হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

আলোচিত দেড় লাখ ইয়াবা মামলার আসামি রামুর দারিয়ারদিঘীর ফারুক গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: কক্সবাজারের রামুতে ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের আলোচিত মামলার অন্যতম আসামি মো. ফারুককে গ্রেফতার করেছে রামু থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর পুলিশের অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের বিষ…

কক্সবাজারের রামুতে ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের আলোচিত মামলার অন্যতম আসামি মো. ফারুককে গ্রেফতার করেছে রামু থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর পুলিশের অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক। গ্রেফতার মো. ফারুক খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দারিয়ারদিঘী (মন্ডলপাড়া) এলাকার হোসাইন আহমেদের ছেলে।

থানা সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে রামু-মরিচ্যা আরাকান সড়কে নাম্বারবিহীন একটি ডাম্পারে করে ইয়াবা পাচারের সময় ফারুকের আপন ভাই মো. হারুনকে (২৯) হাতেনাতে আটক করে রামু থানা পুলিশ। এ সময় ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজন পালিয়ে যায়।

পরে আটক হারুনকে তল্লাশি করে তার হাতে থাকা একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে ১৫টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ১০ হাজার পিস করে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন

পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, কড়া নজরে ১২৫ প্রতিষ্ঠান

এ ঘটনায় রামু থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে ফারুকের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। অবশেষে পুলিশের অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয়দের মতে, দেড় লাখ ইয়াবা পাচারের মামলায় আটক মোহাম্মদ ফারুক বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে জড়িত।

তিনি খুনিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক ও ১ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও ফারুক খুনিয়াপালং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এসএম ফরিদের ঘনিষ্টজন হিসাবে এলাকায় পরিচিত।

দরিদ্র পরিবারের সন্তান ফারুক রামুর অন্যতম ইয়াবা কারবারি হিসেবে পরিচিত। কয়েকবছরের ব্যবধানে তিনি শত কোট টাকার মালিক হয়েছে।

নিজ এলাকা দারিয়ারদিঘীতে তিনি প্রায় ১০ একর জমি কিনেছেন। এছাড়া মরিচ্যা বাজার, পর্যটন স্পট হিমছড়িসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আরও একাধিক মূল্যবান জমি ক্রয় করেছেন।

ফারুকের নেতৃত্বে সক্রিয় ইয়াবা সিন্ডিকেট পুরো খুনিয়াপালং ইউনিয়নে মাদকের রমরমা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের এ ঘটনাটি রামুতে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল।

সেই মামলার আসামি ফারুক গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় নতুন করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: আলোচিত দেড় লাখ ইয়াবা মামলার আসামি রামুর দারিয়ারদিঘীর ফারুক গ্রেফতার সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: কক্সবাজারের রামুতে ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের আলোচিত মামলার অন্যতম আসামি মো. ফারুককে গ্রেফতার করেছে রামু থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন পলাতক থ। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

আলোচিত দেড় লাখ ইয়াবা মামলার আসামি রামুর দারিয়ারদিঘীর ফারুক গ্রেফতার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

আলোচিত দেড় লাখ ইয়াবা মামলার আসামি রামুর দারিয়ারদিঘীর ফারুক গ্রেফতার

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের রামুতে ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের আলোচিত মামলার অন্যতম আসামি মো. ফারুককে গ্রেফতার করেছে রামু থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর পুলিশের অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক। গ্রেফতার মো. ফারুক খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দারিয়ারদিঘী (মন্ডলপাড়া) এলাকার হোসাইন আহমেদের ছেলে। থানা সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে রামু-মরিচ্যা আরাকান সড়কে নাম্বারবিহীন একটি ডাম্পারে করে ইয়াবা পাচারের সময় ফারুকের আপন ভাই মো. হারুনকে (২৯) হাতেনাতে আটক করে রামু থানা পুলিশ। এ সময় ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজন পালিয়ে যায়। পরে আটক হারুনকে তল্লাশি করে তার হাতে থাকা একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে ১৫টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ১০ হাজার পিস করে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। এ ঘটনায় রামু থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে ফারুকের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। অবশেষে পুলিশের অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয়দের মতে, দেড় লাখ ইয়াবা পাচারের মামলায় আটক মোহাম্মদ ফারুক বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে জড়িত। তিনি খুনিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক ও ১ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও ফারুক খুনিয়াপালং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এসএম ফরিদের ঘনিষ্টজন হিসাবে এলাকায় পরিচিত। দরিদ্র পরিবারের সন্তান ফারুক রামুর অন্যতম ইয়াবা কারবারি হিসেবে পরিচিত। কয়েকবছরের ব্যবধানে তিনি শত কোট টাকার মালিক হয়েছে। নিজ এলাকা দারিয়ারদিঘীতে তিনি প্রায় ১০ একর জমি কিনেছেন। এছাড়া মরিচ্যা বাজার, পর্যটন স্পট হিমছড়িসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আরও একাধিক মূল্যবান জমি ক্রয় করেছেন। ফারুকের নেতৃত্বে সক্রিয় ইয়াবা সিন্ডিকেট পুরো খুনিয়াপালং ইউনিয়নে মাদকের রমরমা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের এ ঘটনাটি রামুতে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল। সেই মামলার আসামি ফারুক গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় নতুন করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×