছে। অপরদিকে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল ক্লিংকার, জিপসাম, চুনাপাথর ও পাথর নিয়ে আরও কয়েকটি জাহাজ বন্দরে এসেছে, যেগুলোতে প্রায় ৫ লাখ ১৫ হাজার টন কাঁচামাল রয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে, যার একটি বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে জ্বালানি পণ্য।

এস এম/ ৭ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

যুদ্ধের আগেই হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ১২ জাহাজের নোঙর

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

যুদ্ধের আগেই হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ১২ জাহাজের নোঙর

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ওয়াশিংটন, ৭ মার্চ – যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতির আগেই মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর পাড়ি দিয়ে ১২টি বাণিজ্যিক জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে নিরাপদে পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই রুটে থাকা বাকি তিনটি জাহাজও চলতি সপ্তাহের মধ্যে বন্দরে এসে পৌঁছাবে। আগত জাহাজগুলোর মধ্যে চারটিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং দুটিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) রয়েছে।এছাড়া বাকি নয়টি জাহাজে সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল বা ক্লিংকার বহন করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ইরান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালি বাংলাদেশের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক পরিচালক খায়রুল আলম সুজন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার আশঙ্কায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার আগেই এই জাহাজগুলো রওনা হয়েছিল, যার ফলে সেগুলো নির্বিঘ্নে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।বর্তমানে কয়েকটি জাহাজ পথে রয়েছে এবং দু-একটি জাহাজ হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি অবস্থানে আছে। তিনি আরও জানান, সরকার, শিপিং লাইন এবং ব্যবসায়ীরা যুদ্ধ পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন। প্রণালিতে বড় কোনো হুমকি না থাকলে জাহাজ চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। বন্দর সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, কাতার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামের দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে বন্দরে ভিড়েছে।পাশাপাশি এলপিজি বহনকারী ‘সেভান’ নামের জাহাজটির রবিবার পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এছাড়া ‘আল গালায়েল’ ও ‘লুসাইল’ নামের আরও দুটি জাহাজ যথাক্রমে বুধবার ও সোমবার বন্দরের জলসীমায় প্রবেশ করবে। সব মিলিয়ে এই চারটি জাহাজে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি রয়েছে। অপরদিকে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল ক্লিংকার, জিপসাম, চুনাপাথর ও পাথর নিয়ে আরও কয়েকটি জাহাজ বন্দরে এসেছে, যেগুলোতে প্রায় ৫ লাখ ১৫ হাজার টন কাঁচামাল রয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে, যার একটি বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে জ্বালানি পণ্য।এস এম/ ৭ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×