হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন কতটা ন্যায্য ও বৈধ হবে?

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন


ঢাকা, ৫ ফেব্রুয়ারি – নির্বাচনে জয়ী কে হবে, বিএনপি নাকি জামায়াত? সাধারণ মানুষের এই স্বাভাবিক কৌতূহলের বাইরেও ১২ ফেব্রুয়ারির আসন্ন নির্বাচন ঘিরে আরও গভীর দুটি প্রশ্ন বা বিতর্কের বিষয় সামনে এসেছে। বাংলাদেশে প্রতিটি নির্বাচনেই কমবেশি কারচুপির অভিযোগ ওঠায় প্রথম প্রশ্নটি হলো, এবারের নির্বাচনেও কি কারচুপি হবে, নাকি সত্যিকার অর্থেই জনগণের ভোটের প্রতিফলন ঘটবে?

দ্বিতীয় প্রশ্নটি দেশের ভেতরে প্রকাশ্যে খুব একটা আলোচিত না হলেও আন্তর্জাতিক মহলে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। তা হলো, আওয়ামী লীগ অংশ নিতে না পারায় এই নির্বাচনকে কি আদৌ ন্যায্য ও বৈধ বলা যাবে? স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে প্রশাসন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে এখনো এমন অসৎ শক্তি বিদ্যমান যারা সুযোগ পেলেই নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। সরকার দাবি করছে এটি হবে ইতিহাসের সবচেয়ে স্বচ্ছ নির্বাচন, তবে নির্বাচন কমিশনের নজরদারি বা পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরই এর প্রকৃত চিত্র বোঝা যাবে। তবে কারচুপি না হলেও আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

আরও পড়ুন

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল ও রগ কাটল মাদক কারবারিরা

নীতিগতভাবে একটি ন্যায্য নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা উচিত। আওয়ামী লীগ দেশের অন্যতম বৃহত্তম দল এবং নির্বাচনে থাকলে তারা ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলত। দলটির দাবি, তাদের বাদ দেওয়া অযৌক্তিক এবং এর ফলে নির্বাচন অবৈধ হবে। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ৮০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা দলটিকে নির্বাচনের বাইরে রাখার প্রধান কারণ। এই পরিস্থিতি বোঝার জন্য যুক্তরাজ্যের উদাহরণ টানা যেতে পারে।

যদি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিতেন এবং শত শত মানুষ নিহত হতো, তবে লেবার পার্টিকে কি পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হতো? আন্তর্জাতিক ধিক্কার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত কোনো দলকে গণতান্ত্রিক বিশ্বে সাধারণত নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের ভূমিকা তাদের গণতান্ত্রিক বৈধতার সীমা অতিক্রম করেছে। তবে বিরোধীদের কেউ কেউ রাজনৈতিক স্বার্থে ঢালাওভাবে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের হয়রানি ও গ্রেপ্তার করছে, যা উদ্বেগজনক। আওয়ামী লীগকে বর্তমান কাঠামোতে নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ার পক্ষে জোরালো যুক্তি থাকলেও, দলটির বিশাল সমর্থকগোষ্ঠীকে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা দীর্ঘমেয়াদে গণতন্ত্রের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের উচিত ১৯৭১ সালের চেতনা ও ধর্মনিরপেক্ষতার ভিত্তিতে দলকে পুনর্গঠন করা এবং জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা। অন্যদিকে, পরবর্তী নির্বাচিত সরকারকে প্রতিহিংসামূলক আচরণ ও বিনা প্রমাণে গ্রেপ্তার বন্ধ করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন কতটা ন্যায্য ও বৈধ হবে?

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন কতটা ন্যায্য ও বৈধ হবে?

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ৫ ফেব্রুয়ারি – নির্বাচনে জয়ী কে হবে, বিএনপি নাকি জামায়াত? সাধারণ মানুষের এই স্বাভাবিক কৌতূহলের বাইরেও ১২ ফেব্রুয়ারির আসন্ন নির্বাচন ঘিরে আরও গভীর দুটি প্রশ্ন বা বিতর্কের বিষয় সামনে এসেছে। বাংলাদেশে প্রতিটি নির্বাচনেই কমবেশি কারচুপির অভিযোগ ওঠায় প্রথম প্রশ্নটি হলো, এবারের নির্বাচনেও কি কারচুপি হবে, নাকি সত্যিকার অর্থেই জনগণের ভোটের প্রতিফলন ঘটবে?দ্বিতীয় প্রশ্নটি দেশের ভেতরে প্রকাশ্যে খুব একটা আলোচিত না হলেও আন্তর্জাতিক মহলে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। তা হলো, আওয়ামী লীগ অংশ নিতে না পারায় এই নির্বাচনকে কি আদৌ ন্যায্য ও বৈধ বলা যাবে? স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে প্রশাসন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে এখনো এমন অসৎ শক্তি বিদ্যমান যারা সুযোগ পেলেই নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। সরকার দাবি করছে এটি হবে ইতিহাসের সবচেয়ে স্বচ্ছ নির্বাচন, তবে নির্বাচন কমিশনের নজরদারি বা পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরই এর প্রকৃত চিত্র বোঝা যাবে। তবে কারচুপি না হলেও আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।নীতিগতভাবে একটি ন্যায্য নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা উচিত। আওয়ামী লীগ দেশের অন্যতম বৃহত্তম দল এবং নির্বাচনে থাকলে তারা ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলত। দলটির দাবি, তাদের বাদ দেওয়া অযৌক্তিক এবং এর ফলে নির্বাচন অবৈধ হবে। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ৮০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা দলটিকে নির্বাচনের বাইরে রাখার প্রধান কারণ। এই পরিস্থিতি বোঝার জন্য যুক্তরাজ্যের উদাহরণ টানা যেতে পারে।যদি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিতেন এবং শত শত মানুষ নিহত হতো, তবে লেবার পার্টিকে কি পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হতো? আন্তর্জাতিক ধিক্কার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত কোনো দলকে গণতান্ত্রিক বিশ্বে সাধারণত নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের ভূমিকা তাদের গণতান্ত্রিক বৈধতার সীমা অতিক্রম করেছে। তবে বিরোধীদের কেউ কেউ রাজনৈতিক স্বার্থে ঢালাওভাবে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের হয়রানি ও গ্রেপ্তার করছে, যা উদ্বেগজনক। আওয়ামী লীগকে বর্তমান কাঠামোতে নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ার পক্ষে জোরালো যুক্তি থাকলেও, দলটির বিশাল সমর্থকগোষ্ঠীকে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা দীর্ঘমেয়াদে গণতন্ত্রের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের উচিত ১৯৭১ সালের চেতনা ও ধর্মনিরপেক্ষতার ভিত্তিতে দলকে পুনর্গঠন করা এবং জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা। অন্যদিকে, পরবর্তী নির্বাচিত সরকারকে প্রতিহিংসামূলক আচরণ ও বিনা প্রমাণে গ্রেপ্তার বন্ধ করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×