হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

আরব অঞ্চলে ২০২৪ সাল ছিল ইতিহাসের উষ্ণতম বছর: ডব্লিউএমও

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন


আরব অঞ্চল, ২১ ফেব্রুয়ারি – আরব অঞ্চলের জলবায়ু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা ডব্লিউএমও। সংস্থাটির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আরব অঞ্চলের ইতিহাসে ২০২৪ সালটি ছিল সবচেয়ে উষ্ণ বছর। এ সময় আরব দেশগুলোর গড় তাপমাত্রা ১৯৯১ থেকে ২০২০ সালের গড় তাপমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ০৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।

বিশেষ করে উত্তর আফ্রিকা ও নিকটপ্রাচ্যে তাপপ্রবাহের স্থায়িত্ব এবং তীব্রতা উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে। বেশ কয়েকটি দেশে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে রেকর্ড করা হয়েছে। ডব্লিউএমও, ইউনাইটেড ন্যাশনস ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর ওয়েস্টার্ন এশিয়া এবং লিগ অব আরব স্টেটস যৌথভাবে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিশ্বের সবচেয়ে পানিশূন্য দেশগুলোর মধ্যে ১৫টির অবস্থান এই আরব অঞ্চলে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। ডব্লিউএমওর মহাসচিব সেলেস্টে সাউলো জানান, বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় আরব অঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার প্রায় দ্বিগুণ।

আরও পড়ুন

শ্রীলঙ্কায় ১৯টি জাহাজ থেকে ৪০ ইরানি নাবিক উদ্ধার, দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে

দীর্ঘমেয়াদি তাপপ্রবাহ জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। একই সঙ্গে খরার প্রকোপ এবং কিছু এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভারী বৃষ্টিপাতে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০২৪ সালে চরম আবহাওয়ার কারণে প্রায় ৩৮ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তিন শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ১৯৮০ থেকে ১৯৯৯ সালের তুলনায় ২০০০ থেকে ২০১৯ সময়কালে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও আরব অঞ্চলের প্রায় ৬০ শতাংশ দেশে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা চালু আছে, তবুও জীবন ও জীবিকা রক্ষায় এ খাতে আরও বিনিয়োগের তাগিদ দিয়েছে ডব্লিউএমও।

ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। কার্বন নিঃসরণ অব্যাহত থাকলে চলতি শতাব্দীর শেষে এ অঞ্চলের তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। এছাড়া সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি উপকূলীয় শহরগুলোর অস্তিত্ব সংকটে ফেলতে পারে এবং বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় খাদ্য ও পানি নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এস এম/ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

আরব অঞ্চলে ২০২৪ সাল ছিল ইতিহাসের উষ্ণতম বছর: ডব্লিউএমও

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

আরব অঞ্চলে ২০২৪ সাল ছিল ইতিহাসের উষ্ণতম বছর: ডব্লিউএমও

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] আরব অঞ্চল, ২১ ফেব্রুয়ারি – আরব অঞ্চলের জলবায়ু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা ডব্লিউএমও। সংস্থাটির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আরব অঞ্চলের ইতিহাসে ২০২৪ সালটি ছিল সবচেয়ে উষ্ণ বছর। এ সময় আরব দেশগুলোর গড় তাপমাত্রা ১৯৯১ থেকে ২০২০ সালের গড় তাপমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ০৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।বিশেষ করে উত্তর আফ্রিকা ও নিকটপ্রাচ্যে তাপপ্রবাহের স্থায়িত্ব এবং তীব্রতা উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে। বেশ কয়েকটি দেশে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে রেকর্ড করা হয়েছে। ডব্লিউএমও, ইউনাইটেড ন্যাশনস ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর ওয়েস্টার্ন এশিয়া এবং লিগ অব আরব স্টেটস যৌথভাবে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিশ্বের সবচেয়ে পানিশূন্য দেশগুলোর মধ্যে ১৫টির অবস্থান এই আরব অঞ্চলে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। ডব্লিউএমওর মহাসচিব সেলেস্টে সাউলো জানান, বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় আরব অঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার প্রায় দ্বিগুণ।দীর্ঘমেয়াদি তাপপ্রবাহ জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। একই সঙ্গে খরার প্রকোপ এবং কিছু এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভারী বৃষ্টিপাতে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০২৪ সালে চরম আবহাওয়ার কারণে প্রায় ৩৮ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তিন শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ১৯৮০ থেকে ১৯৯৯ সালের তুলনায় ২০০০ থেকে ২০১৯ সময়কালে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও আরব অঞ্চলের প্রায় ৬০ শতাংশ দেশে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা চালু আছে, তবুও জীবন ও জীবিকা রক্ষায় এ খাতে আরও বিনিয়োগের তাগিদ দিয়েছে ডব্লিউএমও।ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। কার্বন নিঃসরণ অব্যাহত থাকলে চলতি শতাব্দীর শেষে এ অঞ্চলের তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। এছাড়া সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি উপকূলীয় শহরগুলোর অস্তিত্ব সংকটে ফেলতে পারে এবং বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় খাদ্য ও পানি নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।এস এম/ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×