হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের প্রত্যাশা পূরণে ঘাটতি, দীর্ঘায়িত হচ্ছে সংঘাত

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন


তেহরান, ১৬ মার্চ – যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের বিপরীতে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলছে ইরান। ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে দেশটি।

মার্কিন ও ইসরায়েলি প্রশাসনের ধারণা ছিল খুব সহজেই ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানো সম্ভব হবে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে। এই যুদ্ধে ইরানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকেও চরম মূল্য চোকাতে হচ্ছে। প্রতিদিন যুদ্ধব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় উভয় দেশের সরকারই অর্থনৈতিক চাপে পড়েছে।

আরও পড়ুন

৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা

এর মধ্যে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা গেছে যে ইরানে হামলার বিষয়ে তাদের পূর্ববর্তী হিসেবে বড় ধরনের ভুল ছিল।

সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মিররের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের শুরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সফল হলেও সামগ্রিক অগ্রগতি কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধের লক্ষ্যমাত্রাগুলো নতুন করে পর্যালোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা। ইসরায়েলি সূত্রমতে, এই যুদ্ধের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি।

ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের মূল্যায়নে বলা হয়েছিল যে যুদ্ধের সময় ইরানের সাধারণ মানুষ ব্যাপক মাত্রায় সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করবে। কিন্তু বাস্তবে এমন কোনো দৃশ্য দেখা যায়নি। এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য একটি বড় ধাক্কা। তবে সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রাথমিক মূল্যায়নে ভুল হলেও ইরানের বিষয়ে আরও কিছু যৌথ পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে এই দুই দেশ। তারা আশা করছে, এই নতুন পদক্ষেপগুলো আগামী দিনে যুদ্ধের গতিপথ বদলে দিতে পারে।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ চলে। কোনো চুক্তি ছাড়াই সেই সংলাপ শেষ হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে অপারেশন এপিক ফিউরি শুরু করে মার্কিন সামরিক বাহিনী। একই সময়ে অপারেশন রোয়ারিং লায়ন নামে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলও। এই যৌথ সামরিক অভিযানের প্রথম ধাক্কাতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারসহ সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কয়েকজন কমান্ডার নিহত হন।

এর জবাবে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে ইরান। এই পাল্টা হামলায় বিশ্ববাজার এবং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

১৭ দিন ধরে চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতে এখন পর্যন্ত ইরানে এক হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্য এক ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

এনএন/ ১৬ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের প্রত্যাশা পূরণে ঘাটতি, দীর্ঘায়িত হচ্ছে সংঘাত

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের প্রত্যাশা পূরণে ঘাটতি, দীর্ঘায়িত হচ্ছে সংঘাত

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] তেহরান, ১৬ মার্চ – যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের বিপরীতে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলছে ইরান। ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে দেশটি।মার্কিন ও ইসরায়েলি প্রশাসনের ধারণা ছিল খুব সহজেই ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানো সম্ভব হবে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে। এই যুদ্ধে ইরানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকেও চরম মূল্য চোকাতে হচ্ছে। প্রতিদিন যুদ্ধব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় উভয় দেশের সরকারই অর্থনৈতিক চাপে পড়েছে।এর মধ্যে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা গেছে যে ইরানে হামলার বিষয়ে তাদের পূর্ববর্তী হিসেবে বড় ধরনের ভুল ছিল।সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মিররের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের শুরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সফল হলেও সামগ্রিক অগ্রগতি কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধের লক্ষ্যমাত্রাগুলো নতুন করে পর্যালোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা। ইসরায়েলি সূত্রমতে, এই যুদ্ধের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি।ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের মূল্যায়নে বলা হয়েছিল যে যুদ্ধের সময় ইরানের সাধারণ মানুষ ব্যাপক মাত্রায় সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করবে। কিন্তু বাস্তবে এমন কোনো দৃশ্য দেখা যায়নি। এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য একটি বড় ধাক্কা। তবে সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রাথমিক মূল্যায়নে ভুল হলেও ইরানের বিষয়ে আরও কিছু যৌথ পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে এই দুই দেশ। তারা আশা করছে, এই নতুন পদক্ষেপগুলো আগামী দিনে যুদ্ধের গতিপথ বদলে দিতে পারে।উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ চলে। কোনো চুক্তি ছাড়াই সেই সংলাপ শেষ হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে অপারেশন এপিক ফিউরি শুরু করে মার্কিন সামরিক বাহিনী। একই সময়ে অপারেশন রোয়ারিং লায়ন নামে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলও। এই যৌথ সামরিক অভিযানের প্রথম ধাক্কাতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারসহ সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কয়েকজন কমান্ডার নিহত হন।এর জবাবে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে ইরান। এই পাল্টা হামলায় বিশ্ববাজার এবং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।১৭ দিন ধরে চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতে এখন পর্যন্ত ইরানে এক হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্য এক ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।এনএন/ ১৬ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×