ওয়াশিংটন, ১৩ মার্চ – যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম শুক্রবার নিশ্চিত করেছে যে বৃহস্পতিবার পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হওয়া একটি মার্কিন জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানের ছয়জন ক্রুর সবাই মারা গেছেন। প্রথমে সামরিক বাহিনী চারজনের মৃত্যুর কথা জানালেও পরে বাকি দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ পেন্টাগনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। নিহতদের আমেরিকান হিরো আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধ সবসময়ই ভয়াবহ এবং বিশৃঙ্খল। এই আত্মত্যাগ সামরিক বাহিনীর সংকল্পকে আরও দৃঢ় করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, কড়া নজরে ১২৫ প্রতিষ্ঠান
জানা গেছে, কেসি ১৩৫ স্ট্রাটোট্যাঙ্কার নামের এই বিমানটি মাঝআকাশে অন্য একটি বিমানের সাথে সংঘর্ষের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত অন্য বিমানটি ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করতে সক্ষম হয়।
সেন্টকম জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। তবে তারা নিশ্চিত করেছে যে বিমানটি শত্রুপক্ষের গোলাগুলিতে বিধ্বস্ত হয়নি। অন্যদিকে ইরানের অনুগত সশস্ত্র গোষ্ঠী দ্য ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক এই বিমান ভূপাতিত করার দায় স্বীকার করলেও কোনো প্রমাণ দেয়নি।
এদিকে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার পারদ আরও চড়েছে। শুক্রবার ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের খবর পেয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দেশজুড়ে সতর্কতা জারি করে। নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্পের এই নতুন হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বাড়িয়ে দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এনএন/ ১৩ মার্চ ২০২৬




মন্তব্য করুন