হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ঈদে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ২৩ মার্চ – ঈদকে কেন্দ্র করে দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে প্রবাসীরা বেশি পরিমাণ অর্থ দেশে পাঠাচ্ছেন। এর ফলে চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহেই দেশে বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুসরণ করে হিসাব করলে এই রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৯ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

এক বছর আগে গত বছরের মার্চ মাসে দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতিবিদদের মতে, মোট রিজার্ভের সম্পূর্ণ অংশ ব্যবহারযোগ্য নয়। স্বল্পমেয়াদি দায় ও অন্যান্য বাধ্যবাধকতা বাদ দিয়ে যে প্রকৃত রিজার্ভ থাকে, সেটিই অর্থনীতির মূল ভিত্তি। বাংলাদেশ ব্যাংক অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের একটি হিসাব করে থাকে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বড় ধরনের নতুন বিনিয়োগ না থাকায় এতদিন আমদানির চাপ কিছুটা কম ছিল, যা রিজার্ভ বাড়াতে সাহায্য করেছে। তবে ভবিষ্যতে বিনিয়োগ বাড়লে মূলধনি যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি বৃদ্ধি পাবে এবং তখন ডলারের চাহিদাও বাড়বে। অর্থপাচার নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে এবং নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেলে ডলার সংকট এড়ানো সম্ভব হবে বলে মত বিশ্লেষকদের।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ঈদ উপলক্ষে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বেড়েছে এবং রিজার্ভ শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে। বাজারে ভারসাম্য ধরে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনছে। তবে ডলারের দাম অতিরিক্ত কমে গেলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি মার্চের প্রথম ১৪ দিনেই দেশে ২২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। রেমিট্যান্স বৃদ্ধির এই ইতিবাচক ধারা গত কয়েক মাস ধরেই অব্যাহত রয়েছে।

প্রবাসী আয় বাড়ার সুবাদে চলতি অর্থবছর এখন পর্যন্ত ব্যাংকগুলো থেকে প্রায় সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যার ফলে রিজার্ভ পুনরায় একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াচ্ছে।

এনএন/ ২৩ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ঈদে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ঈদে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২৩ মার্চ – ঈদকে কেন্দ্র করে দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে প্রবাসীরা বেশি পরিমাণ অর্থ দেশে পাঠাচ্ছেন। এর ফলে চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহেই দেশে বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুসরণ করে হিসাব করলে এই রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৯ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার।এক বছর আগে গত বছরের মার্চ মাসে দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার।অর্থনীতিবিদদের মতে, মোট রিজার্ভের সম্পূর্ণ অংশ ব্যবহারযোগ্য নয়। স্বল্পমেয়াদি দায় ও অন্যান্য বাধ্যবাধকতা বাদ দিয়ে যে প্রকৃত রিজার্ভ থাকে, সেটিই অর্থনীতির মূল ভিত্তি। বাংলাদেশ ব্যাংক অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের একটি হিসাব করে থাকে।সংশ্লিষ্টদের মতে, বড় ধরনের নতুন বিনিয়োগ না থাকায় এতদিন আমদানির চাপ কিছুটা কম ছিল, যা রিজার্ভ বাড়াতে সাহায্য করেছে। তবে ভবিষ্যতে বিনিয়োগ বাড়লে মূলধনি যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি বৃদ্ধি পাবে এবং তখন ডলারের চাহিদাও বাড়বে। অর্থপাচার নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে এবং নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেলে ডলার সংকট এড়ানো সম্ভব হবে বলে মত বিশ্লেষকদের।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ঈদ উপলক্ষে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বেড়েছে এবং রিজার্ভ শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে। বাজারে ভারসাম্য ধরে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনছে। তবে ডলারের দাম অতিরিক্ত কমে গেলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি মার্চের প্রথম ১৪ দিনেই দেশে ২২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। রেমিট্যান্স বৃদ্ধির এই ইতিবাচক ধারা গত কয়েক মাস ধরেই অব্যাহত রয়েছে।প্রবাসী আয় বাড়ার সুবাদে চলতি অর্থবছর এখন পর্যন্ত ব্যাংকগুলো থেকে প্রায় সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যার ফলে রিজার্ভ পুনরায় একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াচ্ছে।এনএন/ ২৩ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×