কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিনকে চট্টগ্রামের মিরসরাই থানায় বদলীর সংবাদে উপজেলার জনগণের মাঝে হতাশা নেমেছে। মহিলা হয়েও তিনি অতীতের সকল ওসিকে চাপিয়ে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন।
উপজেলার গণমাধ্যম কর্মী ও সচেতন জনগণের অভিমত , অতীতের অফিসার ইনচার্জরা আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে যা পারেননি, তিনি মহিলা হয়েও যোগদানের দুই মাসের মধ্যে তা করতে সক্ষম হয়েছেন। এক কথায় তিনি নিজেকে অপরাধীদের আতন্ক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন ।যার ফলে ডাকাত ও অপহরণচক্র তার ভয়ে এলাকা ছাড়া হয়।এতে অপরাধ অনেকটা কমে যায়।যা উপজেলাবাসীর জন্য ছিল স্বস্তির।
অপহরণ ও ডাকাত জোন খ্যাত ঈদগাঁও -ঈদগড় সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী রামুর ঈদগড়ের গণমাধ্যমকর্মী আবুল কাশেম জানান,অতীতের কোন ওসি দূর্গম এ পাহাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনার সাহস করেননি। এ মহিলা ওসি যোগদান করেই গহীন পাহাড়ে অপরাধীদের আস্তানায় অভিযান শুরু করেন।যার ফলে সশস্ত্র অপরাধীরা এলাকা ছাড়া হয় এবং জনগণ এখন এ সড়ক দিয়ে চলাচলের সাহস করছেন।নবাগত ওসির নিকটে একই চাওয়া তাদের।
এমতাবস্থায় ১ ডিসেম্বর রাতে কক্সবাজারের নয় থানার ওসির বদলীতে তার স্থলে ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দক্ষিণাঞ্চলের নীলফামারী জেলার বাসিন্দা এটিএম শিফাতুল মজুমদারকে নিযুক্ত করা হয় এবং বর্তমান ওসি ফরিদা ইয়াসমিনকে চট্টগ্রামের মিরসরাই থানায় নিযুক্ত করার সংবাদে উপজেলা জনগণের মাঝে হতাশা বিরাজ করে।
ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনের ‘বার আউলিয়া’
বদলীর বিষয়ে ওসি ফরিদা ইয়াসমিন জানান,তিনি এখনো কোন অফিস আদেশ পাননি।জনগণের সহযোগিতায় তিনি আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে চেষ্টা করেছেন। জনগণ যদি তার অল্প সময়ের সেবায় সন্তোষ প্রকাশ করে এতে তিনি গর্বিত।




মন্তব্য করুন