হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

জ্বালানি তেলের রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহার করল সরকার

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১৫ মার্চ – পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে জ্বালানি তেল বিক্রির ক্ষেত্রে চলমান রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব ফিলিং স্টেশনে গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ এবং বিক্রি করা যাবে। সকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই ঘোষণা দিয়েছেন। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইরান ও ইসরাইল সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা সংকট তৈরি হয়েছিল।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করে। তবে ইতিমধ্যে আমদানি করা কয়েকটি জ্বালানি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের সেচ কার্যক্রম সচল রাখতে জ্বালানি তেল বিতরণের ক্ষেত্রে রেশনিংসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে দেশের সব বিতরণ পয়েন্টে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন

বায়ুদূষণের শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার অবস্থান ৩ নম্বরে: বাতাসে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি

জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত বৃদ্ধি পায়। একই সময়ে বোরো ধানের মৌসুমে সেচের জন্য ডিজেলের ব্যাপক চাহিদা থাকে। সার্বিক দিক বিবেচনায় নিয়েই আপাতত রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনে পরবর্তীতে নতুন নির্দেশনা জারি করা হতে পারে। উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে গত ৬ মার্চ থেকে দেশে জ্বালানি তেল বিক্রিতে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল।

সেই সময় মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক দুই লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি যান ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের জন্য দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে সীমা দুই লিটার থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লিটার করা হয় এবং সামগ্রিক রেশনিং ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামানো হয়েছিল।

তবে ঈদকে সামনে রেখে বর্তমানে সেই সীমাবদ্ধতা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হলো। রেশনিং ব্যবস্থার কারণে গত কয়েক দিনে অনেক এলাকায় ফিলিং স্টেশনে গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছিল এবং কিছু জেলায় সরবরাহ সংকটের কারণে সাময়িকভাবে তেল উত্তোলন বন্ধ ছিল। ফলে পরিবহন খাত ও সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে জনমনে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

জ্বালানি তেলের রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহার করল সরকার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

জ্বালানি তেলের রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহার করল সরকার

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৫ মার্চ – পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে জ্বালানি তেল বিক্রির ক্ষেত্রে চলমান রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব ফিলিং স্টেশনে গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ এবং বিক্রি করা যাবে। সকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই ঘোষণা দিয়েছেন। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইরান ও ইসরাইল সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা সংকট তৈরি হয়েছিল।পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করে। তবে ইতিমধ্যে আমদানি করা কয়েকটি জ্বালানি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের সেচ কার্যক্রম সচল রাখতে জ্বালানি তেল বিতরণের ক্ষেত্রে রেশনিংসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে দেশের সব বিতরণ পয়েন্টে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে।জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত বৃদ্ধি পায়। একই সময়ে বোরো ধানের মৌসুমে সেচের জন্য ডিজেলের ব্যাপক চাহিদা থাকে। সার্বিক দিক বিবেচনায় নিয়েই আপাতত রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনে পরবর্তীতে নতুন নির্দেশনা জারি করা হতে পারে। উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে গত ৬ মার্চ থেকে দেশে জ্বালানি তেল বিক্রিতে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল।সেই সময় মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক দুই লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি যান ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের জন্য দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে সীমা দুই লিটার থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লিটার করা হয় এবং সামগ্রিক রেশনিং ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামানো হয়েছিল।তবে ঈদকে সামনে রেখে বর্তমানে সেই সীমাবদ্ধতা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হলো। রেশনিং ব্যবস্থার কারণে গত কয়েক দিনে অনেক এলাকায় ফিলিং স্টেশনে গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছিল এবং কিছু জেলায় সরবরাহ সংকটের কারণে সাময়িকভাবে তেল উত্তোলন বন্ধ ছিল। ফলে পরিবহন খাত ও সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে জনমনে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×