হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মায়ানমারে পাচারের সময় রামুতে ১০০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের রামুতে মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় ১০০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ দুই পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) মধ্যরাতে মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে বিজিবি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে মিনি ট্রাকসহ এই সারের চালান জব্দ করা হয়।

আটককৃতরা হলেন— মিনি ট্রাকের চালক বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাচুড়ি গ্রামের রফিক আলমের ছেলে মো. সৈয়দ করিম (২৮) এবং চালকের সহযোগী উখিয়ার পশ্চিম পালংখালী গ্রামের সৈয়দ কাশেমের ছেলে মো. জাহেদ (২৫)।

বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, একটি মিনি ট্রাকে করে ইউরিয়া সারের একটি বড় চালান রামু থেকে কুতুপালং হয়ে মায়ানমারে পাচার করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় বিয়ে আর নয়: এনআইডি ও পাসপোর্ট সার্ভারে যুক্ত হচ্ছে বিয়ের তথ্য, আইনমন্ত্রী

এই সংবাদের ভিত্তিতে মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে একটি বিশেষ অবস্থান নেওয়া হয়। একই সাথে বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রামু ও উখিয়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তাদেরও সেখানে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ করা হয়।

পরবর্তীতে বিজিবি ও কৃষি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সন্দেহভাজন মিনি ট্রাকটি থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। এ সময় চালক ও তার সহযোগীর কাছে সারের বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হলে তারা কোনো বৈধ নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। পরে সকাল ৯টার দিকে ট্রাকটিতে তল্লাশি চালিয়ে আনুমানিক ২ লাখ টাকা মূল্যের ১০০ বস্তা ইউরিয়া সার উদ্ধার করা হয়।

বিজিবির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে, তারা এই ইউরিয়া সারগুলো কুতুপালং বাজারে মজুত করার জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। পরবর্তীতে সুবিধাজনক সময়ে সীমান্ত দিয়ে এগুলো মায়ানমারে পাচার করার পরিকল্পনা ছিল তাদের।

রামু ব্যাটালিয়নের (৩০ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ জানান, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ কৃষি সম্পদ পাচার রোধে বিজিবি সর্বদা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

মায়ানমারে পাচারের সময় রামুতে ১০০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ আটক ২

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মায়ানমারে পাচারের সময় রামুতে ১০০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ আটক ২

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের রামুতে মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় ১০০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ দুই পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। মঙ্গলবার (৩০ জুন) মধ্যরাতে মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে বিজিবি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে মিনি ট্রাকসহ এই সারের চালান জব্দ করা হয়। আটককৃতরা হলেন— মিনি ট্রাকের চালক বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাচুড়ি গ্রামের রফিক আলমের ছেলে মো. সৈয়দ করিম (২৮) এবং চালকের সহযোগী উখিয়ার পশ্চিম পালংখালী গ্রামের সৈয়দ কাশেমের ছেলে মো. জাহেদ (২৫)। বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, একটি মিনি ট্রাকে করে ইউরিয়া সারের একটি বড় চালান রামু থেকে কুতুপালং হয়ে মায়ানমারে পাচার করা হচ্ছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে একটি বিশেষ অবস্থান নেওয়া হয়। একই সাথে বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রামু ও উখিয়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তাদেরও সেখানে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ করা হয়। পরবর্তীতে বিজিবি ও কৃষি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সন্দেহভাজন মিনি ট্রাকটি থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। এ সময় চালক ও তার সহযোগীর কাছে সারের বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হলে তারা কোনো বৈধ নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। পরে সকাল ৯টার দিকে ট্রাকটিতে তল্লাশি চালিয়ে আনুমানিক ২ লাখ টাকা মূল্যের ১০০ বস্তা ইউরিয়া সার উদ্ধার করা হয়। বিজিবির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে, তারা এই ইউরিয়া সারগুলো কুতুপালং বাজারে মজুত করার জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। পরবর্তীতে সুবিধাজনক সময়ে সীমান্ত দিয়ে এগুলো মায়ানমারে পাচার করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। রামু ব্যাটালিয়নের (৩০ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ জানান, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ কৃষি সম্পদ পাচার রোধে বিজিবি সর্বদা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×