হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তার পানি বিপৎসীমা পার হওয়ার শঙ্কা! দেশের ১২ জেলায় ধেয়ে আসছে স্বল্পমেয়াদি বন্যা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন


ঢাকা, ৭ জুলাই – দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীপাড়ের মানুষের জন্য আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। উজান থেকে ধেয়ে আসা পাহাড়ি ঢল এবং দেশের ভেতরে অতি ভারী বর্ষণের ফলে ১২টি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের জীবনরেখা খ্যাত তিস্তা নদী আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করার তীব্র আশঙ্কা রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই, ২০২৬) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল জিহানের সই করা এক জরুরি পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

গ্রাম পুলিশের বেতন ও অবসরকালীন ভাতা বাড়ালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পাউবো জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ভেতর এবং সীমান্তবর্তী ভারতের পাহাড়ি রাজ্যগুলোতে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে। এছাড়া টেকনাফ, কক্সবাজার, বান্দরবান ও সুনামগঞ্জেও ভারী বৃষ্টি হয়েছে।

পাশাপাশি ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জি (১৩৩ মি.মি.), মাওকিরওয়াত (১৫৩ মি.মি.) এবং ত্রিপুরায় ভারী বর্ষণ হওয়ায় সেই পানি সরাসরি বাংলাদেশের নদ-নদীগুলোতে আছড়ে পড়ছে। আগামী ৪ দিন চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগসহ ভারতের আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে এই অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

যে ১২ জেলায় বন্যার তীব্র ঝুঁকি রয়েছে

উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ): সুরমা-কুশিয়ারাসহ অন্যান্য নদীর পানি বিপৎসীমা পার হয়ে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার নিচু এলাকা ডুবিয়ে দিতে পারে।

উত্তরাঞ্চল (রংপুর বিভাগ): আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা নদী বিপৎসীমা পার হয়ে যাবে। ফলে নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা নিশ্চিত। এছাড়া ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বেড়ে কুড়িগ্রাম জেলার নিচু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

আপাতত স্বস্তি ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও পদ্মায়

মৌসুমি নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে লঘুচাপে পরিণত হওয়ায় দেশের বড় নদীগুলোর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাউবো’র পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮৬টি পয়েন্টেই পানি কমেছে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি আগামী ৩ থেকে ৫ দিন স্থিতিশীল থাকবে অথবা কমবে। তাই দেশের মধ্যাঞ্চলে বড় কোনো বন্যার পূর্বাভাস নেই।

এনএন/৭ জুলাই ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তার পানি বিপৎসীমা পার হওয়ার শঙ্কা! দেশের ১২ জেলায় ধেয়ে আসছে স্বল্পমেয়াদি বন্যা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তার পানি বিপৎসীমা পার হওয়ার শঙ্কা! দেশের ১২ জেলায় ধেয়ে আসছে স্বল্পমেয়াদি বন্যা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ৭ জুলাই – দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীপাড়ের মানুষের জন্য আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। উজান থেকে ধেয়ে আসা পাহাড়ি ঢল এবং দেশের ভেতরে অতি ভারী বর্ষণের ফলে ১২টি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের জীবনরেখা খ্যাত তিস্তা নদী আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করার তীব্র আশঙ্কা রয়েছে।আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই, ২০২৬) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল জিহানের সই করা এক জরুরি পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।পাউবো জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ভেতর এবং সীমান্তবর্তী ভারতের পাহাড়ি রাজ্যগুলোতে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে। এছাড়া টেকনাফ, কক্সবাজার, বান্দরবান ও সুনামগঞ্জেও ভারী বৃষ্টি হয়েছে।পাশাপাশি ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জি (১৩৩ মি.মি.), মাওকিরওয়াত (১৫৩ মি.মি.) এবং ত্রিপুরায় ভারী বর্ষণ হওয়ায় সেই পানি সরাসরি বাংলাদেশের নদ-নদীগুলোতে আছড়ে পড়ছে। আগামী ৪ দিন চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগসহ ভারতের আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে এই অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।যে ১২ জেলায় বন্যার তীব্র ঝুঁকি রয়েছেউত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ): সুরমা-কুশিয়ারাসহ অন্যান্য নদীর পানি বিপৎসীমা পার হয়ে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার নিচু এলাকা ডুবিয়ে দিতে পারে।উত্তরাঞ্চল (রংপুর বিভাগ): আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা নদী বিপৎসীমা পার হয়ে যাবে। ফলে নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা নিশ্চিত। এছাড়া ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বেড়ে কুড়িগ্রাম জেলার নিচু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।আপাতত স্বস্তি ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও পদ্মায়মৌসুমি নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে লঘুচাপে পরিণত হওয়ায় দেশের বড় নদীগুলোর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাউবো’র পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮৬টি পয়েন্টেই পানি কমেছে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি আগামী ৩ থেকে ৫ দিন স্থিতিশীল থাকবে অথবা কমবে। তাই দেশের মধ্যাঞ্চলে বড় কোনো বন্যার পূর্বাভাস নেই।এনএন/৭ জুলাই ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×