হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বহুমুখী সংকট, দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন




ঢাকা, ৮ এপ্রিল – টানা তিন বছর ধরে মন্থর প্রবৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে বাংলাদেশের অর্থনীতি গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতজনিত বৈশ্বিক প্রতিকূলতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই অবস্থায় সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে অবিলম্বে সুদূরপ্রসারী সংস্কারের তাগিদ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বুধবার আগারগাঁওয়ে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট শীর্ষক প্রতিবেদনে দেশের অর্থনীতির এই উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব বজায় রাখতে চায় জার্মানি

প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে যে, ২০২৫ থেকে ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৯ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। প্রবৃদ্ধি টেকসই করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংকের মতে, বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে বহুমুখী সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় দারিদ্র্যের হার ২০২২ সালের ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ২১ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে নতুন করে আরও ১৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে।

চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫ শতাংশে অবস্থান করছে। খাদ্য ও অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ায় নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে গেছে। অন্যদিকে রাজস্ব আদায়েও বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে। জ্বালানি ভর্তুকি বৃদ্ধি, উচ্চ আমদানি ব্যয় এবং রপ্তানি ও রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কম থাকায় এই ধাক্কা সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

সংকট উত্তরণের বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান অঞ্চলের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসম বলেন, স্থিতিশীলতা বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির মূল ভিত্তি। তবে রাজস্ব আহরণ এবং আর্থিক খাতে সুদূরপ্রসারী সংস্কার ছাড়া এই স্থিতিশীলতা স্থায়ী হতে পারে না। আগামী নির্বাচনের পর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং কাঠামোগত সংস্কারের দ্রুত অগ্রগতি অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের সাউথ এশিয়া ইকোনমিক আপডেট অনুযায়ী, বৈশ্বিক অস্থিরতায় পুরো দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি ২০২৬ সালে ৬ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইয়োহানেস জুট এবং প্রধান অর্থনীতিবিদ ফ্রানজিস্কা ওনসোর্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগ বাড়াতে বাজারভিত্তিক সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বহুমুখী সংকট, দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বহুমুখী সংকট, দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ৮ এপ্রিল – টানা তিন বছর ধরে মন্থর প্রবৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে বাংলাদেশের অর্থনীতি গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতজনিত বৈশ্বিক প্রতিকূলতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই অবস্থায় সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে অবিলম্বে সুদূরপ্রসারী সংস্কারের তাগিদ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।বুধবার আগারগাঁওয়ে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট শীর্ষক প্রতিবেদনে দেশের অর্থনীতির এই উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে যে, ২০২৫ থেকে ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৯ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। প্রবৃদ্ধি টেকসই করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।বিশ্বব্যাংকের মতে, বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে বহুমুখী সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় দারিদ্র্যের হার ২০২২ সালের ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ২১ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে নতুন করে আরও ১৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে।চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫ শতাংশে অবস্থান করছে। খাদ্য ও অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ায় নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে গেছে। অন্যদিকে রাজস্ব আদায়েও বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে। জ্বালানি ভর্তুকি বৃদ্ধি, উচ্চ আমদানি ব্যয় এবং রপ্তানি ও রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কম থাকায় এই ধাক্কা সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।সংকট উত্তরণের বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান অঞ্চলের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসম বলেন, স্থিতিশীলতা বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির মূল ভিত্তি। তবে রাজস্ব আহরণ এবং আর্থিক খাতে সুদূরপ্রসারী সংস্কার ছাড়া এই স্থিতিশীলতা স্থায়ী হতে পারে না। আগামী নির্বাচনের পর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং কাঠামোগত সংস্কারের দ্রুত অগ্রগতি অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।বিশ্বব্যাংকের সাউথ এশিয়া ইকোনমিক আপডেট অনুযায়ী, বৈশ্বিক অস্থিরতায় পুরো দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি ২০২৬ সালে ৬ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে।বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইয়োহানেস জুট এবং প্রধান অর্থনীতিবিদ ফ্রানজিস্কা ওনসোর্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগ বাড়াতে বাজারভিত্তিক সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×