হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

আয়ু বাড়াতে পুতিনের ২৬ বিলিয়ন ডলারের ‘অমরত্ব প্রকল্প’

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন


মস্কো, ৩০ মে – মানুষের আয়ু বাড়াতে এবং বার্ধক্য রুখতে এবার বিশাল এক কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মার্কিন ধনকুবেরদের মতো তিনিও এখন বার্ধক্য জয় করার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। তবে এটি কোনো ব্যক্তিগত উদ্যোগ নয় বরং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অন্তত ২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি মহাপ্রকল্প।

নিউ হেলথ প্রিজারভেশন টেকনোলজিস নামের এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো মানবকোষের বার্ধক্য রোধ করা এবং মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ মেরামত করা। সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এই চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। ৭৩ বছর বয়সী পুতিনের নির্দেশে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে উন্নত জিন থেরাপি।

আরও পড়ুন

ইরান সংঘাত ও মার্কিন রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ: ট্রাম্প ও ওবামার মুখোমুখি অবস্থান

রাশিয়ার উপ বিজ্ঞানমন্ত্রী দেনিস সেকিরিনস্কি একে বার্ধক্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। জিন থেরাপির পাশাপাশি এই প্রকল্পের আওতায় থ্রিডি বায়োপ্রিন্টিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রাণীর শরীরে মানুষের অঙ্গ তৈরির গবেষণাও চলছে। রুশ বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন যে তারা ইতিমধ্যে ইঁদুরের থাইরয়েড গ্রন্থি এবং মানুষের কার্টিলেজ টিস্যু তৈরিতে সফল হয়েছেন।

তারা আশাবাদী যে ২০৩০ সালের মধ্যে মানুষের সম্পূর্ণ অঙ্গ প্রতিস্থাপনের উপযোগী করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে অন্তত পৌনে ২ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচানো যাবে বলে এক সময় পুতিন নিজেই উল্লেখ করেছিলেন। এই সংবেদনশীল গবেষণার দায়িত্বে রয়েছেন পুতিনের কন্যা এবং হরমোন বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভোরোন্তসোভা।

তার সঙ্গে কাজ করছেন প্রখ্যাত পদার্থবিদ মিখাইল কোভালচুক। মিখাইল মনে করেন যে ভবিষ্যতে মানুষ তার প্রয়োজন অনুযায়ী শরীরের অঙ্গ সারিয়ে তুলতে পারবে। তবে পুতিনের এই দীর্ঘায়ু লাভের আকাঙ্ক্ষা নতুন কিছু নয়। কথিত আছে যে ১৯৬৮ সালের একটি সোভিয়েট চলচ্চিত্র দেখার পর কৈশোর থেকেই পুতিনের মনে অমরত্ব ও শরীরবৃত্তীয় বিষয় নিয়ে এক ধরনের আগ্রহ কাজ করত।

এস এম/ ৩০ মে ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

আয়ু বাড়াতে পুতিনের ২৬ বিলিয়ন ডলারের ‘অমরত্ব প্রকল্প’

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

আয়ু বাড়াতে পুতিনের ২৬ বিলিয়ন ডলারের ‘অমরত্ব প্রকল্প’

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] মস্কো, ৩০ মে – মানুষের আয়ু বাড়াতে এবং বার্ধক্য রুখতে এবার বিশাল এক কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মার্কিন ধনকুবেরদের মতো তিনিও এখন বার্ধক্য জয় করার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। তবে এটি কোনো ব্যক্তিগত উদ্যোগ নয় বরং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অন্তত ২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি মহাপ্রকল্প।নিউ হেলথ প্রিজারভেশন টেকনোলজিস নামের এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো মানবকোষের বার্ধক্য রোধ করা এবং মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ মেরামত করা। সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এই চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। ৭৩ বছর বয়সী পুতিনের নির্দেশে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে উন্নত জিন থেরাপি।রাশিয়ার উপ বিজ্ঞানমন্ত্রী দেনিস সেকিরিনস্কি একে বার্ধক্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। জিন থেরাপির পাশাপাশি এই প্রকল্পের আওতায় থ্রিডি বায়োপ্রিন্টিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রাণীর শরীরে মানুষের অঙ্গ তৈরির গবেষণাও চলছে। রুশ বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন যে তারা ইতিমধ্যে ইঁদুরের থাইরয়েড গ্রন্থি এবং মানুষের কার্টিলেজ টিস্যু তৈরিতে সফল হয়েছেন।তারা আশাবাদী যে ২০৩০ সালের মধ্যে মানুষের সম্পূর্ণ অঙ্গ প্রতিস্থাপনের উপযোগী করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে অন্তত পৌনে ২ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচানো যাবে বলে এক সময় পুতিন নিজেই উল্লেখ করেছিলেন। এই সংবেদনশীল গবেষণার দায়িত্বে রয়েছেন পুতিনের কন্যা এবং হরমোন বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভোরোন্তসোভা।তার সঙ্গে কাজ করছেন প্রখ্যাত পদার্থবিদ মিখাইল কোভালচুক। মিখাইল মনে করেন যে ভবিষ্যতে মানুষ তার প্রয়োজন অনুযায়ী শরীরের অঙ্গ সারিয়ে তুলতে পারবে। তবে পুতিনের এই দীর্ঘায়ু লাভের আকাঙ্ক্ষা নতুন কিছু নয়। কথিত আছে যে ১৯৬৮ সালের একটি সোভিয়েট চলচ্চিত্র দেখার পর কৈশোর থেকেই পুতিনের মনে অমরত্ব ও শরীরবৃত্তীয় বিষয় নিয়ে এক ধরনের আগ্রহ কাজ করত।এস এম/ ৩০ মে ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×