হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ বিএনপি ও বর্তমান সরকারের হাতেই নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ৯ জুন – ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এর ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বর্তমান সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

জাতীয় সংসদে ব্যাংকটির বর্তমান পরিস্থিতি ও পরিচালনা পর্ষদ নিয়ে বিরোধী দলের আনা প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ব্যাংকটির গোড়াপত্তন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাই এর মর্যাদা ও আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরও পড়ুন

ঢাকার যানজট কমাতে ইনার সার্কুলার রিং রোডের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ

একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠী ব্যাংকটিকে ব্যর্থ করার যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তা রুখে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইসলামী ব্যাংককে নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বা উশৃঙ্খলতা সহ্য করা হবে না।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের বিভিন্ন নোটিশের জবাব ও ব্যাংকিং খাতের সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। বিরোধী দলীয় সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ইসলামী ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার কোনো ভিত্তি নেই।

তিনি উল্লেখ করেন, বিগত নির্বাচনে অনেক প্রার্থী অবিশ্বাস্য পরিমাণ টাকা খরচ করেছেন যাদের আয়ের দৃশ্যমান কোনো উৎস নেই। এই অবৈধ ও অপ্রদর্শিত অর্থ যখন রাজনীতিতে প্রবেশ করে, তখন তা গোটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ইসলামী ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার পরিসংখ্যান তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, অতীতে কৃত্রিমভাবে মুনাফা দেখানো হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে ২০২৫ সালের শেষে ইসলামী ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ ৯৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা ব্যাংকের মোট ঋণ পোর্টফোলিও’র ৫১ শতাংশ। এর ফলে ২০২৬ সালের প্রথম দিকে ব্যাংকটি প্রায় ২৬৮ কোটি টাকা নিট লোকসান গুনেছে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই ব্যাংকটিকে তার প্রকৃত ও বৈধ মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সংস্কার কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টির চেষ্টাকে তিনি মবোক্রেসি বা উশৃঙ্খলতার সংস্কৃতি হিসেবে অভিহিত করেন।

বর্তমান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, দেশে দীর্ঘদিন পর একজন যোগ্য গভর্নর দায়িত্ব পেয়েছেন। তাকে ঋণগ্রস্ত বলে যারা খাটো করার চেষ্টা করছেন, তারা মূলত ভালো কাজকে স্বীকৃতি দিতে চান না।

বিএনপি সবসময় আর্থিক শৃঙ্খলায় বিশ্বাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই ব্যাংকের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তাই এর ভবিষ্যৎ বিএনপির হাতেই নিরাপদ।

এনএন/ ৯ জুন ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ বিএনপি ও বর্তমান সরকারের হাতেই নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ বিএনপি ও বর্তমান সরকারের হাতেই নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ৯ জুন – ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এর ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বর্তমান সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।জাতীয় সংসদে ব্যাংকটির বর্তমান পরিস্থিতি ও পরিচালনা পর্ষদ নিয়ে বিরোধী দলের আনা প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ব্যাংকটির গোড়াপত্তন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাই এর মর্যাদা ও আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠী ব্যাংকটিকে ব্যর্থ করার যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তা রুখে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইসলামী ব্যাংককে নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বা উশৃঙ্খলতা সহ্য করা হবে না।মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের বিভিন্ন নোটিশের জবাব ও ব্যাংকিং খাতের সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। বিরোধী দলীয় সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ইসলামী ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার কোনো ভিত্তি নেই।তিনি উল্লেখ করেন, বিগত নির্বাচনে অনেক প্রার্থী অবিশ্বাস্য পরিমাণ টাকা খরচ করেছেন যাদের আয়ের দৃশ্যমান কোনো উৎস নেই। এই অবৈধ ও অপ্রদর্শিত অর্থ যখন রাজনীতিতে প্রবেশ করে, তখন তা গোটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।ইসলামী ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার পরিসংখ্যান তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, অতীতে কৃত্রিমভাবে মুনাফা দেখানো হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে ২০২৫ সালের শেষে ইসলামী ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ ৯৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা ব্যাংকের মোট ঋণ পোর্টফোলিও’র ৫১ শতাংশ। এর ফলে ২০২৬ সালের প্রথম দিকে ব্যাংকটি প্রায় ২৬৮ কোটি টাকা নিট লোকসান গুনেছে।তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই ব্যাংকটিকে তার প্রকৃত ও বৈধ মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সংস্কার কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টির চেষ্টাকে তিনি মবোক্রেসি বা উশৃঙ্খলতার সংস্কৃতি হিসেবে অভিহিত করেন।বর্তমান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, দেশে দীর্ঘদিন পর একজন যোগ্য গভর্নর দায়িত্ব পেয়েছেন। তাকে ঋণগ্রস্ত বলে যারা খাটো করার চেষ্টা করছেন, তারা মূলত ভালো কাজকে স্বীকৃতি দিতে চান না।বিএনপি সবসময় আর্থিক শৃঙ্খলায় বিশ্বাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই ব্যাংকের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তাই এর ভবিষ্যৎ বিএনপির হাতেই নিরাপদ।এনএন/ ৯ জুন ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×