হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ইয়েলো সাগরে ৫৫ নাবিকের মৃত্যু!

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩, ০৩:০৮ অপরাহ্ন


বেইজিং, ০৪ অক্টোবর – পারমাণবিক সাবমেরিন দুর্ঘটনায় ৫৫ জন চীনা নাবিকের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাগরতলে মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুবরণ করা এই নাবিকদের মধ্যে ২১ জন কর্মকর্তা।

এছাড়া সাবমেরিনের ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্বে থাকা কর্নেল পদমর্যাদারও এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও নিহত হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। চীনের মূল ভূখণ্ড এবং কোরীয় উপদ্বীপের মাঝখানে অবস্থিত ইয়েলো সি বা পীত সাগরে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

ব্রিটিশ সরকারের গোপন রিপোর্টের বরাত দিয়ে বুধবার (৪ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পীত সাগরে মর্মান্তিক এক সাবমেরিন দুর্ঘটনায় অন্তত ৫৫ জন চীনা নাবিক মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের একটি গোপনীয় প্রতিবেদন অনুসারে, সাবমেরিনের অক্সিজেন সিস্টেমে বিপর্যয়কর ব্যর্থতার কারণে ওই ক্রু সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে।

মৃত নাবিকদের মধ্যে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) নৌবাহিনীর ‘০৯৩-৪১৭’ সাবমেরিনের ক্যাপ্টেন কর্নেল জুই ইয়ং-পেং এবং ২১ জন অফিসারও রয়েছেন বলে ব্রিটেনের গোপন ওই প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল।

ডেইলি মেইল ​​অনুসারে, যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদনে ঘটনাটির বর্ণনায় বলা হয়েছে: ‘চলতি বছরের ২১ আগস্ট চীনা ওই সাবমেরিনটি পীত সাগরে একটি মিশনে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনা ঘটেছিল বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ঘটনার দিন স্থানীয় সময় সকাল সোয়া আটটার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। যার ফলে ৫৫ জন ক্রু সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়: দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ২২ জন অফিসার, ৭ অফিসার ক্যাডেট, ৯ জন পেটি অফিসার এবং ১৭ জন নাবিক। সাবমেরিনে সিস্টেমের ত্রুটির কারণে সৃষ্ট হাইপোক্সিয়াকে মৃত্যুর কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।’

বর্ণনায় আরও বলা হয়েছে, ‘নৌযানটি মার্কিন এবং সহযোগী সাবমেরিনকে ফাঁদে ফেলার জন্য চীনা নৌবাহিনীর ব্যবহৃত একটি চেইন এবং নোঙ্গর বাধাকে আঘাত করে। এই সংঘর্ষের ফলে সাবমেরিনের সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দেয়। নৌযানটি মেরামত করতে এবং সেটিকে পানির ওপরে তুলতে ছয় ঘণ্টার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বিপর্যয়কর ওই ব্যর্থতার পরে সাবমেরিনের অক্সিজেন সিস্টেম নষ্ট হয়ে সেখানকার বাতাস বিষাক্ত হয়ে পড়ে এবং এর জেরে ক্রুদের মৃত্যু হয়।’

অবশ্য যুক্তরাজ্যের এই প্রতিবেদন ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে চীন। এছাড়া যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদনের বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্যের জন্য ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ডেইলি মেইল। কিন্তু তারা এ বিষয়ে কোনও বিবৃতি বা তথ্য প্রদান করতে অস্বীকার করেছে।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের টাইপ ০৯৩ সাবমেরিনগুলো গত ১৫ বছর ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে। ৩৫১ ফুট দৈর্ঘ্যের এই সাবমেরিনগুলো টর্পেডো দিয়ে সজ্জিত।

এছাড়া গত আগস্টের ওই দুর্ঘটনা চীনের শানডং প্রদেশের কাছে জলসীমায় ঘটেছে বলে জানিয়েছে ডেইলি মেইল।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
আইএ/ ০৪ অক্টোবর ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ইয়েলো সাগরে ৫৫ নাবিকের মৃত্যু!

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ইয়েলো সাগরে ৫৫ নাবিকের মৃত্যু!

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] বেইজিং, ০৪ অক্টোবর – পারমাণবিক সাবমেরিন দুর্ঘটনায় ৫৫ জন চীনা নাবিকের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাগরতলে মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুবরণ করা এই নাবিকদের মধ্যে ২১ জন কর্মকর্তা। এছাড়া সাবমেরিনের ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্বে থাকা কর্নেল পদমর্যাদারও এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও নিহত হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। চীনের মূল ভূখণ্ড এবং কোরীয় উপদ্বীপের মাঝখানে অবস্থিত ইয়েলো সি বা পীত সাগরে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। ব্রিটিশ সরকারের গোপন রিপোর্টের বরাত দিয়ে বুধবার (৪ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পীত সাগরে মর্মান্তিক এক সাবমেরিন দুর্ঘটনায় অন্তত ৫৫ জন চীনা নাবিক মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের একটি গোপনীয় প্রতিবেদন অনুসারে, সাবমেরিনের অক্সিজেন সিস্টেমে বিপর্যয়কর ব্যর্থতার কারণে ওই ক্রু সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে। মৃত নাবিকদের মধ্যে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) নৌবাহিনীর ‘০৯৩-৪১৭’ সাবমেরিনের ক্যাপ্টেন কর্নেল জুই ইয়ং-পেং এবং ২১ জন অফিসারও রয়েছেন বলে ব্রিটেনের গোপন ওই প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল। ডেইলি মেইল ​​অনুসারে, যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদনে ঘটনাটির বর্ণনায় বলা হয়েছে: ‘চলতি বছরের ২১ আগস্ট চীনা ওই সাবমেরিনটি পীত সাগরে একটি মিশনে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনা ঘটেছিল বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ঘটনার দিন স্থানীয় সময় সকাল সোয়া আটটার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। যার ফলে ৫৫ জন ক্রু সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়: দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ২২ জন অফিসার, ৭ অফিসার ক্যাডেট, ৯ জন পেটি অফিসার এবং ১৭ জন নাবিক। সাবমেরিনে সিস্টেমের ত্রুটির কারণে সৃষ্ট হাইপোক্সিয়াকে মৃত্যুর কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।’ বর্ণনায় আরও বলা হয়েছে, ‘নৌযানটি মার্কিন এবং সহযোগী সাবমেরিনকে ফাঁদে ফেলার জন্য চীনা নৌবাহিনীর ব্যবহৃত একটি চেইন এবং নোঙ্গর বাধাকে আঘাত করে। এই সংঘর্ষের ফলে সাবমেরিনের সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দেয়। নৌযানটি মেরামত করতে এবং সেটিকে পানির ওপরে তুলতে ছয় ঘণ্টার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বিপর্যয়কর ওই ব্যর্থতার পরে সাবমেরিনের অক্সিজেন সিস্টেম নষ্ট হয়ে সেখানকার বাতাস বিষাক্ত হয়ে পড়ে এবং এর জেরে ক্রুদের মৃত্যু হয়।’ অবশ্য যুক্তরাজ্যের এই প্রতিবেদন ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে চীন। এছাড়া যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদনের বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্যের জন্য ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ডেইলি মেইল। কিন্তু তারা এ বিষয়ে কোনও বিবৃতি বা তথ্য প্রদান করতে অস্বীকার করেছে। ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের টাইপ ০৯৩ সাবমেরিনগুলো গত ১৫ বছর ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে। ৩৫১ ফুট দৈর্ঘ্যের এই সাবমেরিনগুলো টর্পেডো দিয়ে সজ্জিত। এছাড়া গত আগস্টের ওই দুর্ঘটনা চীনের শানডং প্রদেশের কাছে জলসীমায় ঘটেছে বলে জানিয়েছে ডেইলি মেইল। সূত্র: ঢাকা পোস্টআইএ/ ০৪ অক্টোবর ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×