প্রতিকূল আবহাওয়া ও টানা বৃষ্টিপাতের কারণে রেললাইনের ওপর পানি উঠে যাওয়ায় প্রায় এক হাজার যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরে আটকে আছে কক্সবাজারগামী ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ ট্রেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ট্রেনটি আটকে পড়ে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ট্রেনটি সেখানে আটকে রয়েছে।
এদিকে বিকেল ৫টার দিকে কয়েক শ যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রামমুখী ‘প্রবাল এক্সপ্রেস’ জান আলী হাট স্টেশনে আটকা পড়েছে। এছাড়া দোহাজারীসহ বেশ কিছু স্থানে গাছ ভেঙে পড়েছে। এর ফলে বর্তমানে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
কখন নাগাদ ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হতে পারে, তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি রেলওয়ের কর্মকর্তারা।
৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা
রেলওয়ের তথ্যমতে, আজ সকাল সোয়া ৬টায় ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ট্রেনটি। দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে চট্টগ্রামের ষোলশহর স্টেশন অতিক্রম করার পর কিছু দূর গিয়েই ট্রেনটি আটকে যায়।
শিডিউল অনুযায়ী, পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি বেলা ২টা ৪০ মিনিটের দিকে কক্সবাজারে পৌঁছানোর কথা ছিল।
ষোলশহর স্টেশনের পরের স্টেশন জান আলী হাটের স্টেশন মাস্টার নেজাম উদ্দিন দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, ‘চট্টগ্রাম নগরীর মুরাদপুরের সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকায় পানি উঠে রেললাইন ডুবে গেছে। এজন্য ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে কক্সবাজারগামী প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেন এলাকাটি অতিক্রম করেছে। তখনো কোনো সমস্যা হয়নি। তবে এরপর মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ায় রেললাইনের ওপর পানি জমতে শুরু করে। এতে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রবাল এক্সপ্রেস কক্সবাজার স্টেশন থেকে সকাল সাড়ে ১১টায় ছেড়ে এসে জান আলী হাট স্টেশনে আটকা পড়েছে।’
রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ফারহান মাহমুদ টিবিএসকে বলেন, ‘ষোলশহর-জান আলী হাট সেকশনে, পটিয়ায় গোমদন্ডী সেকশনে, দোহাজারী সেকশনে এবং ফৌজদারহাট সেকশনে গাছ পড়েছিল। সব গাছ সরানো হয়েছে। কিন্তু পানি না নামায় ট্রেন চলাচল করতে পারছে না। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’




মন্তব্য করুন